প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও গাণিতিক বিষয় সম্পর্কিত ব্লগ সঙ্কলণ


তালিকা

কুরআনে বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক ইঙ্গিতসমূহ

(ডাউনলো) → "আমি আমার বন্দার প্রতি যাহা অবতীর্ন করেছি, তাহাতে তোমাদের বিন্দুমাত্র কোন সন্দেহ থাকলে, তোমরা ইহার অনুরুপ কোন সূরা আনয়ন কর। এবং তোমরা যদি সত্যবাদি হও তাহলে আল্লাহ ব্যাতিত তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে নিয়ে আস। যদি আনয়ন না কর তবে সেই আগুনকে ভয় কর কাফিরদের জন্য যাহা প্রস্তুত করিয়া রাখা হয়েছে। (সূরা বাকারা:২৩, ২৪)।

এটা এমন এক বিষ্ময়কর কথা, যা মানব ইতিহাসে কোন গ্রন্থকারই নিজের বইয়ের পক্ষে দাবি করেন নি এবং জ্ঞানবুদ্ধি থাকা অবস্থায় কোন মানুষই এমন সাহস করতে পারবেন না যে, সে কোরআনের মত একটা বই লিখে ফেলেছে।


THE BLACK-WEB: মায়াজালেঘেরা ইন্টারনেটের রহস্যময় অন্ধকারজগত

হলিউডি ছবির ওই দৃশ্যের কথা মনে আছে যেখানে গডফাদার তার পোষা খুনীর সাথে কখনো মখোমুখি সাক্ষাত না করে এক অতি গোপন নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে হুকুম দিয়ে যান, অথবা কি মনে পড়ে আঞ্জেলিনা জুলি অভিনীত ‘Hacker’ ছবিটির কথা যেখানে অপরাধীরা এক নাম না জানা নেটওয়ার্কের ভেতর নানা অপরাধ করত---যেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নাক গলাতে পারত না?

আপাতদৃষ্টিতে রূপালী পর্দার এসব সাইফাই মুভিগুলোকে শুধুই কেচ্ছা মনে হলেও এইসব মুভির অজানা নেটওয়ার্কের মতই আমাদের অতিচেনা ইন্টারনেটের আছে এক অন্ধকারজগত...

তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাথে প্রসার পেয়েছে ইন্টারনেট, আর তা আজ মহাসমুদ্রের ন্যায় বিশাল এক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এর সাথে তাল মিলিয়ে সক্ষমতা বেড়েছে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর। বিশেষ করে Google এর নাম বলতেই হবে, যা এখন বিশ্বব্যাপী অন্যতম এক বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণিত হয়েছে। একটি নেট সেশনের কথা কি আমরা চিন্তা করতে পারি গুগলকে ছাড়া? অসম্ভব!

কিন্তু এই Google এর সক্ষমতা কতটুকু?


উদীচীজ্যোতির কথা (অরোরা বোরিয়ালিস)

ল্যাটিন ভাষায় একে বলে অরোরা বোরিয়ালিস (উত্তরের আলো)। এটা একটা অনন্যসুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য। চৌম্বক উত্তর মেরুর একদম কাছে আকাশে এই আলো দেখতে পাওয়া যায়। বায়ুমণ্ডলে আহিত (চার্জড) কণিকাসমূহের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে ঐ দৃষ্টিনন্দন জ্যোতির উদ্ভব হয়। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার জন্যে ঐসব অঞ্চলে অল্প কিছু এস্কিমো (ইনুইট), ল্যাপ (সামি) গোত্রের মানুষ ছাড়া আর কেউ স্থায়ীভাবে বাস করেনা। আল্লাহর সুন্দর সৃষ্টি এই অদ্ভূত নয়নমনোহর আলো তাই পৃথিবীর বেশীর ভাগ মানুষ নিজের চোখে দেখার সুযোগ পায়না। উদীচীজ্যোতির মতো অবাচীজ্যোতিও দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু এই অরোরা অস্ট্রালিস দেখতে হলে এনটার্কটিকা যেতে হবে। দেখুন উত্তর আর দক্ষিণের আলোর কিছু ছবি আর দু'টো সুন্দর ভিডিও। সূত্রঃ উইকিপেডিয়া ও ইউটিউব। 

ভালোবাসার জৈবিক বিজ্ঞান ► হস্তকর্ম (নিজ হাতে করা ভুল)

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/jitudhkbd_1342177745_5-ima2.jpg
masturbation নিয়ে কোন দিন লিখব ভাবি নাই। আমার হিসাবে masturbation এর সাথে ভালোবাসার কোন সম্পর্ক নাই, যদিয় mutual masturbation এর থাকতে পারে। বিজ্ঞানের হিসাবেও এই দুই এর পার্থক্য আকাশ আর পাতাল।

আমাদের স্নায়ু তন্ত্রের একটা খুবই গুরুত্ত পুর্ণ অংশ হল autonomic nervous system(ANS). এই অংশটা হল আমাদের স্নায়ু তন্ত্রের সেই অংশ যেখানে আমাদের ইচ্ছার কোন গুরুত্ত নাই। যেমন আমরা দৌড়ালে আমাদের হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পায় আবার ঘুমিয়ে থাকলে হৃদস্পন্দন কমে যায়। এটা ANS এর কাজ। এখানে আমাদের কিছুই করবার নাই। পুরা শরিরে ANS এর কাজের লিখতে গেলে কয়েক শত মেগাবাইট লেগে যেতে পারে, তাই অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা বাদ। যাই হক আজকের মূল প্রসংগটা ANS নয়। কিন্তু তবুয় এসম্পর্কে কিছু বলতে হবে।

মধু ও কালোজিরা বিষয়ক

মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পথ্য ও ঔষধ।জন্মের পর নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন । প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে,মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্যচর্চাসহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।

আল কোরআনে আছে- আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন: পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর,এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াত)

কৃত্তিম ভূমিকম্প ও সুনামী তৈরীর প্রযুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া গবেষণার প্রকল্প হার্প (HAARP) নিয়ে পশ্চিমা বিজ্ঞানীরা কেউ কেউ ভীষণ উদ্বিগ্ন। তারা মনে করেন ওই প্রকল্প থেকে যুক্তরাষ্ট্র এমন অস্ত্র তৈরি করেছে যা দিয়ে তারা আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর দ্বারা কৃত্রিমভাবে সুনামি ও ভূমিকম্প সৃষ্টিও সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ক্যাটরিনা ঝড় আঘাত হানার পর প্রথম অভিযোগ ওঠে এটি ছিল হার্পের ভুল পরীক্ষার ফল। এরপর পাকিস্তানে বন্যা, হাইতিতে ভূমিকম্প এবং সাম্প্রতিক জাপান বিপর্যয়ের জন্যও দায়ী করা হচ্ছে হার্প প্রকল্পকে। অনেকেই বলে থাকে যে, হার্প একটি অগুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম। কিন্তু সমালোচকেরা এক্ষেত্রে হার্পের বাজেটকে পুঁজি করেন। তারা মনে করেন, ২৩০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিশ্চয়ই ছেলেখেলা করছে না। কি এই হার্প? কিভাবে তা কাজ করে?

http://www.bibliotecapleyades.net/imagenes_haarp/haarp26_30.gif

অসময়ে হাচি দেয়া বা হাই তোলা আটকাবেন কিভাবে?

হাচিদেয়া এবং হাইতোলা খুবই স্বাভাবিক দুইটা ব্যাপার হওয়া সত্তেয় অনেক সময়ই আমাদের কাছে এই ব্যাপার গুলো অনাকাংক্ষিত। যেমন ধরেন অফিসে বস কোন জরুরি ব্যাপারে মিটিং ডাকল, আর আপনি মিটিং এর মধেই, তার সমানে একটার পড় একটা হাইতোলা শুরু করলেন, এই দিকে দুই-এক সপ্তাহের মধ্যেই হয়ত আবার ACR । কেমন লাগে ভাই এই রকম পরিস্থিতিতে পড়লে?? বা ধরেন কোন প্রজেক্টে ভালো কাজ করার জন্য পুরষ্কার স্বরুপ, অফিসিয়াল ডিনারে, আপনার স্থান হইল চ্যেয়ারম্যান সাহেবের পাশের সিটে, আর আপনি শুরু করলেন USA এর cluster bomb গুলার মত একটার পড় একটা হাচি!!!!!!!!!??


হাচি কি?


হাচি হল আমাদের respiratory tract (শ্বাস যন্ত্রের)এর অনেক গুলো প্রতিরক্ষা কবচের একটি। আমাদের শরিরের জন্য অনাকাংক্ষিত কোন বস্তু কনা বা জৈব কনা, যখন আমাদের শ্বাস যন্ত্রের উপরিভাগে ডুকে পড়ে, তখন তা বের করে দেবার জন্য, আমাদের শ্বাসযন্ত্র খুবি স্বমন্নিত প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমানে বাতাস ফুসফুসে ঢুকিয়ে তা প্রবল বেগে বের করে দেয়, যেন এই প্রবল বেগে বাতাস বেরিয়ে যাবার সময় ঐ অনাকাংক্ষিত কনাটি সহ বারিয়ে যায়।

মারিয়ানা ট্রেঞ্চ - সমুদ্রের গভীরতম স্থান!

http://media.somewhereinblog.net/images/nilpagol_1344067604_1-MarianaMap_88058_89661.jpg

খাদটি প্রায় ২ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার (১
হাজার ৫৮০ মাইল) দীর্ঘ।
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ । হিমালয় যদি পৃথিবীর শীর্ষতম বিন্দু হয় তবে সর্বনিম্ন বিন্দু এই মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে মারিয়ানা ট্রেঞ্চই পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম প্রদেশ । মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের পূবদিকে জাপানের কাছে ১১”২১’ উত্তর অক্ষাংশ আর ১৪২”১২’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এটি শুয়ে আছে ২৫৫০ কিলোমিটার (১৫৮০ মাইল) লম্বা আর মাত্র ৬৯ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) প্রশস্ত জায়গা জুড়ে । গভীরতা তার ১১.০৩ কিলোমিটার । অর্থাৎ আস্ত একটি হিমালয় পর্বত ( উচ্চতা ৮.৮৪ কিলোমিটার ) এই ট্রেঞ্চে ঢুকে যাবে নির্বিধায় তারপরেও ২.১৯ কিলোমিটার অথৈ জল খেলা করবে হিমালয়ের মাথার উপর দিয়ে ।

যাদুর বর্গ


ব্যাপারটা মাথায় ঢুকেছিলো একেবারে ছেলেবেলায়-কার কাছ থেকে যেন একটা শিখেছিলাম !

একটা ছকে সাজানো কিছু অঙ্ক; যোগ করলে সবদিকে ১৫ হয় ।

মুখস্ত করে ফেলেছিলাম, নিয়মটা জানার সুযোগ না থাকায়..এতদিনে শিখে ফেলেছি কিভাবে ম্যাজিক স্কোয়ার বানাতে হয়।

ম্যাজিক স্কয়ার বানানোর নিয়মঃ

১. বিজোড় ম্যাজিক স্কয়ার বানাবার মূল সূত্রটা হলো , যেকোন সংখ্যার পরবর্তী সংখ্যাটা তার ঠিক (ডানদিকে+কোনাকুনি উপরে)-র ছকে বসাতে হবে ।


মজার এই ম্যাজিক শিখতে চাইলে আসুন...

ক. বিজোড় সংখ্যক (৩*৩ বা ৫*৫...) ছকওয়ালা একটা বর্গ আকতে হবে..


খ. প্রথম সংখ্যাটা (১) সবচেয়ে উপরের সারির(row) ঠিক মাঝখানের ছকে বসবে..

গ. সূত্র অনুযায়ী এর পরের সংখ্যাটা (২) হবার কথা যেখানে, সেখানে কোন ছক নাই ।(ডান+উপরের ছকে) এক্ষেত্রে পরবর্তী সংখ্যাটা ঐ সূত্রের ছক যে কলামের উপরে অবস্থিত সেই কলামের সবচাইতে নিচের ছকে বসবে । **সূত্রের ছক=প্রাথমিক নিয়মানুযায়ী যেখানে পরবর্তীঅঙ্কটি বসার কথা..

ঘ. এবার সাধারন নিয়ম, কোনাকুনি ডান+উপরে উঠে যাওয়া, এবং একের পর এক সংখ্যা (অঙ্ক) বসানো..

ঙ. ছক শেষ হয়ে গেলে আবার গ. এর মত । এবার যেতে হবে ওই সারিটার(row) সর্ববামের ছকে । (৩ এর পরে ৪)


চ. সুত্রের ছকে আগেই কোন সংখ্যা দেয়া হয়ে থাকলে লাষ্ট ফিলাপ ছকের জাষ্ট নীচের ছকে যেতে হবে, নিচের চিত্রে, ৫ এর পরে ৬ যেখানে হবার কথা সেখানে আগেই ১ বসে গেছে, তাই ৬ , ৫ এর নিচে চলে এসেছে..

ছ. এভাবে একসময় ১ টা কর্ণ(ডায়াগনাল) সেটাপ হয়ে যাবে (চিত্রে ১৫ পর্যন্ত)। পরবর্তী সংখ্যাটি সর্বশেষ ফিলাপ ছকের জাষ্ট নিচের ছকে (অর্থাৎ ১৫ এর পরে ১৬ বসবে ১৫ এর নিচের ছকটায়)...


জ. বাকিটুকু আগের মত ।



সবধরনের ম্যাজিক স্কয়ার-ই , যে কোন সংখ্যা দিয়ে শুরু করা যায় । তবে প্রতিটি ক্রমিক সংখ্যার পার্থক্য সমান হতে হবে । নিচের স্কয়ারটি ২ থেকে শুরু হয়েছে এবং ২, ২+৩=৫, ৫+৩=৮... এভাবে এগিয়েছে ..



২. জোড় ম্যাজিক স্কয়ার এর জন্য ২ টা পদ্ধতি । একটা ৪ এর গুনিতক সংখ্যক ছকের জন্য(৪*৪, ৮*৮, ১২*১২...), আরেকটা ৪ এর গুনিতক বাদে অন্য জোড় সংখ্যাগুলির জন্য (৬*৬,১০*১০,১৪*১৪)...

২.ক. ৪ এর গুনিতক ম্যাজিক স্কয়ার... 
 
মূল সূত্রটা হলো, ৪ এর যত গুনিতকই হোক না কেন, ৪*৪ এর মত মনে করে নিতে হবে.. এবং যেকোন এক কোনার ছক (যেমন, বাম+উপর অথবা ডান+নিচ) এ প্রথম অঙ্ক/সংখ্যাটি বসিয়ে সারি বরাবর এগিয়ে যেতে হবে (আগেরবার কোনাকুনি এগিয়েছি) এবং প্রথম ধাপে, অঙ্কগুলি বসাতে হবে কেবলমাত্র বর্গের কর্ণ বরাবর অবস্থিত ছকগুলোতে...



ক. উদাহরনস্বরূপ ৮*৮ একটা ছক বানানো হল..

খ. (বাম+উপর) এর ছক থেকে ২*২ করে প্রতি ৪ টা ছককে চিহ্নিত করা হলো । উদ্দেশ্য হলো , একটা ইমাজিনারী ডায়াগনাল তৈরী করা ...

গ. (বাম+উপর) এই ছকে প্রথম সংখ্যাটা বসাই...

ঘ. এবার প্রতিটা সারির বাম থেকে ডানে যেতে যেতে ডায়াগনালের ছকগুলো পুরন করতে থাকি.. সারির শেষে পৌছে গেলে আবার নীচের সারির সর্ববামের ছকে আসতে হবে..


ঙ. এভাবে সর্বশেষ ছক পুরন হবার পরে সম্পূর্ন বিপরীত থেকে শুরু করতে হবে আবার । অর্থাত (সবচেয়ে নিচ + ডান) এই ছকে প্রথম সংখ্যাটা (১) ধরে নিয়ে প্রতিটা সারির ডান থেকে বামে এগিয়ে যেতে যেতে ফাকা ছকগুলি (ডায়গনাল বরাবর ছকগুলি প্রথমবার পুরণ করা হয়েছে, এবার বাকিগুলো..) পুরন করতে হবে..

কম্বাইন করার পর ৮*৮ ম্যাজিক স্কয়ার


একটা ৪*৪ ম্যাজিক স্কয়ার



২.খ. ৪ এর গুনিতক বাদে অন্য জোড় সংখ্যাগুলির জন্য (৬*৬,১০*১০,১৪*১৪)..

এইটায় ঝামেলা একটু বেশি...পরে পোষ্ট এডিট করে আপডেট করবো... (হয়তো ;))

* আরো কিছু ম্যাজিকাল জ্যামিতিক ফিগার রয়েছে..

ম্যাজিক হেক্সাগন



এছাড়া মাল্টিপ্লাই ম্যাজিক স্কয়ার (এটাতে যোগের পরিবর্তে প্রতিটি কলাম, রো বা ডায়াগনালের অঙ্কগুলোকে গুন করলে সমান/একই ফলাফল পাওয়া যায়


একই সাথে যোগ+গুন এর ফল একই হবে, এমন ম্যাজিক স্কয়ার ও রয়েছে..
ম্যাজিক কিউব...ম্যাজিক সার্কেল..এরকম অনেক ধরনের ফিগার আছে ।

গনিতের এই ম্যাজিক্যাল দুনিয়াটা অদ্ভূত সুন্দর, শিখে ফেলতে পারলে মজা পাবেন যে কেউ, সন্দেহ নেই...:)

লিখেছেন : বিবেক সত্যি

সময় নিয়ে বিজ্ঞানের চিন্তা(ঘাপলা...)



সেই দিন Juls verne এর “Around the world in 80 days” উপন্যশের কাহিনি নিয়ে বানানো একটা Hollywood comedy দেখছিলাম, মুভিটা দেইখা হাসতে হাসতে মেজাজটা খারাপ হয়া গেল। এত সুন্দর একটা science fiction, এর এই রূপ বিকৃত রুপান্তর ভালো লাগতে ছিলোনা। যাই হোক T.V. টা বন্ধ করার পর একটা লাভ হইল, পুরাতন একটা চিন্তা আবার মাথার ভিতর মাথাচারা দিলো……………………………

Around the world in 80 days এর শেষ দিকেই এর মজাটা, যারা বইটা পড়সেন অথবা ফালতু মুভিটা দেখসেন, তারা সবাই তা জানেন।

আমার চিন্তার শুরুটা এখান থেকেই,

“ফিলিয়াস ফগ” শেষ পর্যন্ত বাজিটা জিতলো শুধু এই কারনেই যে উনি লন্ডন থেকে ভ্রমন শুরু করে, পশ্চীম থেকে পুর্ব দিকে ভ্রমন করার কারনে, ৮১ বার সুর্যদয় এবং ৮০ বার সুর্যাস্ত হবার পরেও ৭৯ দিন পার হয়। ফলে উনি ৮০ তম দিনেই আবার লন্ডনে পৌছান। Anyway এখন আপনারা নিচে বর্ননা করা নিরস কল্প ঘটনা তিনটি দয়াকরে একটু খেয়াল করুন,

মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ !

http://denrig.com/bee001.jpg

তৈলাক্ত বাঁশের বানর
“আপুর বইয়ে একটা অঙ্ক দেখলাম, বাবা—তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে উপরে উঠছে এক বানর। বানরটি এক মিনিটে ৩ মিটার উঠে, আবার পরের মিনিটেই পিছলে ১ মিটার নেমে যায়। বানররা কি এরকম করে, বাবা? আর এ অঙ্ক করেই বা কী কাজ হবে?” এক অপরাহ্নে, পারিবারিক চায়ের আসরে, আমার ছোট মেয়ে ফারিনের প্রশ্ন।

প্রশ্ন শুনে মুচকি হাসেন মেয়েদের মা। মেয়ের চুল নেড়ে দিতে দিতে আমি বলি, “তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে উঠার মতো বাঁদরামী বানররা হয়তো কখনো করবে না। অঙ্কটি যারা তৈরি করেছেন, তারা বাস্তব জীবনের সাথে মিল রেখে একে তৈরি করতে পারতেন। তবে কোনো গণিতই অর্থহীন নয়, কারণ গণিত চিন্তার জগতকে প্রসারিত করে। যেকোনো বিষয়কে সুশৃঙ্খল সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে গণিত, ফলে তা বুঝতে সহজ হয়। আর গণিতের সবচেয়ে বড় উপকারটি হলো, এটি তোমার মনে মায়া মমতা সৃষ্টি করবে।”

ঘুম-অজানা এক জগৎ আর বোবায় ধরা

ঘুম -চিরচেনা শান্তির পরশ।সেই জন্ম থেকেই ঘুমের সাথে আমরা পরিচিত।কিন্তু এই ঘুমের মধ্যেই আছে কিছু অজানা রহস্য।আছে অতি পরিচিত ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা-

যেমন ধরুন আপনি আজ রাতে ঘুমাতে গেলেন।বাতি নিভালেন নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন--অল্প অল্প তন্দ্রা লেগে এলো হঠাৎ ই মনে হলো আপনি অনেক উচু থেকে নীচে পরে যাচ্ছেন।চমকে উঠলেন আপনি।

আবার হয়তো একদিন আপনি আরামেই ঘুমিয়ে আছেন.......।হঠাৎ ই ঘুমটা একটু পাতলা হতে লাগলো আর আপনি দেখলেন আপনি নড়াচড়া করতে পারছেন না..মনে হচ্ছে কেউ আপনাকে চেপে ধরে আছে।আপনি প্রান পনে চিৎকার করতে চাইছেন কিন্তু গলা দিয়ে কোন স্বর বের হচ্ছে না ....।একটা আন্গুলও নড়াতে পারছেন না আপনি.......কিছুক্ষন পর ঘেমে নেয়ে উঠলেন আপনি ।স্বাভাবিক হয়ে আসলো সবকিছু..

উপরের ঘটনা দুটি জীবনে ঘটেনি এমন মানুষ পাওয়া বিরল। তাছাড়াও ঘুমের মধ্যে কথা বলা ,নাক ডাকা।বা ঘুমের মধ্যে হাটা কোনটাই বিচিত্র নয়।এবার আসুন দেখে নেই কেন এমন হয়? কি বা তার সাম্ভাব্য
প্রতিকার...


লেজার-বিস্ময়কর এক যুগের সূচনা



লেজার বা LASER নিয়ে আমরা কম বেশী সবাই জানি-জানি লেজার মানে light amplification by stimulated emission of radiation।এতটুকুই ,এখন পত্র-পত্রিকায় দেখি ওমুক জায়গায় লেজার হয় তমুকে লেজার করেছে,কিছু বুঝি বেশীর ভাগই জানিনা আর তাই ব্যাপারটা এড়িয়ে চলি...আশে পাশে বলে লেজার করা ভালো না অনেক ব্যায়বহুল ইত্যাদি ইত্যাদি.আমার অবস্হাও এ থেকে ভালো কিছু ছিলোনা-তাই ভাবলাম চলুন না পরিচিত হয়ে আসি এই বিস্ময়কর জিনিসটির সাথে ঘুরে আসি লেজারের জগতে-----


LASER (Light amplification by stimulated emission of radiation)-এর সহজ কথায় মানে হচ্ছে যে-আলোর ফোটন কনার সম্মলিত শক্তি বহুগুন বাড়িয়ে দেয়া ।আর এই বাড়িয়ে দেয়া আলোর কনার শক্তি দিয়েই করা হয় বিস্ময়কর যতো কাজ।

প্রোটিনের গঠনে আল্লাহর নিদর্শন

দুটো এমাইনো এসিড একটি দ্রবণে একত্রিত হলে পেপটাইড বন্ড তৈরী করে না বরং আয়োনিক বন্ধন তৈরী করতে চেষ্টা করে। কারন কোন দ্রবণে এমাইনো এসিডের কার্বক্সিল গ্রুপ হাইড্রোজেন আয়ন ছেড়ে দেয় এবং এমাইনো গ্রুপ সেটা গ্রহন করে। ফলে তৈরী হয় জুইটার আয়ন। এছাড়াও একটি রেসেমিক দ্রবণে অ্যামাইনো এসিডের ডান হাতি ও বাহাতি দুটো এনানসিওমার-ই সম পরিমাণে থাকবে । অর্থাৎ উভয়টির ৫০ শতাংশ। তত্ত্বমতে, প্রকৃতিতে প্রায় ২০০ অ্যামাইনো এসিড পাওয়ার কথা। এমনকি জীবদেহেও এমন অ্যামাইনো এসিড আছে যেটা প্রোটিন গঠনে ব্যাবহৃত হয় না।


অথচ জীবদেহের প্রোটিন তৈরীতে ব্যবহৃত এমাইনো এসিডের সংখ্যা ২০, এমাইনো এসিডগুলোর মধ্যে বন্ধন গঠিত হয় পেপটাইড বন্ড দিয়ে। তাও আবার আলফা কাবক্সিলিক গ্রুপের সাথে আলফা এমাইনো গ্রুপের। অথচ এসপারটিক এসিড ও গ্লুটামিক এসিডে যে সাইড চেইনেও কার্বক্সিলিক এসিড আছে। আবার লাইসিন, হিসটিডিনের সাইড চেইনে আছে এমাইনো ও ইমিনো গ্রুপ। পোলার সাইড চেইন যুক্ত এমাইনো এসিড হাইড্রোফিলিক ও ননপোলার সাইডেচেইনযুক্ত এমাইনো এসিড হাইড্রোফোবিক। ফলে একটি প্রোটিনে ননপোলার সাইডচেইনগুলো জড়াজড়ি করে মাঝামাঝি একত্রিত হতে চেষ্টা করে। আর পোলার সাইড চেইনযু্‌ক্ত এমাইনো এসিড গুলোকে বাইরের দিকে বিকর্ষণ করতে চায়।

ভয়ঙ্কর দানবদের পৃথিবীর বুকে ভয়ঙ্করতম শেষদিন


ভয়ঙ্কর-দর্শন ট্রাইসেরাটপস

প্রায় ৬৫মিলিওন বছর পূর্বের এক সকাল বেলা, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ‘সেন্ট্রাল মেক্সিকো’র সমতল ভূমিতে খাদ্যের সন্ধানে জড়ো হয়েছে হাজার হাজার বিশালদেহী অ্যালামোসোরাস(Alamosaurus) । এদিকে আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত উপকূলে ক্ষুধার্ত টি-রেক্স বের হয়েছে খাদ্যের সন্ধানে, এই সুযোগে বিশাল ডানা মেলে ‘ক্যাটজালকোআল্টাস’(Quetzalcoatlus) তার বাসায় হানা দিয়ে ছোট ছোট টি-রেক্সের ছানাগুলো গপাগপ গিলে খাচ্ছে। এখান হতে ১২০০০কিমি দূরে মঙ্গোলিয়া’র ছোট ছোট পানির উৎসগুলোর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানা জাতের উদ্ভিদভোজী ডাইনোসর, কেউ দল হতে আলাদা হয়ে পড়লেই তার উপর একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়ছে মাংসাশী ছোট ছোট অর্ণিথইডিসে’র(ornithoides) পাল।

অদ্ভুত গিরিখাত দ্য গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন!

http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main_1411f.jpg 

গিরিখাত হচ্ছে পাহাড়ের গায়ের ফাটল। তবে সাধারণ বা ছোটখাটো ফাটল নয়, বিশাল বিশাল ফাটল। এতই বিশাল যে, কিছু কিছু জায়গায় এসব ফাটল এক মাইল চওড়া হয়ে থাকে! আর এসব ফাটল কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি। কোটি কোটি বছর ধরে আস্তে আস্তে তৈরি হয় এসব ফাটল বা গিরিখাত। এমনই এক পাথুরে পাহাড় আর গিরিখাতের অসম্ভব সুন্দর রাজ্য 'দ্য গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন'। এটি প্রায় অর্থাৎ এক কোটি ৭০ লাখ বছরের পুরনো। গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন প্রায় ৪৪৬ কিলোমিটার লম্বা। আর কিছু কিছু জায়গায় এ গিরিখাত প্রায় কিলোমিটার পর্যন্ত চওড়া। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, এ গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের গভীরতা প্রায় (৬০০০ ফুট বা ১৮০০ মিটার)! বিশাল এ গিরিখাতের মধ্য দিয়ে একটা আস্ত নদীই বয়ে গেছে, নদীটির নাম কলোরাডো।

প্রকৃতির এ অসাধারণ সৃষ্টির অবস্থান সুদূর আমেরিকায়। আমেরিকার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত এটি। গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের বেশির ভাগই 'গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্ক'-এর মধ্যে পড়েছে। আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট এ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সংরক্ষণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চাইলে কী করা যেতে পারে?

গর্ভের সন্তানটি ছেলে হবে না মেয়ে হবে, তা কি আসলে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে ফুটফুটে একটি মেয়ে অথবা দুরন্ত একটি ছেলে। একেবারে নিশ্চিত হবার কোনো উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।

মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই পদ্ধতি। তা কি করে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। একটি হলো ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে, আরেকটি হলো স্পার্ম বা শুক্রাণু কিভাবে একে প্রভাবিত করে।

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি


http://www.tanshirproperties.com/imges/1.jpg

ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:
(১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক
(২) কাঠা,
(৩) বিঘা এবং
(৪) একর
এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান"( Standerd Measurement) বলে পরিচিত।
উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নে প্রদান করা হলোঃ
ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ
১২'' ইঞ্চি = ১ ফুট
৩ ফুট= ১ গজ
(৩) ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।
যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।

পৃথিবীর সকল মরুভূমির ব্যবচ্ছেদ : জানা-অজানা বিষয়গুলো।

পৃথিবীর পাঁচ ভাগের একভাগ জায়গা জুড়ে আছে মরুভূমি, যেখানে সাধারণত বছরে ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সে.মি. বা তার চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়। মরুভূমিতে বৃষ্টিপাত, তুষারপাতের পরিমাণ বাষ্পীভবনের চেয়ে কম হয়। মরুভূমি বলতে শুধু বালুর সাগরকেই বুঝায় না; পাথর ও পাহাড় নিয়েও মরুভূমি সৃষ্টি হয়। গরম, শুষ্ক পাথুরে আর বালুময় ভূমি মরুভূমির গাছপালা জন্মানোর জন্য সহায়ক নয়। মধ্য অনুর্বর মরুভূমিতে কিছু গাছ, গুল্ম, ঝোপঝাড় ও ঘাস জন্মায়। সেখানকার গাছের বীজগুলো বছরের পর বছর বালুতে ভাল অবস্থায় থাকে, বৃষ্টির পানি পেলে অঙ্কুরোদগম ঘটে; মূল অনেক গভীরে পৌঁছায়।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম