গোয়েন্দাসংগঠন মোসাদ এবং বাংলাদেশ বনাম ইসরাইল তত্ব

http://www.kalerkantho.com/admin/news_images/794/image_794_229676.jpg 
ইসরাইলী গোয়েন্দাসংস্হা মোসাদের নামতো কমবেশী সবাই শুনেছেন।শোনাই বা যাবেনা কেন?মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠদেশের নাগরিকমাত্রই মোসাদের নামটি একবার হলেও শুনেছেন।পুরো শতাব্দীর সব ঘটনাবলী পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রণকারী ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার ঘটনার পরপরই মূলত বিশ্বব্যাপী মোসাদের ব্যাপারসেপারে সচেতন হতে থাকে মানুষ।সৌদীআরব,বাহরাইন,কুয়েত,কাতার,লেবাননের মত আরব দেশগুলোকে যেমন হাতে রাখে ইসরাইলী এই গোয়েন্দাসংস্হা তেমনি অন্যান্য আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রে যেমন ইরান,ইরাক,পাকিস্তান এবং কমিউনিস্ট চীনের সাথেও রয়েছে এই সংস্হার চরম প্রতিদ্বন্দিতা।মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে ইহুদী,ইসরাইল,মোসাদ এই নামগুলো এমন আতংক,শংকা,ভয়,ঘৃণা,উদ্দীপনা,চমকের সাথে নেওয়া হয় যে যারা এমনকি বিশ্বরাজনীতির খবরও রাখেন না তারাও এইশব্দগুলো শুনতে শুনতে কানে ব্যাথা অনুভব করে থাকেন।অনেকেই সন্দেহপোষণ করে থাকেন বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের ট্যারোরিষ্ট ট্যাগ

আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস রহস্য

http://www.wearechange.ie/wp-content/uploads/2010/10/911TwinTowers.jpg
Loose Change নামে আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের উপরে একটি প্রামান্য চিত্র দেখেছিলাম জাপানে থাকতে। এটা গুগল ভিডিওতে আছে; শেষ সংকলনটা প্রায় ১২৯ মিনিট লম্বা। এই প্রামান্য চিত্রতে ৯/১১ তে আমেরিকায় তথাকথিত সন্ত্রাসী হামলার তাৎক্ষনিক টেলিভিশন রিপোর্টগুলোর সাথে আছে কিছু যৌক্তিক বিশ্লেষণ। এতে বেরিয়ে আসছে যে বুশ প্রশাসনের দেয়া ব্যাখ্যা মনগড়া। দুই টাওয়ার ধ্বসে পড়ায় জেট ফুয়েলের কোন ভূমিকা নেই। ওগুলো আগে থেকে পেতে রাখা বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে প্রশাসনের লোকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। ইন্টারনেটের মত একটা মাধ্যম না থাকলে এই ঘটনাটা অতি সহজেই ধামাচাপা দিয়ে ফেলতো সংশ্লিষ্টরা।
এটাকে কনস্পিরেসি থিওরীও বলে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এটা বানানোর সাথে জড়িতদেরকে বিভিন্ন ভাবে নাকাল করা হচ্ছে। মুক্তচিন্তার দেশ আমেরিকার (!) প্রচারমাধ্যমে এটা কখনও প্রচার হয়নি। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার দুটি টিভি চ্যানেল এই রকম আরেকটি ভিডিও প্রচার করে যেটার নাম: 911 in plane site। এই ডিভিডিটি ঢাকার বাজারে পাওয়া যায়। এটা প্রচার করে ঐ চ্যানেলের দায়ি

সাইমুম ০২ : অপারেশন তেলআবিব ২

কায়রো। হোটেল নাইল। হোটেলের কফিখানা। কফিখানায় প্রবেশ করল আবদুল্লাহ জাবের। সাইমুমের কায়রো অপারেশন স্কোয়াডের প্রধান ইনি।
ডাউনলোড
তখন সন্ধ্যা সাতটা। কফিখানা ভর্তি। সামনের একটি টেবিলে একটি সিট খালি দেখতে পেল জাবের। টেবিলের ওপাশে আর একজন লোক বসা। পরণে নীল স্যুট। শ্যাওলা রং-এর টাই। আরবীয় ধরনের লম্বাটে রোদপোড়া মুখ। কিন্ত তার ঘোলাটে লাল চোখ আর চেপ্টা নাক খুব স্বাভাবিক নয়। জাবের গিয়ে বলল, “বসতে পারি আপনার টেবিলে?”


ইহুদি সম্প্রদায় : অত্যাচারিত থেকে অত্যাচারী : বর্তমান পৃথিবীর শাসক ও সুপারপাওয়ার

ইহুদি সম্প্রদায় বা জুইশ কমিউনিটির ইতিহাস প্রায় ৩০০০ হাজার বছরের পুরনো। পৃথিবীর ইতিহাস টেনে আনলে দেখা যায়, ইহুদিরা হলো সবচেয়ে অত্যাচারিত সম্প্রদায়, যাদের উপর শুধু বছরের পর বছর, শতশত বছর ধরে অত্যাচার করা হয়েছে। একটি নির্যাতিত ও অত্যাচারিত সম্প্রদায় কিভাবে নিজেরাই অত্যাচারী হয়ে উঠল সে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিন হাজার বছর আগে ইহুদি সম্প্রদায়ের যাত্রা শুরু হয়। ইহুদীধর্ম পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীনতম ধর্ম যা এখনো অনেক মানুষ পালন করছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরেলিদের আদি নিবাস ছিল। তবে তারা এখন যে জায়গা চিহ্নিত করছে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। আল্লার নবী মুসা (আঃ) বা মোজেস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই সম্প্রদায়ের সবচেয়ে সুন্দর সময় গিয়েছে খৃষ্টপূর্ব এক হাজার বছর আগে (হজরত) সম্রাট দাওদ (আঃ) বা ডেভিডের সময়। দাবি করা হয় বর্তমান সময়ের লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান ও মিশরের বড় অংশই ছিল তখনকার কিংডম অব ইসরেলের অংশ। ডেভিডের ছেলে (হজরত) সলোমন বা সোলাইমান (আঃ)

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম