বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী এবং তুরস্ক -(শহীদ কামারুজ্জামান)

জাতির প্রতি সাঈদ নুরসীর খেদমতের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ করে The six steps এর মাধ্যমে তিনি যে অসাধারণ গণজাগরণের কাজটি করেছেন তার জন্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ তাকে আনকারা যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। বদিউজ্জামান ইস্তাম্বুল থেকে ‘পালাতে’ রাজি ছিলেন না’। মুস্তফা কামাল পাশা যিনি Grand National Assembly এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, তিনি বদিউজ্জামানকে তিনটি বার্তা পাঠান আমন্ত্রণ জানিয়ে। কিন্তু বদিউজ্জামান জাবাব দেন :

তুরস্কে ব্যর্থ ক্যু: শ্বাসরুদ্ধকর একটি কালো রাত!


রাত তখন ১০.৩০ মিনিট। ক্যান্টিনে রাতের খাবার খেতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। হঠাৎই আনকারার আকাশে যুদ্ধ বিমানের প্রচুর শব্দ। ভাবলাম, কী হল? যুদ্ধ-টুদ্ধ লাগলো নাকি? ক্যান্টিদের দিকে বের হলাম। পথিমধ্যে অন্যান্য লোকজনও দেখী বিষয়টা খেয়াল করছে। জিজ্ঞাসা করলাম, কী হইছে? কেউই উত্তর দিতে পারলো না।

ক্যান্টিনে টিভির ব্রেকিং নিউজ দেখলাম যে, ইস্তাম্বুলের এশিয়া-ইউরোপ সংযোগ ব্রিজ বন্ধ করে সেনাবাহিনী গাড়ী নিয়ে দাড়িয়ে আছে। তখনো ভাবছিলাম, সম্ববত সন্ত্রাসী হামলা হইছে..! তাই সতর্কতা।

তুর্কি পাবলিক স্পেসে ইসলাম কীভাবে ফিরে আসছে?

১৯২৪ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখ। এক সময়ের বৈশ্বিক সুপার পাওয়ার সাম্রাজ্য থেকে ক্রমে ‘সিক ম্যান অফ ইউরোপ’ হয়ে যাওয়া উসমানীয় খিলাফাতের খলিফা সুলতান আব্দুল মজিদ ২য় সপরিবারে তুরস্ক ছেড়ে যেতে বাধ্য হলেন।

mazid 2nd
 সুলতান আব্দুল মজিদ ২য়। ছবি স্বত্ত্ব: লস্ট ইসলামিক হিস্ট্রি

এই অঙ্কের মাধ্যমে যবনিকাপাত ঘটল এমন এক দাউলাহ’র (আধুনিক পরিভাষায় ‘রাষ্ট্র’ পরিভাষার কাছাকাছি); যার কানুন, সামাজিকতা, তামাদ্দুন বা সংস্কৃতি, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ক, বিচারকের সাথে বিচারপ্রার্থী বা অপরাধীর সম্পর্ক, অর্থনৈতিক চুক্তি বা উত্তরাধিকার, বাণিজ্য বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি নির্ধারিত হয়ে আসছিল শরীয়াহকে ভিত্তি ধরে। এর মধ্যে অবশ্যই শরীয়াহ থেকে বহু বিচ্যুতি বা ব্যক্তিগত স্খলন ছিল। কিন্তু উসমানীয় খিলাফাতের ৬২৩ বছরের আলো ঝলমলে সুবাসিত শাসনামলে কেউ কখনও শরীয়াহ’র এই সেন্ট্রাল অবস্থান নিয়ে ‘নতুন’ কিছু ভাবারও প্রয়োজনবোধ করেনি। আজকের দিনে তুর্কিতে ‘ইসলাম ফিরে আসা’ বলতে সেই সোয়া ছয়শত বছরের গৌরবের দিকে হাঁটা আর কল্যাণের অভিগমনই বোঝায়। তাই ‘ইসলাম’ ফিরে আসার এই বিরাট কর্মযজ্ঞ কীভাবে হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে তা বুঝতে সুবিধা হবে যদি আগে এক নজরে দেখে নেই কীভাবে জনজীবন থেকে ইসলামকে চাল-ডাল আলাদা করার মত করে তাড়ানো হয়েছিল।

আধুনিক তুরস্কে ইসলাম: প্রেক্ষিত ও বর্তমান

রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আজকের মধ্যপ্রাচ্য ষষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত রোমান সাম্রাজ্যের শাসনাধীন ছিল। সপ্তম শতাব্দী অর্থাৎ ওমর (রা)-এর শাসনামল হতে রোমানদের শক্তি খর্ব হতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় ১০৪৮ সালের যুদ্ধে সেলজুক তুর্কি মুসলিমরা এশিয়া মাইনরে (তুরস্ক ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল) বাইজেন্টাইনদেরকে (রোম সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল) পরাজিত করে। ১০৭১ সালের ২৬ আগস্ট সংঘটিত মানযিকার্টের যুদ্ধে জয় লাভের মাধ্যমে তুরস্কে (তৎকালীন সময় থেকে খেলাফতের পতনের আগ পর্যন্ত বর্তমান তুরস্কের ইস্তানবুল বাদে এশীয় অংশটুকু আনাতোলিয়া নামে পরিচিত ছিল) সেলজুক শাসন পাকাপোক্ত হয়

রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ালো তুরষ্ক

তুরষ্ক সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের টীম সম্প্রতি মিয়ানমারের বান্দুবা রিফিউজি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন । এই টীমে ছিলেন তুরষ্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ ডাভুটোগলু এবং তুরষ্কের প্রধানমন্ত্রী রজব তাইয়্যেব এরদোগানের স্ত্রী আয়মান গুলবারান এরদোগান


তোমাদের কী হলো, তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নরনারী ও শিশুদের জন্য লড়বে না, যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে? তারা ফরিয়াদ করছে, হে আমাদের রব! এই জনপদ থেকে আমাদের বের করে নিয়ে যাও, যার অধিবাসীরা জালেম এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের কোন বন্ধু, অভিভাবক ও সাহায্যকারী তৈরী করে দাও। -(নিসা:৭৫)

http://www.timeturk.com/resim/fotogaleri/1692/89215.jpg

এই অসহায় রোহিঙ্গা বৃদ্ধা কি একটু স্বস্তি - একটু নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে চোখের পানি ঝরালেন?


ইসলামবিদ্বেষ ও ইসলামবিরোধীতার অপর নাম : কামাল আতাতুর্ক

পশ্চিমা বিশ্বে মোস্তফা কামাল পাশাকে তুরস্কের জাতীয় নেতা বলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকৃত ইতিহাস কী বলে? তা বোঝার জন্য তিনি কিভাবে তিনি ইসলামবিদ্বেষী ও ইসলামবিরোধী কর্মকান্ডসমুহ বাস্তবায়ন করেছিলেন তার বিবরণ দেয়া হল-

যেদিন পানির জাহাজ ডাঙ্গায় চলল......(কন্সট্যান্টিপোল বিজয়াভিযান)


আজও তুরস্কের অনেক পিতামাতা তাদের আদরের সন্তানের নাম 'মুহাম্মাদ ফাতেহ' রেখে থাকেন।কেননা এ নামটি ইসলামী ইতিহাসের একটি গৌরবময় অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।উসমানী খিলাফতের সপ্তম খলীফা সুলতান মুহাম্মাদ ফাতেহ (রহ) ছিলেন একজন মুজাহিদ সুলতান ,যাঁর মাধ্যমে নবী করিম (সাঃ) এর এর একটি ভবিষ্যতবাণী সত্য হয়েছে।হযরত বিশর বিন সুহাইম(রাঃ) থেকে সে ভবিষ্যত বাণীটি বর্ণিত হয়েছে-
لتفتحن القسطنطنية فلنعم الأمير أميرها ولنعم الجيش ذلك الجيش
"নিশ্চয়ই তোমরা কন্সট্যান্টিপোল বিজয় করবে।তার আমীর উত্তম আমীর হবে এবং সেই বাহিনী উৎকৃষ্টতম সেনাবাহিনী হবে।"(মুসনাদে আহমদ ৪/৩৩৫, হাদীস : ১৮৯৫৭; মুসতাদরাকে হাকেম ৫/৬০৩, হাদীস : ৮৩৪৯; মুজামে কাবীর, তাবারানী, হাদীস : ১২১৬)

প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মুসলিম দেশগুলোর করনীয়

প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান
অনুবাদ: বুরহান উদ্দিন

মানবতার মুক্তির জন্য ও মানুষের শান্তির জন্য আমাদের কে অস্ত্র তৈরি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তারা মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করার জন্য বানাচ্ছে। আমেরিকা লৌহিত সাগরে তার রণতরী মোতায়েন করে ইরাকের বাগদাদে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এন্ত্রাফার রণতরী ইস্তানবুলে আসার পর আমাদের একটি পার্লামেন্টারি গ্রুপ কে পাঠিয়েছিলাম সেটাকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য। তারা আসার পর আমাকে তাঁদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছিল।

নেকড়ে আক্রান্ত জনপদ : ফিলিস্তীন-ইরাক ► দুইটা ফ্যান্টাষ্টিক তুর্কী মুভ্যি

 
১. ভ্যালী অব দা উলভস-প‌্যালেষ্টাইন : তুরস্কের পাঠানো ত্রানবাহী ফ্লোটিলায় আক্রমন করে ইজরাইল। আক্রমনের নির্দেশনা দেয় মসে বিন সামথিঙ (ধরতে পারিনাই নাম) । নিরীহ তুর্কী শান্তিকর্মীদের হত্যার বদলা নিতে ফিলিস্তীনে আসে পোলাট আলেমদার (আহমদ মুসা - সাইমুম সিরিজ) ও তার দুই সহকর্মী মেমাটি আর আবদুল্লাহি ।
ফিলিস্তিনে ঢুকবার সময় ইজরাইলী সৈন্যরা পথ আটকে দাড়ায় এক টুরিষ্ট গাইডকে । মেয়ৈটা ইহুদী । মোবাইলে কথা বলতেছিলো সে। তার টুরিষ্টরা ততক্ষনে চেকআপ পার হয়ে গেছে । গোয়ারগোবিন্দ সৈন্যরা গাইড মেয়েটাকে ঢুকতে দেয়না। সেখান থেকে মেয়ৈটা জড়িয়ে পড়ে তুর্কী অভিযাত্রী দলের অভিযানের সাথে।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম