তংহু আমাকে বশিভূত করল -(লিখেছেন দ্য স্লেভ)

এবার সেই লেকে নিয়ে যাব আপনাদের। আমি রাতে বের হলাম। আলো-ছায়াযুক্ত একটা পথ দেখে আমার মনে হল আমি ছোটবেলায় দেখা একটা স্বপ্নের ভেতর চলে গেছি। আমি না হেটে দুচোখ দিয়ে সে দৃশ্য খেতে থাকলাম। আমি দেখলাম আকাশে চাঁদ,আর নীচে ছোট বড় নানান রকমের বৃক্ষ। চমৎকার টাইলসে মোড়া রাস্তা। রাস্তার দুধারে ফুলের বাগান। ছোট ছোট কিছু গাছ আছে যার পাতাটাই আসল। কোনো পাতার রং লাল,কোনোটা

২১৩৮ টাকায় ঢাকা টু রাঙামাটি টু পতেঙ্গা টু ঢাকা (৫ রাত ৪ দিন)

আমরা এলাকা এবং ভার্সিটির ৭/৮ জন বন্ধু। দেশের ৬৪টা জেলা ঘুরে দেখার সংকল্প নিয়ে গত চার বছর ধরে সেমিস্টারের ফাকে, ঈদের ছুটিতে ছুটে যাচ্ছি দেশের বিভিন্ন জেলায়। যার সর্বশেষ রাঙামাটি।)
পরিকল্পনা হল ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্রগ্রাম হয়ে রাঙামাটি যাব। যাত্রার দিনের ৪ দিন আগে কমলাপুর গিয়ে দেখি পরবর্তী ৭ দিনের কোন আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট নেই। হালকা পাতলা ঘুষ দেখিয়ে বা ই-টিকেটিং কোন ভাবেই ৬টা টিকেট পেলাম না। রাঙামাটি যাব বলেছি যাবই। নির্ধারিত দিনে ৩ ঘন্টা আগেই চলে গেলাম কমলাপুর। টার্গেট তুর্না-নিশিথার পাওয়ার কার মাস্টারের রুম। আর তা না হলে স্ট্যান্ডিং টিকেটে দাড়িয়ে দাড়িয়ে চট্রগ্রাম। ষ্টেশন গিয়ে দেখি ট্রেন এখনও আসে নাই, বা কখন আসবে কেউ জানে না। এর মধ্যে আর একটা গ্রুপ দেখলাম মেইল ট্রেনের টিকেট কেটে চিটাগাং যাচ্ছে। মেইল ট্রেন সম্পর্কে কারোই তেমন ভাল অভিজ্ঞতা ছিল না, যা ছিল তা অতি ভয়ংকর। সিদ্ধান্ত নিলাম মেইল ট্রেন যেহেতু এক ঘণ্টা আগে ছেড়ে যাবে, তো আমরা আগে মেইল ট্রেন দেখি। না পারলে আন্তনগরতো আছেই। রেলের কর্মচারী, যাত্রী, তথ্যকেন্দ্র এক এক জায়গা থেকে এক এক রকম তথ্য পেয়ে বিভ্রান্ত হয়ে প্লাটফর্মে গিয়া দেখি মেইল ট্রেন "চট্রলা এক্সপ্রেস" দাঁড়ানো। একটা কামরাও খালি নাই। এর মধ্যে আবার দুই চারটা কামরা খাবার ঘর, আনসার এরা দখল করে নিজের মতো ভাড়া দিচ্ছে। আমরা একটা কামরা দেখলাম যেটা প্রায় পুড়াটাই খালি। কামরার নাম খাবার ঘর। জোড়া সীট মুখোমুখি, মাঝে একটা টেবিল। এই কামরায় শর্ত হল টিকেটের বাহিরে এদের কাছ থেকে ৬০ টাকা করে খাবার কিনে খেতে হবে (২পিস রুটি, ২টা টিকা) একটা খাবার, একটা সীট। ৭৫ টাকা করে মেইল ট্রেনের টিকেট কেটে উঠে পড়লাম ঐ কামরায়। ভাগ্য ভালো বলতে হবে আমাদের বা তাদেরও, কারন আমরা ছাড়াও আরও তিনটা গ্রুপ ছিল ঐ কামরায়। সবাই মিলে হৈচৈ করতে করতে, গান গেয়ে, কার্ড খেলে কাটিয়ে দিতে লাগলাম আমাদের প্রথম রাত।
সকালে চিটাগাং ষ্টেশন নেমে লোকাল বাস ধরে চলে গেলাম অক্সিজেন। অক্সিজেন থেকে রাঙ্গামাটির বাস। বি আর টি সি ১১৫ টাকা ও অন্যান্য বাস ৮৫ টাকা। চড়লাম রাঙ্গামাটির বাসে, গন্তব্য রিজার্ভ বাজার, গড়িয়ে চললো আমাদের প্রথম দিন। বাস রাঙামাটিতে প্রবেশের পর চারদিকের প্রাকৃতিক পরিবেশে আমরা অভিভূত। মুগ্ধ চোখে বাসের জানালা দিয়ে তাকিয়ে রইলাম সবাই। উঁচু নিচু পাহাড়ি সড়ক। কোথাও বাস ফুল গিয়ারে টেনে তোলতে হচ্ছে, আবার কোথাও এমনেতেই গাড়ি নেমে যাচ্ছে। ডানদিকে যদি পরে পাঁচতলা সমান উঁচু পাহাড়, বামদিকে তখন ঠিক তেমনই নিচু খাদ।

 
মুগ্ধতার রেশ না কাটতেই ভর দুপুরে বাস নিয়ে আসলো রিজার্ভ বাজার।

দার্জিলিং, সিকিমের গল্প -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)


আগের এক ব্লগে আপনাদের বলেছিলাম আমার প্রথম বিদেশ তথা ভারত ভ্রমণের গল্প। বিশেষ একটা কারণে তখন কালিম্পং গিয়েছিলাম। আর সেই যাত্রা আমার মনে পাহাড়ের প্রতি এক অপ্রতিরোধ্য প্রেম জাগিয়ে তোলে। বিশেষ করে দার্জিলিং দেখার তৃষ্ণা আমার মধ্য বেশ প্রবলভাবেই রয়ে যায়। আসলে ছোট বেলা থেকেই দার্জিলিং এর কথা এত শুনেছি, তো সেই জায়গার একদম কাছে গিয়েও না দেখে চলে আসা, পীড়া দিচ্ছিল।

যাইহোক, ২০০০ সালের পরও কিন্তু আমি ভারত গিয়েছিলাম ২০০৩ এ কিন্তু তখন ওইদিকটায় যাওয়া হয়নি। প্রসংগ যখন আসল, কয়েকটা কথা বলেই নেই। ভার্সিটিতে ক্লাশ শুরু হওয়ার পর যখন সহ

মালয়েশিয়া ভ্রমণ -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)




২০০৪ এর অগাস্টে চাকরিতে যোগ দেয়ার পর পরই একটা নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে ফেললাম। এক দেড় মাসের মধ্যেই সেটা পেয়ে গেলাম আর তার এস্তেমাল করেছিলাম পরের বছর নভেম্বরে দার্জিলিং সিকিম ভ্রমন করে। যাইহোক পাসপোর্টটা দ্রুত করানোর উদ্দেশ্যটা ছিল আসলে অফিসের কোন ট্রেনিং এর সুযোগ এলে যাতে কোন ঝামেলা না হয় সে জন্য। সে সুযোগটা চলে এল ২০০৬ এর মার্চে। মালয়শিয়ার সাইবারজায়ায় এরিকসন এডুকেশন এ ৯ দিনের একটা ট্রেনিং। ব্যাপক উত্তেজনা অনুভব করলাম, প্রথম কোন সুপরিসর উড়োজাহাজে চড়া এবং উন্নত কোন দেশে ভ্রমনের সম্ভাবনার আনন্দে। নতুন ব্যাগ কেনা হল।

মেঘের রাজ্য মেঘালয়ে.. -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)

 
২০০৬ সালের মে মাস প্রথম দিকে। কোন এক সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ছিল সরকারী ছুটি। আমার অফিসের মুকুল ভাই এর মাথা থেকেই এল আইডিয়াটা। ওনার কোন এক বন্ধুর কাছ থেকে উনি শিলং এর কথা শুনেছিলেন যে, যাওয়ার মত একটা জায়গা। আমাদের অবস্থা দেখেন, কি রকম দৌড়ের উপর কাজ। সোমবারে মুকুল ভাই বলল, জহির চল শিলং ঘুরে আসি এই উইক এন্ডে। আর কে যাবে? আমাদের আরেক বড় ভাই বাইরন ভাইও এক পায়ে খাড়া হয়ে গেল। আমিও রাজী হয়ে গেলাম।

ফিলিপিনসে ঘোরাঘুরি... -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)


এবারের কোরবানীর ঈদের ছুটিটা বেশ লম্বা থাকায় অনেক আগে থেকেই ঈদের ছুটিতে কাশ্মীর যাওয়ার একটা নিয়্যত ছিল। আমার দার্জিলিং-সিকিম যাওয়ার সংগী হালিমকেও সেভাবেই বলে রেখেছিলাম। কিন্তু, যাওয়ার আগে আরেক বন্ধু বাবু দৃশ্যপটে হাজির হল ! ও বলল, কাশ্মীরে নিরাপত্তার ইস্যু আছে, যেই টাকা খরচ করবা, তার সাথে আর কিছু যোগ করে চল আমরা ফিলিপিনস ঘুরে আসি, খুব সুন্দর নাকি সেই দেশ ! টাকা পয়সা যা লাগবে তার একটা আনুমানিক হিসেব যখন ওরা মুখে মুখে বলেও ফেলল, চিন্তা করলাম, ঠিক আছে কাশ্মীর না হয় পরে যাওয়া যাবে, এবার আরেকটু দূরে কোথাও ঘুরে আসি!

গেন্টিং হাইল্যান্ডস –সিটি অফ এন্টারটেইনমেন্ট !


 
১১ নভেম্বর ম্যানিলা থেকে উড়াল দিয়েছিলাম কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে। মালয়শিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট, কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকা। মাঝে কয়েক ঘন্টার বিরতি। আমার বন্ধু সেদিনই বাংলাদেশে চলে এসেছিল কিন্তু আমি কুয়ালালামপুর নেমে মালয়শিয়া ঢুকে পড়ি। দু’দিনের জন্য।

সংক্ষিপ্ত ভ্রমন, সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী। গেন্টিং হাইল্যান্ড গমন, Ra.One সিনেমা দেখা আর কিছু কেনা কাটা করে বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তন!:)

গেন্টিং হাইল্যান্ডস –সিটি অফ এন্টারটেইনমেন্ট ! কুয়ালালামপুর থেকে মাত্র ১ ঘন্টার দূরত্বে ১৮৬০ মিটার উচ্চতায় তৈরী এই সিটিতে আছে রিসোর্টস এবং থিম পার্ক। বাস থেকে নেমে ৩.৩৮ কিমি. স্কাই ওয়ে পেরিয়ে ওখানে যেতে হয় (স্কাই ওয়ে বাই পাস করে সরাসরিও ওখানে যাওয়া যায়)। স্কাই ওয়ের যাত্রা পথ আর নৈসর্গিক দৃশ্য

সিমলা (হিমাচল) ভ্রমন -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)

 

২০০৩ সালে আমি বেশ লম্বা সময়ের জন্য ভারত ভ্রমনে বের হই, ২২ দিনে প্রায় ১০ টি শহর ঘুরি। সেবার খুব ইচ্ছে ছিল সিমলা এবং মানালি ঘোরার। সিমলা, মানালি এই নাম দুটোই আমার মনে অন্যরকম একটা একটা অনুভূতি সৃষ্টি করত। কিন্তু, ২০ দিন টানা ঘোরার পর সিমলা যাওয়ার আর শক্তি বা ধৈর্য্য কোনটাই অবশিষ্ট ছিল না। আমার যাও বা একটু ছিল, আমার বন্ধুর একেবারেই ছিল না।

মানালি (হিমাচল) ভ্রমন (মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)


২৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৭। সকালে নাস্তা করে ধীরে সুস্থে আমরা সিমলা থেকে মানালির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আকাশ পরিস্কার, সিমলার নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ! B-) ঠান্ডা হাওয়া, একেবারে পারফেক্ট দিন ভ্রমন করার জন্য। পাহাড়ী রাস্তা বেয়ে আমাদের টাটা ইন্ডিকা গাড়ীটি এগিয়ে চলছে। যাত্রী মোটে আমরা তিন জন। আমি, আমার বন্ধু আর ড্রাইভার।

মানালি পৌছতে আমাদের প্রায় সন্ধ্যে হয়ে গেল। যখন মানালির কাছাকাছি তখন গাড়ী থেকে এমন দৃশ্য চোখে পড়ল। মনে মনে বললাম, আহা, এই না হলে আমাদের স্বপ্নের মানালি !

চিয়াং মাই, থাটন লং নেক ভিলেজ ভ্রমন -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)



চিয়াং মাই যাবার ট্রেনটিতে মাত্র দু’টো বগি ছিল। খুব মজা লাগল। রাতে ট্রেনে খাবার দিল। রান্না বেশ সুস্বাদু, আর স্টিকার মারা আছে “"Halal certification by Central Muslim Authority of Thailand"” ! বেশ স্বস্তিদায়ক একটা ব্যাপার।

চিয়াং মাই থাইল্যান্ডের উত্তর পশ্চিম দিকের শহর, ব্যাংকক থেকে ৭০০ কিমি দূরে। সকালে চিয়াং মাই পৌছে হোটেলে চলে গেলাম, নতুন হোটেল, রুম এর অবস্থা বেশ ভাল। নাশতা করে দুই সহকর্মী বেরিয়ে পড়লাম নিজেরাই একটু শহর ঘুরে দেখব বলে। হেটে বেড়ালাম অলিতে গলিতে।

ব্যাংকক, পাতায়া ভ্রমন -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)


 

সিংগাপুর এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস যখন থাইল্যান্ডের সুবর্ণভূমি বিমান বন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করল, তখন রাত প্রায় ন’টা। আমাদের প্যাকেজের মধ্যে ব্যাংকক প্যালেস হোটেলে বুকিং ছিল, সাথে ফ্রি এয়ারপোর্ট থেকে হোটেল ট্রান্সফার। এদিক ওদিক অনেক খুজেও যখন আমাদের নিতে আসা গাড়ীর টিকির দেখা পেলাম না, তখন বাসে করেই ব্যাংকক এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়েই বাস উঠে গেল ফ্লাই ওভার এ, আর সেটা গিয়ে শেষ হল একেবারে ব্যাংকক শহরে। বাস ব্যাংকক প্যালেসের কাছেই নামিয়ে দিল। হোটেলের মান বেশ ভালই।

পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কমপ্লিমেন্টারি ব্রেক ফাস্ট দেখেতো আমরা যারপরনাই উচ্ছ্বসিত। এত আইটেমের আয়োজন, কোন কার্পণ্য ছাড়াই নাশতা এস্তেমাল করলাম।

সিংগাপুর ভ্রমন -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)


 
ভুটান ভ্রমনের পোস্টেই বলেছিলাম, ২০০৬ সালটি আমার ঘোরাঘুরির জন্য খুব ভাল একটি বছর ছিল। সেপ্টেম্বরে ভুটান ঘুরে আসার পর পত্রিকায় একদিন সিংগাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিজ্ঞাপনে চোখ আটকে যায়। ওরা সিংগাপুর এবং ব্যাংকক এর জন্য একটি প্যাকেজ দিচ্ছে। আমি আর আমার এক সহকর্মী চিন্তা ভাবনা শুরু করলাম। প্ল্যান করলাম, রোজার ঈদের ছুটির সাথে আর কিছু দিন মিলিয়ে সিংগাপুর আর থাইল্যান্ডে একটা ট্যুর দিব। কিন্তু সব কিছু গোছাতে একটু দেরী হয়ে যাওয়াতে ঈদে আর যাওয়া হল না, ঈদের পরেই যাব বলে মনস্থ করলাম।

নভেম্বর মাসের ৩ তারিখ রাত, দুই সহকর্মী উড়াল দিলাম সিংগাপুরের উদ্দেশ্যে। ভোর বেলা পৌছে গেলাম। সিংগাপুরে আমাদের হাতে সময় মাত্র তিন দিন, প্রবেশ এবং বহির্গমনের দিন সহ। প্যাকেজে হোটেল ছিল, কিন্তু কোন ট্যুর প্যাকেজ ছিল না। এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার আগেই দেখি সিংগাপুর ট্যুরিজমেরই অফিসিয়াল ব্যবস্থাপনা আছে ট্যুর অপারেট করার জন্য। সময় যেহেতু কম, ১০০ ইউএস ডলার দিয়ে ওদের প্যাকেজই নিয়ে নিলাম।

বজ্র ড্রাগনের দেশে.. -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)

 
সময়টা ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর, ওই বছরটা আমার ঘোরাঘুরির জন্য বাম্পার ফলনের একটি বছর ছিল ! B-)B-) মার্চে মালয়শিয়া, মে মাসে শিলং, এরপর সেপ্টেম্বর মাসে ভুটান !! আসলে ব্যাচেলর জীবনের মজাটাই ছিল এটা, ঘোরাঘুরি ! :D এবারও আমার ভ্রমন সংগী আমার স্কুল বন্ধু হালিম, যারা আমার দার্জিলিং, সিকিমের কাহিনী পড়েছিলেন সেখানেও ওকে পেয়েছিলেন।

প্রথমেই ভুটান সম্পর্কে দু’একটি তথ্য জানিয়ে নেই। ভুটানিদের কাছে তাদের দেশের নাম
ড্রুকইউল যার অর্থ “"বজ্র ড্রাগনের দেশ” ! ড্রুক বা বজ্র ড্রাগন তাদের জাতীয় প্রতীক। এটা আসলে ভুটানের পৌরানিক কাহিনীর একটি অংশ এবং ভুটানের রাজাদের বলা হয় “ড্রুক গিয়ালপো” বা ড্রাগন রাজা

থাইল্যান্ডের গল্প -(মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম)

সুবর্ণভূমি বিমানবন্দর




 

আজকাল থাইল্যান্ড আমাদের অনেকের কাছেই ডাল ভাত হয়ে গেছে। আমরা অনেকেই এখন ছুটি বা চিকিৎসার কাজে থাইল্যান্ড চলে যাই। আমিও তেমন গিয়েছিলাম গত বছর আগস্টে আমার শ্বশুড় শ্বাশুড়ির সাথে আমার শ্বাশুড়ির চিকিৎসার কাজে।দেশটা সম্পর্কে প্রথমেই ইম্প্রেশনটা ভাল হয়ে যায় এয়ারপোর্ট থেকে ব্যাংকক যাওয়ার উড়াল পথটা দেখলে। মনে হয় আহা আমাদের দেশে এমন কবে হবে!!

ফ্লাইওভারটা প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ জুড়ে বিস্তৃত কিছু শাখা প্রশাখা সহ। এখানে ইউ টার্ণগুলো সব উপর দিয়ে উঠিয়ে দেয়া যা কিনা যানজটকে

প্রাচীন সভ্যতার লীলাভুমি মিশর : তুর পাহাড় - সুয়েজখাল - নীলনদ ঘুরে আসলাম


সবেমাত্র মিশরের দক্ষিণে সীমান্তবর্তী শহর আসওয়ান ও লুক্সুর সিটিতে ট্যুর শেষ করে কায়রো ফিরলাম ১১ ই মার্চ,২০১০ সকালবেলা। কায়রো থেকে উক্ত স্থানের দুরত্ব প্রায় ১২০০ কিলোমিটার। ফিরেই পরের দিন ১২ ই মার্চ ২০১০ যেতে হবে মিশরের পুর্বদিকে ঐতিহাসিক তুরে সিনাই পর্বতের উদ্দেশ্যে। এখানকার দুরত্ব কায়রো থেকে প্রায় ছয় শত কিলোমিটার। গাড়ী ছাড়বে ইশার নামাজের পর। তাড়াতাড়ি জামাতে ইশার নামাজ পড়ে গাড়িতে উঠার প্রস্তুতি নিলাম। গাড়ী ছাড়বে আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশীপ্রাপ্ত বিদেশী ছাত্রদের ছাত্রাবাস “ফরেন ইসলামিক স্টুডেন্ট সিটি” প্রাংগন থেকে। আমরা এখানেই থাকি। এদিনটি খুব ভালো লাগছিল। কারণ, আগে একবার তুরে সিনাইতে গেছি আফ্রিকার একটি দেশ নাইজারের ছাত্রদের সাথে। নতুন নতুন খুব বেশী মজা হয়নি। কিন্তু, আজ বাসভর্তি সবাই যাচ্ছি বাংলাদেশী ছাত্র। মজাটাই যেন আলাদা। বাসে যথারীতি আসন গ্রহণ করলাম। আমাদের সাথে স্বপরিবারে যোগ দিয়েছিলেন কায়রোস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসের অফিস সহকারী জাহাংগীর ভাই। 

যেখানে থাকি: আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় (মিশর)

ইংরেজীতে বলা হয় ইসলামিক স্টুডেন্ট সিটি আর আরবীতে বলে "মাদীনাতুল বুউস"। মিশরের রাজধানী কায়রো শহরের আব্বাসিয়ার নিকটস্থ এলাকায় এটা অবস্থিত। বিশ্বের আনাচে কানাচে থেকে ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা দেয়ার জন্য বৃত্তি দিয়ে নিয়ে আসা আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এখানে বসবাস করে। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মিলে প্রায় ১০৫ টি দেশের (দুই বছর আগের শোনা) বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রায় চার সহস্রাধিক ছাত্র এখানে বসবাস করছে। মরুভূমির

আসুন! দেখে নিই ত্বীন ও যায়তুন।

আমরা প্রায়ই সময় কুরআন তেলাওয়াত করি। সুরা আত- ত্বীনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন তীন ও যায়তুনের কথা। অনেকেরই ইচ্ছা ত্বীন ও যায়তুন ফল দেখার। ত্বীন দেখতে আমাদের দেশের ডুমুরের মতই তবে, ভিন্ন জাতের। আর যায়তুন আমাদের দেশের জলপাইয়ের মত সেটাও ভিন্ন জাতের জলপাই।

আসুন! দেখে নিই ত্বীন ও যায়তুন।

ত্বীন




























এবার যায়তুন















যায়তুন তেল




ইসমাইল একেবি  এরব্লগ থেকে কপি করা হয়েছে।

শুয়াইব (আঃ) এর গ্রাম "ঐতিহাসিক মাদইয়ান" ঘুরে এলাম (ছবি ব্লগ)

 
কয়েকদিন আগে ঐতিহাসিক মু'তা যুদ্ধের ময়দান ও আশেপাশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান দেখে আসলাম। তন্মধ্যে একটি স্থান ছিল মুসা (আঃ) এর শ্বশুর বাড়ী ও আল্লাহর নবী হযরত শুয়াইব (আঃ) এর বাসস্থান এলাকা "মাদইয়ান"।

আগের পোষ্টে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম যে, অচিরেই মাদইয়ানের ফটোব্লগ দেয়া হবে ইনশাল্লাহ। কিন্তু, দেব দেব মনে করে দেরীই করে ফেললাম।

মু'তা যুদ্ধের ময়দান এলাকা সফর করার সময় মুতা যুদ্ধ ময়দানের পাশেই একজন বাংলাদেশীর বাসায় অবস্থান করেছিলাম। সেখান থেকে মাদইয়ান হয়ত ১০ কিলোমিটারের দুরত্বে হবে। যুদ্ধ ময়দানের সন্নিকটে "মাদইয়ান" যাওয়ার জন্য রাস্তার পাশে দাড়ালাম গাড়ীর আশায়। গাড়ীর জন্য আমি ও হামিদ ভাই ওয়েট করছি। কিছুক্ষণ পর মু'তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ডিপার্টমেন্টের একজন ডক্টর ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমাদেরকে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকতে দেখে নিজের গাড়ী দাড় করালেন। জিজ্ঞাসা করলেন গন্তব্য কোথায়? আমরা বললাম আমরা মাদইয়ানে যাব। তিনি আমাদেরকে তার গাড়ীতে উঠিয়ে নিলেন। তার পিচ্চি মেয়ে "নুরা" কে পিছনে বসিয়ে নিয়ে নিজে ড্রাইভিং করছেন।

জর্ডান : মু'তা যুদ্ধক্ষেত্র দেখে এলাম (ফটোব্লগ)

 
জর্ডানে আসলাম ছয় মাস হয়ে গেল। বিভিন্ন কারণে শীঘ্রই জর্ডানের বিভিন্ন টুরিস্ট স্পটে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা ছিল না। কিছুদিন আগে আমার মসজিদের এক মুসল্লির কাছ থেকে আসহাবে কাহাফদের ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যাওয়ার জন্য দাওয়াত দিয়েছিলেন; কিন্তু, এখনও সেখানে যাওয়া হয়নি। যখন যেতে মন চায় তখন তাকে স্মরন করিয়ে দিলেই চলবে। যেতে দেরী হবে না ইনশাল্লাহ। সেখানে গেলে সেখানকার ব্যাপারে আলোচনা করা যাবে ইনশাল্লাহ। এখন আসি মুতা যুদ্ধক্ষেত্রের আলোচনায়।

কয়েকদিন আগে মনে শখ জাগল ঐতিহাসিক মুতা যুদ্ধক্ষেত্র দেখে আসার। যেই ভাবা সেই কাজ। ঐ এলাকায় অবস্থানকারী বাংলাদেশী হামিদ ভাইকে ফোন দিলাম। উনি বললেন: চলে আসেন; আমিও কয়েকদিন ফ্রি আছি।

ইমাম বুখারীর দেশে (ভ্রমণ কাহিনী)

কিছুদিন আগে ওলামায়ে কেরামের সাথে উযবেকিস্তানের সফর হয়েছে। কিছু বন্ধু সে সফরের কারগুযারী শোনানোর অনুরোধ করলেন। আমারও মনে হল যে, এ সফরে আল্লাহ তাআলা অনেক শিক্ষণীয় বিষয় দান করেছেন, যা আলোচনা করা আমাদের সবার জন্য ফায়েদাজনক হতে পারে। তাই এখন এ বিষয়ে কিছু আলোচনা করার ইচ্ছা করেছি।


http://www.ecoi.net/file_upload/470_1284544697_uzbekistan-rel94.jpg

উযবেকিস্তান দীর্ঘ দিন যাবৎ রাশিয়ার আগ্রাসনের শিকার ছিল। অল্প কিছু দিন পূর্বে তা স্বাধীন হয়েছে। সে সময় পরিস্থিতি এত কঠিন ছিল যে, কোনোদিন এই সব স্থান দেখার সুযোগ হবে তা ছিল কল্পনারও অতীত। অথচ এই ভূখণ্ডই একদিন ইসলাম ও ইসলামী উলূমের মারকায ছিল। আপনারা হয়তো বুখারা-সমরকন্দের নাম শুনেছেন। এই দুই বিখ্যাত শহরে মুসলিমজাহানের বহু নামজাদা মনীষী জন্মলাভ করেছেন। আপনারা ‘সিহাহ সিত্তা’র নাম শুনেছেন, যা হাদীস শরীফের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সংকলন। আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থগুলোকে এমন মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা দান করেছেন যে,

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম