গোলাম আযম রচনাবলী

জন্ম আমার ঢকা শহরে হলেও আমার বাল্যকাল গ্রামেই কেটেছে। ১৯২২ সালের ৭ নভেম্বর ঢাকা শহরে লক্ষীবাজার এলাকায় 'মিয়া সাহেবের ময়দান' নামে পরিচিত এক ঐতিহ্যবাহী পীর বাড়িতে আমার জন্ম হয়। এটা আমার নানার বাড়ি। আমি আমার পিতামাতার প্রথম সন্তান। প্রাচীন রীতি অনুযায়ী প্রথম সন্তান মায়ের পিতার বাড়িতে জন্ম নেয়। একারনেই আমার আসল বাড়ি গ্রামে হলেও শহরেই জন্ম হয়। আম্মা প্রতিবছরই এক থেকে দেড়মাস পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসতেন। এ সুযোগে বাল্যকালেই গ্রাম ও শহরের সাথে আমার পরিচয় হয়।

ক্লাস সিক্স পর্যন্ত আমার লেখাপড়া গ্রামেই হয়। প্রথম ক্লাস থ্রি পর্যন্ত গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার পর আরবী শিক্ষার প্রয়োজনে আমাদের গ্রাম থেকে ৫ কিলোমিটার দূর বড়াইল জুনিয়র মাদরাসায় আবার ক্লাস থ্রিতে ভর্তি হই এবং সেখানে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়ি। এ সময়টুকুকে আমি বাল্যকাল হিসেবে গন্য করি। এভাবে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত গ্রামের পরিবেশেই বেড়ে উঠি। প্রথম ক' বছরের কথা মনে থাকাত সম্ভব নয়। তবে যখন থেকে আমার স্মৃতিতে বিভিন্ন ঘটনা সঞ্চিত আছে তা থেকে আমি শহর ও গ্রামের পার্থক্যটা তুলে ধরতে পারি। -(গোলাম আজম)

আল্লাহর খিলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি

আল্লাহর একচ্ছত্র রাজত্ব

সৃষ্টি জগতে মানুষের মর্যাদা
আল্লাহ তাআলা বিশাল সৃষ্টি জগতে যত প্রাণী সৃষ্টি করেছেন এর মধ্যে মানুষ, জিন ও ফেরেশতাকেই শুধু ভাল ও মন্দের বিচার-বিবেচনার যোগ্যতা দান করেছেন। এর মধ্যে ফেরেশতাকে মন্দ কাজ করার এখতিয়ার দেননি। তাদেরকে আল্লাহর হুকুম পালনের দায়িত্ব দিয়েছেন; হুকুম অমান্য করার কোন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তাই ফেরেশতারা তাদের কাজের পুরস্কার পাওয়ার অধিকারীও নয়, শাস্তি পাওয়ার যোগ্যও নয়।
পুরস্কার ও তিরস্কার শুধু মানুষ ও জিন জাতির জন্য। এ দু‌’প্রকার প্রাণীকেই শুধু ভাল ও মন্দ উভয় রকম কাজ করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। মন্দ কাজের ক্ষমতা থাকা সত্তেও মন্দ না করে ভাল কাজ করার কারণে তারা পুরস্কার পাওয়ার অধিকারী। তেমনি ভাল কাজ করার ক্ষমতা থাকা সত্তেও মন্দ কাজ করার কারণে তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।
মানুষ এবং জিনের মধ্যে একটি বিরাট বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষের উপর পৃথিবীতে আল্লাহর খিলাফত কায়েমের দায়িত্ব দিয়েছেন। জিন জাতিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। নবী-রাসূলগণকে খিলাফত কায়েমের দায়িত্ব দিয়েই পাঠানো হয়েছে। জিন জাতির মধ্যে কোন নবী-রাসূল পাঠানো হয়নি। এতে প্রমাণিত হয় যে, মানুষই সৃষ্টির সেরা—আশরাফুল মাখলূকাত।

পলাশী থেকে বাংলাদেশ

* উপমহাদেশে ইংরেজ রাজত্ব * বাংলাদেশে ইংরেজ রাজত্ব * স্বাধীনতা আন্দোলন * পাকিস্তান আন্দোলন ও ইসলাম * আইয়ুব খানের যুগ * মুসলিম জাতীয়তা পরিত্যাগের রাজনৈতিক পরিণাম * ইয়াহইয়া খানের সামরিক শাসন * নির্বাচনের পর * এরপর যা ঘটল * স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলন * ভারতের ভূমিকা * ভারত বিরোধীদের পেরেশানী * স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলনের পটভূমি * সরকারের ভ্রান্ত নীতি * রাষ্ট্র ভাষার প্রশ্নে * গণতন্ত্রের প্রশ্নে * অর্থনৈতিক ময়দানে * ভুট্টো-ইয়াহইয়া ষড়যন্ত্র * বাংলাদেশ আন্দোলনে ইসলামপন্থীদের সংকট * ভারত বিরোধী ও ইসলামপন্থীদের ভূমিকা * জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ভূমিকা * পূর্ব বাংলার উন্নয়ন কেন সার্বিক উন্নয়ন হলো না * নি:স্বার্থ নেতৃত্বের অভাব * যারা বাংলাদেশ আন্দোলনে শরীক হয়নি * রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও স্বাধীনতা বিরোধী হওয়া এক কথা নয় * শেরে বাংলার উদাহরণ * শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদাহরণ * এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার রক্ষক কারা?

 










কুরআন বুঝা সহজ

কুরআন পাক মানব জাতির সঠিক হেদায়াতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে। তাই এর নাম কিতাবুল্লাহ বা আল্লাহর কিতাব। এ কিতাব শেষ নবী ও শ্রেষ্ঠতম রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের
কাছে ওহী যোগে নাযিল করা হয়েছে। এ কিতাব শুদ্ধভাবে পড়ে শুনানো এবং এর সঠিক অর্থ বুঝিয়ে দেয়ার দায়িত্বও রাসূলের উপরই দেয়া হয়েছিল।

আল্লাহ তায়ালা এ কিতাব রচয়িতা এবং রাসূল (সাঃ)- এর ব্যাখ্যাদাতা। মানব জাতির পার্থিব শান্তি ও পরকালীন মুক্তি এ কিতাবের শিক্ষার উপরই নির্ভরশীল। তাই এ কিতাব সব মানুষের পক্ষেই পারা সম্ভব। অবশ্য সবাই এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করার যোগ্য না-ও হতে পারে। আল্লাহ পাক কুরআন সম্পর্কে বলেছেন,

"এটা মানুষের জন্য এক বিবৃতি এবং মুত্তাকিদের জন্য হেদায়াত ও উপদেশ।"- আল ইমরানঃ ১৩৮

অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যু: ডকুমেন্টস আর্কাইভ




দেশে বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় অধ্যাপক গোলাম আযমের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রচারিত হয় বিভিন্ন খবর। নেতার্দের বিভিন্ন বক্তব্য। আর এই সব নিয়েই এই পোস্ট।

ইশার নামাযের পর বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ, ডাকসুর সাবেক জি এস, ভাষা সৈনিক, সাবেক আমীরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আযম স্যারের গায়েবানা জানাজা পবিত্র মসজিদে নববীতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার হাজী, ওলামায়ে কেরাম, জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি সহ বিশ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে পর পর তিনটি জামাতে সম্পন্ন হয়

জাতির উদ্দেশে অধ্যাপক গোলাম আযমের দেয়া বক্তব্য

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, ভাষা আন্দোলনের নেতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপকার অধ্যাপক গোলাম আযম গত ১১ জানুয়ারি ২০১২ আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করছি যে এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা। নিরপেক্ষ বিচার হলে এগুলোর একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না। আমি জেল, জুলুম, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। তিনি বলেন, হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই বিচারের নামে এ প্রহসন চলছে। এ মামলার বাদী বর্তমান সরকার। আসামীদের অপরাধের তদন্ত করার জন্য যে সংস্থা, তা এ সরকারই তাদের নিজেদের লোকদের সমন্বয়ে গঠন করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যে সেক্যুলার সরকার কায়েম হয়েছে, তারা আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের চরম বিরোধী। তাই তারা বাংলাদেশে ইসলামী রাজনী

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম