‘‘আমার কাছে মনে হয় আমার বাবা মরে নাই। সে সবসময় বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় এখনো বলে, যাচ্ছি মা। আবার ফিরে এসে বলে, কী করছ মা। আমার চারপাশে ঘুরাঘুরি করে। মনে হয় এই বুঝি আসছে, আবার চলে যাচ্ছে। আর আমি বলছি, সাবধানে যাস বাবা।’’
বলছিলেন শহীদ আসাদুল্লাহ তুহিনের মা কমেলা বেগম। পুত্র হারানোর শোকে কাতর এই মা কাঁদতে কাঁদতে চোখের পানি শুকিয়ে ফেলেছেন। তবে এখনো তিনি বুঝতে পারেননি কেন তার সন্তানকে র্যাব তার চোখের সামনে থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করেছে ।
গত ১৯মার্চ সকাল ৯টায় বাসা থেকে বের হলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে। সাথে ছিলেন রাশেদুল হাসান ভাই। কয়েক দফা বাস পরিবর্তন করে পৌছতে প্রায় সন্ধ্যা ছয়টা। পৌঁছে প্রিয় ভাই গোলাম মোস্তফা, তহুরুল ইসলাম সোহেলসহ পরিকল্পনা করি পরের দিনের শিডিউল নিয়ে- সকালে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া, পরবর্তীতে শহীদ আসাদুল্লাহ তুহিনের কবর জেয়ারত, এরপরে অন্যান্য।




