ক্রুসেড সিরিজ

ইসলামকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার চক্রান্তে মেতে উঠলো খৃষ্টানরা। একে একে লোমহর্ষক অসংখ্য সংঘাত ও সংঘর্ষে পরাজিত হয়ে বেছে নিল ষড়যন্ত্রের পথ। মুসলিম দেশগুলোতে ছড়িয়ে দিলো গুপ্তচর বাহিনী। ছড়িয়ে দিলো মদ ও নেশার দ্রব্য। ঝাঁকেঝাঁকে পাঠালো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুন্দরী গোয়েন্দা। বড় বড় সেনা অফিসার এবং আমীর ওমরাদের হারেমগুলোতে ওদের ঢুকিয়ে দিলো নানা কৌশলে। মদ, জুয়া আর বেহায়াপনার স্রোত বইয়ে দিলো শহরগুলোতে।

একদিকে সশস্ত্র লড়াই - অন্যদিকে কুটিল সাংস্কৃতিক হামলা, এ দুয়ের মোকাবেলায় রুখে দাঁড়ালো মুসলিম বীর শ্রেষ্ঠরা। তারা মোকাবিলা করলেন এমন সব অবিশ্বাস্য ও শ্বাসরুদ্ধকর ঘটনার, মানুষের কলনাকেও যা হার মানায়।

মরণজয়ী মুজাহিদ -(পাহাড়ী এক লড়াকু)

১৯৭৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর। হঠাৎ করে খবর হলো, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান দখল করে নিয়েছে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষের মত আমিও ঘটনাটি অতিরঞ্জন বলেই মনে করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই খবরের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হলাম। তখন মনে হলো, সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করে জন্মভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা আফগানদের পক্ষে হয়তো আর সম্ভব হবেনা।

১৯৮২ সালে আফগান রণাঙ্গনে দু সপ্তাহ মুজাহিদদের সাথে থাকার সুযোগ পেয়ে গেলাম। এসময়ে কাছে থেকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ  করলাম তাঁদের যুদ্ধকৌশল ও দৈনন্দিন জীবনাচার! তখন আমার ধারনা সম্পূর্ণ বদলে গেলো। মনে হলো, এরা সাধারণ যোদ্ধাদের থেকে সম্পূর্ণ অন্য এক ধরনের পরজাগতিক চেতনায় উজ্জীবিত। অত্যাধুনিক সামরিক শক্তিতে বলীয়ান রুশ বাহিনীর মোকাবিলায় আফগান মুজাহিদরা যেভাবে জীবন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সে এক বিষ্ময়কর ও অবিশ্বাস্য দৃশ্য! নিজ চোখে না দেখলে আমি তা কখনো বিশ্বাস করতাম না।

ডাঃ মতিয়ার রচনাবলী

আমি একজন ডাক্তার (বিশেষজ্ঞ সার্জন)। আপনাদের মনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, ডাক্তারি বিষয় বাদ দিয়ে একজন ডাক্তার কেন এ বিষয়ে কলম ধরল? তাই এ বিষয়ে কেন কলম ধরেছি, সেটা প্রথমে আপনাদের জানানো দরকার।

ছোটবেলা থেকেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আগ্রহ ছিল। তাই দেশে-বিদেশে যেখানেই গিয়েছি, ইসলাম সম্বন্ধে সে দেশের মুসলিম ও অমুসলিমদের ধারণা গভীরভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছি। বিলেত থেকে ফিরে এসে আমার মনে হল, জীবিকা অর্জনের জন্যে বড় বড় বই পড়ে FRCS ডিগ্রী করেছি, এখন যদি পবিত্র কুরআন তাফসীরসহ বুঝে না পড়ে আল্লাহর কাছে চলে যাই, আর আল্লাহ যদি জিজ্ঞাসা করেন, ‘ইংরেজি ভাষায় বড় বড় বই পড়ে বড় ডাক্তার হয়েছিলে কিন্তু তোমার জীবন পরিচালনার পদ্ধতি জানিয়ে আরবীতে আমি যে কিতাবটি (কুরআন শরীফ) পাঠিয়েছিলাম, সেটি কি তরজমাসহ বুঝে পড়েছিলে? তখন এ প্রশ্নের আমি কী জবাব দেব?’

মতবিরোধপূর্ণ বিষয়ে সঠিক পন্থা অবলম্বনের উপায়



সাহাবায়ে কিরামের(রাঃ) যুগ থেকেই ইসলামে ইজতিহাদী বিষয়ে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়ে আসছে। ইজতিহাদী মতপার্থক্য কখনো মুজতাহিদ্গণের খামখেয়ালীর কারনে সৃষ্টি হয়নি। সাহাবায়ে কিরাম রাঃ, তাবেয়ী এবং ইমাম মুজতাহিদ্গনের কালে মতপার্থক্য ইসলামের জন্যে ক্ষতিকর কিছু ছিলোনা। বরঞ্চ তা ছিলো রহমত ও কল্যাণময়।

কিন্তু পরবর্তীকালে কিছুলোক এগুলোকে বড় করে দেখতে থাকে। এটাকে বিদ্বেষ, গোঁড়ামী ও বিবাদের হাতিয়ারে পরিণত করে । ফলে মুসলমানদের মধ্যে সৃষ্টি হয় নানান দল ও উপদলের। অজ্ঞতাবশত এদের একদল নিজেদের মতকেই একমাত্র সঠিক এবং অন্যদের ভ্রান্ত বলে আখ্যা দিতে শুরু করে। সাধারণ মানুষ হয়ে পড়ে বিভ্রান্ত।

ইউসুফ বিন তাশফিন (নসীম হিজাযী)

 
বাপকা বেটা : 

এক বাচ্চা ছেলে দশাসই এক লোকের হাত ধরে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছে । আগে আগে যাচ্ছে দুই কিশোর । লোকটি ডেকে বলল, 'সাদ, আহমদ, দাঁড়াও'।

সাদ ও আহমদ বাগানের ভাঙা দেয়ালটার কাছে পৌছে ডাক শুনে দাঁড়িয়ে পড়লো । লোকটার বয়স চল্লিশের কাছাকাছি । সে তার বিশাল দেহটা নিয়ে ওদের কাছে এসে বলল, 'হাসান খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছে' ।

আলমাস চাচা, আমরা আজ মদিনাতুজ জোহরা দেখে যাব ।কি হাসান! তুমি কি খুব কাহিল হয়ে পড়েছো ? 'বললো বড় ছেলেটি ।

হাসান কোন জবাব না দিয়ে মুখ কালো করে এক পাথরের ওপর বসে পড়লো । তীর ধনুক নামিয়ে রাখল মাটিতে... (প্রথম চাপ্টার)

সুদবিহীন ব্যাংকিং

সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা প্রায় বিগত একশত বছরে সাম্রাজ্যবাদের ছত্রছায়ায় শুধু ইসলাম আর মুসলমানদের নয়, বরং পৃথিবীর মানব সন্তানের ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আশিভাগ আদম সন্তানকে স্বাস্থ্য, মেধা, চরিত্র, আখলাখ, কৃষ্টি ও কালচারের দিক দিয়ে ধ্বংসের যে প্রান্তে নিয়ে গেছে তার ভয়াল চিত্র কোন ধর্মের বুদ্ধিজীবি, লেখক, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক এক হাজার বছর ধরেও লিখে শেষ করতে পারবেনা। তাই আল্লাহ কুরআনে অন্য সমস্ত মহাপাপের তুলনায় একমাত্র সুদী অর্থব্যাবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ ও তার রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

অন্যদিকে সমাজতন্ত্রবাদীরা স্বীয় পরিশ্রমের নিশ্চিত মালিকানাকে অস্বীকার করে। হাতের পাঁচ আঙুলকে এক সমান করে দেখানোর অবাস্তব সমাজতন্ত্র পৃথিবীবাসীকে বোকা বানানোর যে অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলো তা ভেঙে গেছে। খোদাদ্রোহীতা সমাজতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ - আফগান পাঠানদের লাঠির আঘাতে ভেঙে খান খান হয়ে গেছে এই থীওরী।

ইসলামী আইন ও মানবরচিত আইন (শহীদ আবদুল কাদের আওদাহ)


;
আমি আপনাদের সামনে এমন একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা পেশ করছি যার ভিতরে আমি সংক্ষিপ্তরূপে শরীয়তের এমন সব বিধান লিপিবদ্ধ করেছি, যেগুলো জানা একজন শিক্ষিত ব্যক্তির জন্য একান্ত আবশ্যক। এর ভিতরে এমনি কতিপয় জাহিল লোকের শরীয়ত-পরিপন্থী উদ্ভট দাবীর থলিও খুলে দিয়েছি যাতে পরিস্কাররূপে বোঝা যাবে যে এই দাবীগুলোর নেই কোন যুক্তি, নেই কোন দলীল প্রমান। আমি আশা করি এ পুস্তিকা সেইসব বিপরীত ধ্যান ধারনা ও মতবাদ সংশোধন ও সংস্কার করে দিতে সক্ষম হবে, যা কতিপয় দর্শন-বিজ্ঞানে পারদর্শী ও শিক্ষিত লোকের মানসিকতায় সৃষ্টি হয়েছে। আর আমি এ আশাও পোষণ করছি যে, আমাদের শ্রদ্ধেও 'উলামাএ ইসলাম' ইসলামী খিদমতের বর্তমান কর্মপদ্ধতিটিকে পরিবর্তন করে আধুনিক কর্মপদ্ধতি গ্রহণ করতে কুন্ঠিত হবেন না। - লেখক 

বখতিয়ারের তলোয়ার

http://3.bp.blogspot.com/-VkHzRZs8xvQ/UMZAvtuhumI/AAAAAAAABw0/qdQmipaax2s/s1600/Bokhtiarer_Talwar.jpgইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজীর নদীয়া বিজয় থেকে দাউদ কাররানীর রাজমহলের যুদ্ধ বাংলা মুলুকের পৌনে চারশো বছরের ইতিহাস। গৌড়পান্ডুয়া-তান্ডার-মুসলমান শাসনের এক অবিস্মরণীয় ও ঐতিহ্যময় অতীত। অথচ ইংরেজ ও তার সহযোগীদের চাতুর্যে এই অতীত আমাদেদের জানতে দেয়া হয়না আজ ও। এই ইতিহাসের গুরুত্ব খুবই কম আমাদের পাঠ্যসূচীতে।

সামাল-সামাল-
হুশিয়ার হুশিয়ার-

জাঁন কাঁপানো আওয়াজ গজবের আলামত। জায়গার নাম গরমশির। আফগান মুলকের এক প্রাচীন জনপদ। এক প্রান্তিক এলাকা। গরমশিরের একদিকে সিস্তান ও অন্যদিকে গজনী। জনপদের দুইপাশে লোক বসতি, মাঝখানে রাস্তা। বালি-কাঁকর-পাথর ঢাকা পথ। ঘটনা এই পথের উপর।

অনল-প্রবাহ

http://3.bp.blogspot.com/-mRZXqpvQ_SU/VO3La74VdrI/AAAAAAAADCE/F9l0sOlw3NU/s1600/Onol-Probaho-priyoboi.jpgআর ঘুমিও না নয়ন মেলিয়া,
ঊঠরে মোসলেম ঊঠরে জাগিয়া,
আলস্য জড়তা পায়েতে ঠেলিয়া,
পূত বিভু নাম স্মরণ করি।

যুগল নয়ন করি উন্মীলন,
কর চারিদিকে কর বিলোকন,
অবসর পেয়ে দেখ শত্রুগণ,
করেছে কীদৃশ অনিষ্ট সাধন,
দেখো চাহিয়া অতীত স্মরি।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঠিক পূর্বে যিনি বাংলা ভাষায় ও মুসলিম উম্মাহর পক্ষে আগুনের বীণা বাজিয়েছিলেন, তিনি হলেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন শিরাজী। বাংলা সাহিত্য জগতে তখন ইসলাম ও মুসলমান জাতিকে হেয় করা -কটাক্ষ করা- বিকৃত করা -অপমানিত করার উতসব চলছিলো, ইসমাইল হোসেন সিরাজীই  নজরুল-পূর্ব সেই যুগে কলম হাতে তুলে নিয়ে প্রবল পরাক্রমে তার মোকাবিলা শুরু করেছিলেন!

দর্পণে আপন ছায়া - খাদিজা আখতার রেজায়ী

১৯৭৪ সালের কথা। চারদিকে ভীষণ অস্বস্তি। রাজনীতি শ্বাসরুদ্ধকর আবহাওয়ায় বিষাক্ত এই জনপদ। দেশজুড়ে শতাব্দীর ভয়ংকর ক্ষুধার আগ্রাসন, মাত্র বছরের ব্যাবধানে পঁচিশ লাখ আদম সন্তান দুর্ভিক্ষের বলি হয়ে নিঃশেষ হয়ে গেলো! চলছে, 'ভাতে মারবো-পানিতে মারবো' এর নিদারুন পরিহাস!

পিতামাতা তাদের বুকের সন্তানকে মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে, সোমত্ত মেয়েরা এক মালসা ফেনের জন্য রাজনৈতিক টাউটদের কাছে দেহ বিক্রী করে। এমনই এক ভয়াবহ পরিস্থিতির বেদনাবিধুর স্মৃতি পরবর্তী বংশধরদের কাছে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব যে সাহিত্যিক সাংবাদিক বুদ্ধিজীবিদের হাতে ন্যাস্ত, তাদের বিরাট অংশ খদ্দেরের আশায় 'কলম' হাতে লাইনে দাঁড়ানো, নিবিড় নিদারুন অন্ধকারের একচ্ছত্র রাজত্ব চতুর্ধারে!

চুয়াত্তুরের পলিটিকাল পোলারাইজেশন ও করাপশন থেকে বেঁচে যাওয়া একটি শক্তিশালী কলম হচ্ছে খ্যাতিমান প্রবাসী লেখিকা মোহতারেমা খাদিজা আখতার রেজায়ী, যিনি সেই দুর্দিনেও তার কলমকে তদানীন্তন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার রেখেছিলেন। দর্পণে আপন ছায়া দেই প্রতিবাদী কন্ঠের শানিত উচ্চারণ।


আলোর পরশ

বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার দিতে শুরু করে ১৯৬০ সাল থেকে। ওই বছরই উপন্যাস বিভাগে পুরস্কার পান আবুল হাশেম খান। তাঁর উপন্যাসের নাম ‘আলোর পরশ’। পঞ্চাশের দশকে প্রকাশিত এ উপন্যাসটি পাঠকদের কাছে সমাদরের দিক থেকে স্থান পেয়েছিল ‘বিষাদ সিন্ধু’র পরেই। ইসলামের অভ্যুদয়ের কালে মক্কার এক তরুণের জীবন, প্রেম ও কুরবানীর এক অনবদ্য উপাখ্যান। ইসলাম মাত্র প্রচারিত হতে শুরু করেছে,একজন-দু’জন করে গ্রহণ করছেন ইসলাম, এমন একটা সময়ের ঘটনাবলী। উপন্যাসের নায়ক ও নায়িকা পরম্পরকে ভালোবাসে গভীরভাবে। ইসলামে দীক্ষা নেয়ার পর তাদের ওপর নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন। ইসলামবিরোধীরা অনেক অত্যাচার করেও মন ফেরাতে পারে না তাদের। পরিবারের গঞ্জনা, সমাজের লাঞ্ছনা—সব কষ্ট-যন্ত্রণা তাঁরা সহ্য করে অসীম ধৈর্যের সঙ্গে। ইসলামের আলোর পরশ পেয়ে উজ্জীবিত হয়েছে তাঁরা, কাজেই অন্ধকারের শক্তিকে ভয় কি?


ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা-(মাওলানা মওদুদী)


এই বইটি হলো হাকীকত সিরিজের ছয়টি বইয়ের একত্র সমন্বয়। হাকীকত সিরিজের বইগুলি প্রিয়বই.কম এ আগে পোষ্ট করা হয়েছিলো। তবে হাকীকত সিরিজের বই এর প্রকৃত স্বাদ ও এর বিপ্লবী চেতনা পেতে হলে বইগুলি ধারাবাহিকভাবে সিরিয়াল আনুযায়ী পড়া জরুরী। ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা নামে ছয়টি খন্ডই প্রকাশিত হয়েছে।

মূলত মাওলানা মওদুদীর প্রদত্ত খুতবার লিখিত ভার্সন এই সিরিজের বইগুলি। ইসলামের বুনিয়াদী তথা মৌলিক ভিত্তিমূলক এই ছয়টি বই হলো ক্রমানুসারে, ইমানের হাকীকত, ইসলামের হাকীকত, নামাজ-রোজার হাকীকত, যাকাতের হাকীকত, হজ্জ্বের হাকীকত, জিহাদের হাকীকত।


টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম