অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা - মেজর জলিল

লেখক পরিচিতি :

পারিবারিক নাম মোহাম্মদ আবদুল জলিল। বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায় জন্ম। পিতা জনাব আলী চৌধুরীর মৃত্যুর ৩মাস পরে উজিরপুর সদরেই অবস্থিত মামার বাড়ীতে জন্ম। শিশুকাল এবং কৈশোর মামদের পরম স্নেহেই কাটে। উজিরপুরের W.B. UNION INSTITUTION থেকে কৃতিত্বের সংগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এ সময়ে ‘পথের কাঙাল’ এবং ‘রীতি’ নামক দু’খানা উপন্যাস রচনা করেন। পরে পান্ডুলিপি হারিয়ে ফেলেন। ১৯৬১ সনে ‘Y’ Cadet স্কীমের অধীনে পশ্চিম পাকিস্তানের ‘মারী হিলস’(রাওয়ালপিন্ডি জেলায়) ভর্তি হন। কৃতিত্বের সংগে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় উত্তীন্ন হন। ১৯৬৩ সনে পাকিস্তানী মিলিটারী একাডেমী কাকুলে সামরিক বাহিনীর অফিসার কাম ট্রেনিং- এ যোগদান করেন। ১৯৬৫ সনের সেপ্টেম্বর মাসে কমিশন প্রাপ্ত হয়ে ১২ নং ক্যাভালরী রেজিমেন্ট (ট্যাঙক বাহিনী) যোগদান করে

অনল-প্রবাহ

http://3.bp.blogspot.com/-mRZXqpvQ_SU/VO3La74VdrI/AAAAAAAADCE/F9l0sOlw3NU/s1600/Onol-Probaho-priyoboi.jpgআর ঘুমিও না নয়ন মেলিয়া,
ঊঠরে মোসলেম ঊঠরে জাগিয়া,
আলস্য জড়তা পায়েতে ঠেলিয়া,
পূত বিভু নাম স্মরণ করি।

যুগল নয়ন করি উন্মীলন,
কর চারিদিকে কর বিলোকন,
অবসর পেয়ে দেখ শত্রুগণ,
করেছে কীদৃশ অনিষ্ট সাধন,
দেখো চাহিয়া অতীত স্মরি।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঠিক পূর্বে যিনি বাংলা ভাষায় ও মুসলিম উম্মাহর পক্ষে আগুনের বীণা বাজিয়েছিলেন, তিনি হলেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন শিরাজী। বাংলা সাহিত্য জগতে তখন ইসলাম ও মুসলমান জাতিকে হেয় করা -কটাক্ষ করা- বিকৃত করা -অপমানিত করার উতসব চলছিলো, ইসমাইল হোসেন সিরাজীই  নজরুল-পূর্ব সেই যুগে কলম হাতে তুলে নিয়ে প্রবল পরাক্রমে তার মোকাবিলা শুরু করেছিলেন!

ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা-(মাওলানা মওদুদী)


এই বইটি হলো হাকীকত সিরিজের ছয়টি বইয়ের একত্র সমন্বয়। হাকীকত সিরিজের বইগুলি প্রিয়বই.কম এ আগে পোষ্ট করা হয়েছিলো। তবে হাকীকত সিরিজের বই এর প্রকৃত স্বাদ ও এর বিপ্লবী চেতনা পেতে হলে বইগুলি ধারাবাহিকভাবে সিরিয়াল আনুযায়ী পড়া জরুরী। ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা নামে ছয়টি খন্ডই প্রকাশিত হয়েছে।

মূলত মাওলানা মওদুদীর প্রদত্ত খুতবার লিখিত ভার্সন এই সিরিজের বইগুলি। ইসলামের বুনিয়াদী তথা মৌলিক ভিত্তিমূলক এই ছয়টি বই হলো ক্রমানুসারে, ইমানের হাকীকত, ইসলামের হাকীকত, নামাজ-রোজার হাকীকত, যাকাতের হাকীকত, হজ্জ্বের হাকীকত, জিহাদের হাকীকত।


কায়সার ও কিসরা - নসীম হিজাযী


আদী ও তার ছেলেরা ওমরকে খুঁজতে বেরিয়েছে এক প্রহর আগে । প্রদীপের ক্ষীণ আলোয় বসে আছে সামিরা । তার ডাগর আঁখিতে বেদনার ছাপ । সামিরা দুহাত উপরে তুলে দরদমাখা কণ্ঠে প্রার্থনা করছিলো : "ওগো মানাত! পৃথিবীর কোন কিছুই তো তোমার কাছে গোপন নেই । ভাইজান কোথায় আছে তা তুমিই জানো.."

..আসেম ভেবেছিলো ওমরকে পৌঁছে দিয়েই ফিরে যাবে সে । শান্তির দিনগুলো শেষ না হলেও আওসের কারো পক্ষে বনু খাজরাজের সীমায় পা রাখা নি:সন্দেহে অবাঞ্চিত ঘটনা..


পল্লিকবি জসীম উদ্দিন রচনাবলী

তিনি ১৯০৩ সনের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি ছিলো একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট। জসীমউদ্দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল, ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ন হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগদেন। এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে তার নিজ গ্রাম বিমলগুহে সমাধিস্থ করা হয়।

আমার ফাঁসি চাই

৩রা মে ১৯৮৪ এর এক পড়ন্ত বিকেলে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে বসে গল্প করছেন বঙ্গবন্ধু কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ কয়েকজন। গল্পে গল্পে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ উঠলো। প্রসঙ্গ উঠলো ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যে দিয়ে গড়ে উঠা আমাদের সেনাবাহিনীর কথা।

জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বললেন, এটা একটা সেনা বাহিনী হলো ? এটা একটা বর্বর, নরপিশাচ, উচ্ছৃংখল, লোভী, বেয়াদপ বাহিনী। এই বাহিনীর আনুগত্য নেই , শৃংখলা নেই , মানবিকতা নেই, নেই দেশ প্রেম। এটা একটা দেশদ্রোহী অসভ্য হায়েনার বাহিনী। তোমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কথা বল। সারা বিশ্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো এতো ভদ্র, নম্র, সভ্য, বিনয়ী এ‌বং আনুগত্যশীল বাহিনী খঁজে পাওয়া যাবেনা। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানবিকতা বোধের কোন তুলনাই চলেনা। কি অসম্ভব সভ্য আর নম্র তারা।

যাকির নায়েকের বই ও লেকচার সঙ্কলন

ডা. জাকির নায়েক ১৮ অক্টোবর ১৯৬৫ সালে ভারতের মুম্বাইয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মুম্বাইয়ের সেন্ট পিটার’স হাই স্কুল (আই.সি.এস.ই) থেকে মাধ্যমিক এবং চেল্লারাম কলেজ, মুম্বাই থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর টপিওয়ালা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, নায়ের হসপিটাল, মুম্বাই থেকে পড়াশুনার পর মুম্বাই ইউনিভার্সিটি থেকে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেন। ডা. জাকির নায়েক বর্তমানে ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন (আইআরএফ) এর প্রেসিডেন্ট। তিনিই এর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বর্তমানে আইআরএফ এডুকেশনাল ট্রাষ্ট, মুম্বাইয়ের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ডাইমেনশন মুম্বাইয়ের প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও তিনি ইসলামি রিসার্চ ফাউন্ডেশন নামক আইআরএফ নামক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা যেটি পিস টিভি পরিচালনা করে থাকে।(উল্লেখ্যঃ ভারতে পিস টিভির সম্প্রচার সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ)

মরণজয়ী মুজাহিদ -(পাহাড়ী এক লড়াকু)

১৯৭৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর। হঠাৎ করে খবর হলো, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান দখল করে নিয়েছে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষের মত আমিও ঘটনাটি অতিরঞ্জন বলেই মনে করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই খবরের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হলাম। তখন মনে হলো, সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করে জন্মভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা আফগানদের পক্ষে হয়তো আর সম্ভব হবেনা।

১৯৮২ সালে আফগান রণাঙ্গনে দু সপ্তাহ মুজাহিদদের সাথে থাকার সুযোগ পেয়ে গেলাম। এসময়ে কাছে থেকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ  করলাম তাঁদের যুদ্ধকৌশল ও দৈনন্দিন জীবনাচার! তখন আমার ধারনা সম্পূর্ণ বদলে গেলো। মনে হলো, এরা সাধারণ যোদ্ধাদের থেকে সম্পূর্ণ অন্য এক ধরনের পরজাগতিক চেতনায় উজ্জীবিত। অত্যাধুনিক সামরিক শক্তিতে বলীয়ান রুশ বাহিনীর মোকাবিলায় আফগান মুজাহিদরা যেভাবে জীবন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সে এক বিষ্ময়কর ও অবিশ্বাস্য দৃশ্য! নিজ চোখে না দেখলে আমি তা কখনো বিশ্বাস করতাম না।

দর্পণে আপন ছায়া - খাদিজা আখতার রেজায়ী

১৯৭৪ সালের কথা। চারদিকে ভীষণ অস্বস্তি। রাজনীতি শ্বাসরুদ্ধকর আবহাওয়ায় বিষাক্ত এই জনপদ। দেশজুড়ে শতাব্দীর ভয়ংকর ক্ষুধার আগ্রাসন, মাত্র বছরের ব্যাবধানে পঁচিশ লাখ আদম সন্তান দুর্ভিক্ষের বলি হয়ে নিঃশেষ হয়ে গেলো! চলছে, 'ভাতে মারবো-পানিতে মারবো' এর নিদারুন পরিহাস!

পিতামাতা তাদের বুকের সন্তানকে মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে, সোমত্ত মেয়েরা এক মালসা ফেনের জন্য রাজনৈতিক টাউটদের কাছে দেহ বিক্রী করে। এমনই এক ভয়াবহ পরিস্থিতির বেদনাবিধুর স্মৃতি পরবর্তী বংশধরদের কাছে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব যে সাহিত্যিক সাংবাদিক বুদ্ধিজীবিদের হাতে ন্যাস্ত, তাদের বিরাট অংশ খদ্দেরের আশায় 'কলম' হাতে লাইনে দাঁড়ানো, নিবিড় নিদারুন অন্ধকারের একচ্ছত্র রাজত্ব চতুর্ধারে!

মাওলানা মওদুদী : একটি দুর্লভ সংগ্রহ ও অভিযোগের জবাব

 
গত শতাব্দীর শুরুর দিকে পৃথিবীর মধ্যভাগে আল্লাহর বান্দা হাসান আল বান্না এবং পূর্বভাগে আল্লাহর আরেক বান্দা মাওলানা মওদুদী ইসলামী আন্দোলনের পূনর্জাগরনের বার্তা নিয়ে আসেন। মিশরকে কেন্দ্র করে ইখওয়ানুল মুসলেমীন এবং উপমহাদেশকে কেন্দ্র করে জামায়াত ইসলামী নামে এই মহান আন্দোলন দুটি পৃথিবীর দিকেদিকে ছড়িয়ে পড়ে। দিশেহারা অন্ধকারাচ্ছন্ন কুসংস্কারাবদ্ধ মানবতাকে ইসলামের সুমহান শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোতে আবদ্ধ করে ইসলামী সমাজ বিনির্মানের ঐতিহাসিক আন্দোলন শুরু করেন তারা। দুটো ভিন্নভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশে আন্দোলন দুটো বেড়ে উঠতে গিয়ে মুখোমুখি হয় ঠিক রাসুল সা: এর সময়কালীন নানা ধরনের সংঘাত ও বিরোধীতার। এ বিরোধীতার ধরন বিচিত্র, ঠিক যেমনটা আল্লাহর রাসুল সা: মোকাবেলা করে গিয়েছেন, কোন বিরোধীতা সশস্ত্র জালেমের পক্ষ থেকে, কোন বিরোধীতা প্রাচীনপন্থী বাপ-দাদার শেখানো পথে চলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ধর্মীয় দল উপদলের পক্ষ থেকে। ইসলামকে জীবনমুখী ও বাস্তবে সমাজ রাষ্ট ও আইন কানুনে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যে সমস্ত বাধা বিপত্তি , প্রশ্ন ও অপবাদের স্বীকার হয়েছে এ আন্দোলন, তার অনেক জবাব দিয়েছেন মাওলানা মওদূদী নিজেই, কিছু জবাব দিয়েছেন অন্য বিদগ্ধ আলেম ও স্কলারগন। এধরনের একটি সংকলন এখানে আপলোড করা হচ্ছে।






ইসমাইল হোসেন সিরাজী উপন্যাসসমগ্র


বাঙ্গালী লেখকগনের যত্ন এবং চেষ্টায় বাংলা ভাষা আজ ভারতের সর্বপ্রধান ভাষায় পরিণত। বাংলা ভাষায় ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞানের গ্রন্থ যত সামান্যই হঊক, কিন্তু উপন্যাস এবং নাটক নভেলে বাংলা ভাষা আজ ভারাক্রান্ত। আর সেই সমস্ত গ্রন্থের পত্রে-পত্রে ছত্রে -ছত্রে মুসলমানের অলীক কলঙ্ক, কুৎসা - বিজাতীয় বিদ্বেষ এবং ঘৃণা পরিপূর্ণ। উপন্যাসগুলি মোসলেম বিদ্বেষের অনলকুন্ড। সে অনলকুন্ডে বিরাট-কীর্তি, বিপুল-যশ, সিংহতেজা মুসলমান জাতির গোলাম হইতে সম্রাট নবাব এবং বেগম ও শাহজাদীগণ পর্যন্ত নিতান্ত নিষ্ঠুরভাবে নিক্ষিপ্ত হইয়াছে!

গৌড় থেকে সোনার গাঁ -(উপন্যাস)

ইখতিয়ারউদ্দিন-মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজী জানবাজী রেখে বাঙ্গালা মুলুকে মুসলিম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে গেলেন। তাকে সাহায্য করলেন তার নিকটতম তিন-ইয়ার শিরান খলজী, আলী মর্দান ও ইওজ খলজী। তারা লাক্ষ্ণৌ, বিহার ও বরেন্দ্র অঞ্চলকে এই নতুন রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত করেন। ইশায়ী ১২০৫ সালে ইখতিয়অরউদ্দিন ইন্তেকাল করলে দিল্লীর সুলতানকে নামমাত্র সদকা দিয়ে তার তিন বন্ধু পরপর ইসায়ী ১২২৭ সাল পর্যন্ত বাঙ্গালা শাসন করে গেলেন। কিন্তু ১২২৭ সালে দিল্লীর সুলতান ইলতুতমিশের পূত্র নাসিরউদ্দিন মাহমুদ সুবিশাল বাহিনী নিয়ে বাঙ্গালার গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজীকে পরাজিত ও হত্যা করে দখল করে নেন এ অঞ্চল। এরপর একটানা আটান্ন বছর দিল্লী থেকে নিযুক্ত পনেরোজন শাসক বাঙ্গালা শাসন করেন। এদের দশজনই ছিলেন মামলুক বা দাস।


সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম