বুদ্ধং সরনং গচ্ছামী (অহিংসা পরম ধর্ম)


সবাই লিখছে, এতো লেখার ফাকে হয়তো আমার লেখাটা আঙুল গলিয়ে পালিয়ে যাবে, কারো কারো। আমি অবাক বিস্ময় নিয়ে পৃথীবির দিকে তাকিয়ে থাকি, বিভিষিকাময় এ কোন সময় পার করছি আমরা? যখন আমারা নিজেদের জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নত এক জনগোষ্ঠি হিসেবে ঘোষনা করছি, তখনো চলছে আদিম বর্বরতা। আজো সিমান্তে মানুষ মরে, বিচার ভির্ভুত হত্যাকান্ডে মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ, আফগানে, ইরাকে পাকিস্তানে তালেবানরা মারে নিরিহ মুসলমানদের মারে আমেরিকান রাও, এরপরো হাজার টা দোষ মুলমান রা জংগি এরা জিহাদি, এরা টোরোরিষ্ট, অথচ আমেরিকানরা মারলে বিচ্ছিন্ন ঘটনা, এত বিচ্ছিনতার মাঝে আজকে মায়ানমারে ছিন্ন ভিন্ন হচ্ছে মানব সভ্যতা,

রোহিঙ্গা মুসলমানদের ইতিহাস এবং মিয়ানমারের আরাকানে মুসলিম নির্যাতন

 


রোঁয়াই, রোহিঙ্গা এবং রোসাঙ্গ শব্দগুলো পরিমার্জিত হয়ে বাঙালি কবিদের কাছে রোসাঙ্গ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের কাছে রোয়াং হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
রোয়াং কিংবা রোসাঙ্গ শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে বিশেষজ্ঞগণ নানা মত পোষণ করে থাকেন। কিছু ঐতিহাসিক মনে করে থাকেন, ‘আরাকানের পূর্বতন রাজধানী ম্রোহং শব্দটি বিকৃত হয়ে রোয়াং, রোহাংগ, রোসাংগ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। চট্টগ্রামীদের কাছে, এমনকি আরাকানের রোহিঙ্গাদের কাছে ম্রোহাং পাথুরী কিল্লা বলে পরিচিত।

১৪০৪ খ্রিস্টাব্দে নরমিখলা নামে আরাকানের জনৈক যুবরাজ মাত্র ২৪ বছর বয়সে পিতার সিংহাসনে আরোহণ করেন। রাজধানী ছিলো লেম্ব্রো নদীর তীরে লংগ্রেত। সিংহাসনে আরোহণ করেই নরমিখলা একজন দেশীয় সামন্তরাজার ভগ্নিকে অপহরণ করে রাজধানী লংগ্রেতে নিয়ে আসেন। ফলে আরাকানের সামন্তরাজাগণ একত্রিত হয়ে বার্মার রাজা মেঙশো আইকে আরাকান দখল করার জন্য অনুরোধ জানান। ১৪০৬ খ্রিস্টাব্দে বার্মার রাজা ত্রিশ হাজার সৈন্য নিয়ে আরাকান আক্রমণ করলে নরমিখলা পালিয়ে তদানিন্তন বাংলার রাজধানী গৌড়ে এসে আশ্রয় নেন। তখন ইলিয়াস শাহী রাজবংশ গৌড় থেকে বাংলা শাসন করতো।

জনশ্রুতি রয়েছে, নরমিখলা গৌড়ে এসে সুফী হযরত মুহম্মদ জাকির রহমতুল্লাহি আলাইহি নামক জনৈক বিখ্যাত কামিল ব্যক্তির দরবার শরীফ-এ আশ্রয় নেন।

বিশ্বব্যাপী বৌদ্ধদের দ্বারা মুসলিম নির্যাতন

http://a6.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc6/178950_10150841100532133_302832398_n.jpg
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অং-সান-সূচীর দেশ মিয়ানমার! হায়রে নিরীহ অহিংসার ধ্বজাধারী বৌদ্ধরা!! ইসলাম আর মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে সকল কাফির মুশরিক ই একই হিংস্র চেতনা লালন করে, তার প্রমান দিচ্ছে রাখাইন-মগ বৌদ্ধরা! জনাবা সূচী - এই দাঙ্গা বন্ধ করুন! আমার মুসলমান ভাই-মা-বোন আর নিষ্পাপ শিশুদের রক্তে আপনার মিয়ানমার ভিজে গেছে। বন্ধ করুন এই হত্যাযজ্ঞ!! আপনাদের বৌদ্ধদের অহিংসা নীতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা হিংস্রতার দাঁতাল ভয়াল রূপটি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়ে গেছে! - বাংলাদেশের মুসলিমগন! যে যেখানে আছেন, বার্মাবাসী রোহিঙ্গা মুসলিম ভাই-বোনদের পাশে দাড়ান! আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এবং ইন্টারনেটের প্রতিটি সেক্টরে মিয়ানমারে মুসলিম হত্যাযজ্ঞের ঘটনাগুলো তুলে ধরুন!

আসাম ম্যাসাকারঃ ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী ৬ ঘন্টায় ৫০০০ বাংলাদেশী হত্যা !!

An Untold Shame শিরোনামে 3,300 people were massacred in Assam but no one is punished এ ভাবেই ভুমিকা শুরু হয়ছে টেহেলকা ডট কম আসামের নিলায় ম্যচাকারের এক রিপোর্ট।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আসামের ব্রমপুত্র নদের অববাহিকায় বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের এক জনপথ গড়ে উঠে। এ অভিবাসী নতুন না। দেশ বিভাগের আগে এ উপমহাদেশে এটা হয়ে এসেছে বারবার। কখনো বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়ায়, কখনো ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে বা পাকিস্তান থেকে ইন্ডিয়াতে অথবা ইন্ডিয়া থেকে পাকিস্তানে অভিবাসি হয়ে এসেছেন অনেকজন।ভারতের জ্যোতি বসু, সুচিত্রা সেন, সমরেশ মজুমদার, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশারফ, বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ মাইগ্রেট করে আসার অন্যতম উদাহরণ। সেই একই ধারাবাহিকতার ব্রমপুত্র নদের অববাহিকায় আবাস গড়ে উঠে কয়েক হাজার বাংলাদেশীর। যারা আসামে অনেকদিন ধরেই বসবাস করে আসছিলেন।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম