ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট কারা চালায়, কেন চালায়?

গতকাল দেয়া স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে একজন হিতাকাঙ্ক্ষী ভাই লিখেছেন,
গজামঞ্চ এভাবেই বলগ দিয়ে ইন্টারনেট চালায়
…”ভাই একটা জিনিস জানার খুব ইচ্ছা। আপনি কি কোনো কওমি মাদ্রাসার ছাত্র। আমি যতদূর জানি কওমি মাদ্রাসায় internet বা computer ব্যাবহার করতে দেওয়া হয়না। হেফাজত ইসলামের মতিঝিল আন্দোলন এর সময় যখন তারা বলেছেন যে ‘বলগ দিয়ে ইন্টারনেট চালায়’ তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও কমে গিয়েছে। এর মাঝে আপনাকে দেখে একটু অবাক হচ্ছি। ভাই আপনি FB বা internet চালানো শিখলেন কিভাবে। আর ভাই দেশের কওমি মাদ্রাসা এবং প্রযুক্তি শিক্ষার উপর কিছু যদি মন্তব্য করেন তাহলে কিছুটা খুশি হই। ধন্যবাদ।”

Mass killing on protesters in Dhaka-5 may-2013 (৫ মে গণহত্যা)

Mass killing on protesters in Dhaka at night by armed Joint forces.Killed thousands (06-05-13)


Today is the another black day of Bangladesh history ..In day time on 5th of May police killed around 25 protesters in Dhaka while the protesters protest at Motijhil in Dhaka for implementing their 13 points demand.At evening the protesters took decision to stay on street of Motijhil Shapla Square in  Dhaka...But at night (2:30 AM) when the protesters were sleeping the joint forces of government silently killing innocent protesters in street by firing , throwing tear shell ..even they conducted brutality by riot car and demolished the sleeping protesters to kill ..Not only joint forces , some ruling party's activists join to kill unarmed protesters by shot gun and stick .Some media person said joint forces have taken 5 truck of dead body to disappear..Even some journalists said the number of death will be 3000 ...Now you will see the some heart broken pictures ..

আওয়ামী দালাল বিচারপতি সামসুদ্দিন মানিকের যত অপকর্ম

বর্তমানে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি এইএইচএম শামসুদ্দীন মানিক ছিলেন কিশোরগঞ্জের ছাত্রলীগ নেতা। সুপ্রীম কোর্টে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়ে বিভিন্ন সময়ে কখনও ব্রিটেনে টিভিতে বেফাঁস মন্তব্য করে, কারণে-অকারণে রুল জারি করে, বিমানে উঠে এক শ্রেনীর টিকেট দেখিয়ে অন্য শ্রেনীর আসনে বসার চেষ্টা, বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করে আলোচিত হন।

বিচারপতি মানিক যেহেতু আওয়ামী লীগেরই লোক তাই আওয়ামী লীগ এবার ক্ষমতায় এসে তাকে বিচারক কনফার্ম করে শুধু তাই নয় গুরুত্বপূর্ণ বেঞ্চের দায়িত্বও পেয়ে গেছেন। এই আদেশ সেই শোকজ এই রুল ওই নির্দেশ- একেবারে হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দিয়েছিলেন ভদ্রলোক।

ভয়ঙ্কর ইসলামবিদ্বেষী ব্লগারচক্র : শাহবাগ এর নেতৃত্বে


তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে মত প্রকাশের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে ওঠা ব্লগকে একশ্রেণীর যুবক ইসলামের বিরুদ্ধে কুত্সা রটনার ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ধর্মদ্রোহী ও নাস্তিক যুবগোষ্ঠী মহান আল্লাহ, পবিত্র গ্রন্থ কোরআন, মহানবী হজরত মোহাম্মদ (স.), ঈদ, নামায, রোজা ও হজ সম্পর্কে জঘন্য ভাষায় বিষোদ্গার করে মুসলমানদের ইমান-আকীদায় আঘাত হানছে। তাদের কুতসিত ও অশ্লীল লেখা পড়লে যে কোনো মুসলমানের স্থির থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি বিবেকবান অমুসলিমদেরও গা শিউরে ওঠার কথা। ব্লগে ইসলামী বিধান, রীতি-নীতিকে কটাক্ষ করা হচ্ছে প্রকাশের অযোগ্য ভাষায় এবং নবী-রাসুলদের কাল্পনিক কাহিনী ও মতামত লেখা হচ্ছে অবলীলায়। ধর্মদ্রোহী ব্লগারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শুক্রবার রাতে মিরপুরে খুন হওয়া শাহবাগ আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা আহমেদ রাজীব হায়দার ওরফে থাবা বাবা।


ট্রাইব্যুনাল নিয়ে কমেডি মুভ্যি : The Black (ডাউনলোড)


ইউটিউব লিঙ্ক → (দ্য ব্ল্যাক)
 
ইউটিউব থেকে সহজে ডাউনলোড করতে হলে কিপভিড.কম ওয়েবে চলে যান এবং লিঙ্কটি ডাউনলোড বক্সে পেস্ট করে ডাউনলোড বাটন ক্লিক করুন। ব্রাউজার জাভা এনাবল করতে বলতে পারে, করে নিন।
যদি ইউটিউব ওপেন না হয় তাহলে ডাউনলোড করুন মিডিয়াফায়ার থেকে → (মিডিয়াফায়ার লিঙ্ক)
 
রিভিউটি যুলকারনাইনের লেখা থেকে নেয়া হলো
“The Black-Horor & Comedy” লেখা পোস্টারে থাকলেও ফিল্মটা আসলে আগাগোড়াই রাজনৈতিক। বাংলাদেশে এর আগেও রাজনৈতিক ফিল্ম তৈরি হয়েছে, যেমন- জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), আলমগীর কবীরের সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭), ১৯৭৩ সালে নির্মিত আলমগীর কুমকুমের আমার জন্মভূমি ও খান আতার আবার তোরা মানুষ হ ,মোহাম্মদ আলীর বাংলার ২৪ বছর ও কার হাসি কে হাসে ইত্যাদী। 

কোরআনের আয়াত বিকৃত করে প্রথম আলোর আনিসুল হকের গদ্যকার্টুন


প্রথম আলো পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক আনিসুল হকের বিরুদ্ধে কোরআন অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। ‘ছহি রাজাকারনামা’ নামে তার একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনায় পবিত্র কোরআনের কয়েকটি আয়াতকে সম্পূর্ণ বিদ্রূপাত্মক ভাষায় লেখা হয়। লেখাটি নিয়ে ফেসবুক, ব্লগসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইট এবং সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, কথাশিল্পী আনিসুল হক ইসলামবিদ্বেষী শাহবাগিদের আন্দোলনের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট।

শাহবাগ পান্ডা আজাদ মাস্টারের পরিচয়

মুখোশের আঁড়ালে, পর্ব -১

এই লেখাটি দুরু দুরু বুকে পোস্ট করলাম । অনেকদিন ধরে খোঁজ খবর নিয়ে, নিশ্চিত হয়ে আমি একটি তদন্তমূলক লেখা সাহস করে লিখে ফেললাম । এই লেখাটি আপনাদের কতটুকু অবাক করতে পারবে আমি জানি না, তবে আমি যারপরনাই অবাক হয়েছি এইসব তথ্য জেনে । নিজেকে একধরনের ছোট খাটো পোকার মত মনে হয়েছে এইসব বড় বড় কীট গুলোর কাছে । আপনারা পাঠক আছেন বলেই সাহস করে লিখে ফেলা । আজ প্রথম পর্ব দিলাম । এই লেখাটি আপনারা চাইলে ফেসবুক কিংবা যে কোনো স্থানে ইচ্ছেমত শেয়ার করতে পারেন । আপনারা সাথে থাকলেই এসব মানুষের মুখোশ গুলো উন্মোচোন করে দিতে পারব ।



এটীম পান্ডা আইজুদ্দিনের পরিচয়


দুঃখিত আইজুদ্দিন…ল্যাঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড ইনডিড…

লিখেছেন: darkjustice
ভূমিকার একটু কথাঃ
আজকে যে বিষয় কিংবা যাকে নিয়ে লিখতে বসেছি সে ব্যাক্তির ব্যাপারে অনেকের অনেক রকম কৌতূহল, জিজ্ঞাসা বা আগ্রহ আছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্যাক্তির ব্যাপারে অনেকেই খোঁজ করেছেন, তাকে খুঁজে বের করতে চেয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে খুঁজে বের করা যায়নি কখনো। নিজের মূল নামের আড়ালে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে হাজির হয়েছেন, লিখেছেন, বলেছেন তার মনের সব কথা। মূল নামটি আড়াল করবার অনেক সুবিধা। আপনাকে কখনো কারো কাছে

শাহবাগ পান্ডা নিঝুম মজুমদারের আসল পরিচয়

{পরিচয় ফাস করেছে তারই বন্ধুবান্ধবরা}





এই নব্য মোশতাক কুচক্রিকে চিনে রাখুন। এর নাম নিঝুম মজুমদার। আপনারা যারা একে স্বাধীনতার পক্ষের যোদ্ধা কমরেড বলে মনে করেন, স্যরি টু সে, সে আসলে আপনাদের আমাদের সবার মাথায় কাঠাল ভাঙতেসে বহু দিন ধরে। আন্দোলনের ভেতর ঢুকে গিয়ে ছদ্মবেশ নিয়ে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মেরে চলেছে সেই শুরু থেকে। তাকে বিভিন্ন পোস্ট লিখতে দেখে, বিভিন্ন টকশোতে পাতানো গলাবাজি করতে দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়েছি এক সময়।

টিভি ক্যামেরার সামনে মেয়েটি -(শাহবাগী লাকী- প্রথম আলোর গল্প)


মেয়েটি অনেকক্ষণ ধরে তার পেছনে পেছনে ঘুরছে, সেই অনুষ্ঠান শেষে হলঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকে যখন তার চারদিকে ভক্ত ও তদবিরবাজদের ভিড়। এত ছেলেমেয়ের মাঝখানে সাদামাটা প্রায় ময়লা কাপড়ে উসর-ধূসর চুল মাথায় বিদ্ঘুটে রঙের সালোয়ার-কামিজ পরা মেয়েটির প্রতি তার চোখ পড়ার কথা না, তবু পড়ল। এতে তিনি বিস্মিত হলেন এবং কিছুটা বিরক্তও। অনেকেই তার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে। কেননা, তিনি শুধু একজন সেলিব্রিটি নন, ইংরেজিতে যাকে বলে ফেভার। তা অন্যের প্রতি দেখানোর মতো তার যথেষ্ট ক্ষমতাও আছে। সেলিব্রিটির পেছনে, ছেলেমেয়েরা ঘোরে মুগ্ধতার জন্য অথবা কিছু পাওয়ার আশায়। সংসারে সবারই কিছু না কিছু চাওয়ার আছে।

রাজাকার খয়ের উদ্দিনের নাতি শাহবাগি ইমরান এইচ সরকার

শাহবাগিদের নেতা ব্লগার ইমরান এইচ সরকার হচ্ছেন রাজাকারের নাতি। তার দাদা খয়ের উদ্দিন ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার বালিয়ামারী বাজারপাড়া গ্রামের একজন চিহ্নিত রাজাকার।

মুক্তিযোদ্ধারা একাত্তর সালেই রাজাকার খয়ের উদ্দিনকে বিএসএফের সহযোগিতায় হত্যা করে। স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে খয়ের উদ্দিন পাকিস্তান মুসলিম লীগের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষে অবস্থান নেন এবং তাদের সহযোগিতা করেন।

ব্লগার ডা. ইমরান সম্পর্কে তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজীবপুর এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে পাওয়া গেছে আরও অনেক চমকপ্রদ তথ্য। এলাকাবাসী জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মাঝামাঝি সময়ে একদিন এলাকার জিঞ্জিয়া নদী দিয়ে নৌকায় করে মুক্তিযোদ্ধারা যাচ্ছিলেন। আরেকটি নৌকায় করে নিকটবর্তী ভারতের কালাইয়েরচরের বাজারে যাচ্ছিলেন রাজাকার খয়ের উদ্দিন। তার নৌকায় আরও অনেক যাত্রী ছিল। পাশের নৌকায় যে মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন, তিনি জানতেন না। রাজাকার খয়ের উদ্দিন শেখ মুজিবকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে নানা কথা বলেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা তার সম্পর্কে খবর নিয়ে বিএসএফের সহযোগিতায় তাকে পাকড়াও করে। একদিন তাকে কৌশলে মাখনেরচর ও বল্লমগিরি বিল এলাকায় নিয়ে যায় এবং হাঁটুপানিতে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করে। স্বাধীনতার পর ঢাকায় থাকা তার আত্মীয়স্বজন ডা. ইমরানের পরিবারকে শহীদ পরিবার হিসেবে বানিয়ে সরকার থেকে একটি বাড়ি বরাদ্দ নেয়। পরে জানাজানি হয়ে গেলে বাড়ির বরাদ্দ বাতিল হয় বলে জানা যায়।

খয়ের উদ্দিন সম্পর্কে রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবদুল হাই সরকার জানান, ইমরানের দাদা খয়ের উদ্দিন কোনোদিনই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি মুসলিম লীগ করতেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাকে বিএসএফের সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধারা হত্যা করে। ইমরানের বাবা মতিন সরকার সম্পর্কে তিনি বলেন, মতিন সরকার স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে সিপিবি করতেন। এখন আওয়ামী লীগ করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্র জানায়, ইমরানের বাবা আবদুল মতিন সরকারও ছিলেন তার দাদার অনুসারী অর্থাত্ মুসলিম লীগার। দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর জীবন বাঁচাতে মতিন সরকার প্রথমে সিপিবি এবং পরে সুযোগমত ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে আশ্রয় নেন। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

খয়ের উদ্দিন সম্পর্কে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সঙ্গে যুক্ত এক মুক্তিযোদ্ধা জানান, বিএসএফের সহযোগিতায় তত্কালীন স্থানীয় চেয়ারম্যান সালিউদ্দিনসহ মুক্তি বাহিনীর নির্দেশে ১৯৭১ সালের ১৪ জুন শান্তি কমিটির নেতা খয়ের উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৪ সালে খয়ের উদ্দিনের স্ত্রী তার চাচা তদানীন্তন গাইবান্ধা পুলিশের দারোগাকে দিয়ে ঢাকায় যোগাযোগ করে ভাতিজি জামাইকে মুক্তি বার্তা সাপ্তাহিক পত্রিকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নাম তোলেন। শহীদ পরিবার হিসেবে খয়ের উদ্দিনের মেয়ে ডাক্তার মাধবীর নামে সরকারি বাসা বরাদ্দ নেয়া হয়। তবে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরোধিতার মুখে পড়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের যে তালিকা প্রণয়ন করা হয়, তাতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ তার নাম রাখেনি। ওই সময় সংসদে এ নিয়ে যে মিটিং করা হয়েছে, সে রেজ্যুলেশনেও ওই বিষয়টির উল্লেখ আছে।

এলাকাবাসী জানান, খয়ের উদ্দিনের আরেক ভাই আহমদ হাজীও রাজাকার ছিলেন। তিনিও মুসলিম লীগ করতেন।


সত্যিই সেলুকাস যে ওই রাজাকার দাদা আর বাবার সন্তান হলেন তথাকথিত দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ব্লগার ইমরান। ১৯৮৩ সালে তিনি কুড়িগ্রামের বালিয়ামারী বাজারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৪ ভাইবোনের মধ্যে ইমরান সবার ছোট। ১৯৯৯ সালে এসএসসি ও ২০০১ সালে এইচএসসি পাস করেন। স্থানীয় পর্যায়ে লেখাপড়া শেষে ২০০২ সালে রংপুর মেডিকেলে ৩১তম ব্যাচে ভর্তি হন তিনি। সেখানে তিনি প্রথমে ছাত্রলীগের কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক, আহ্বায়ক ও ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার সময় একাধিক সহপাঠী নামপ্রকাশ না করে জানান, কলেজে তিনি ইভটিজার, বেয়াড়া, বেয়াদব ও নেশাখোর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পাস করার পর ২০০৯ সালে চলে আসেন ঢাকায়। আওয়ামীপন্থী পেশাজীবী সংগঠন ‘স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ’-এর (স্বাচিপ) জোরে বিশেষ বিবেচনায় অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ পান কুড়িগ্রামের উলিপুরে। তবে সেখানে সে কোনোদিন দায়িত্ব পালন করেননি। এরপর ঢাকা মেডিকেলে ইমরান অ্যানসথেশিয়া বিভাগে যোগ দেন। কিন্তু সেখান কাজ ছাড়াই বেতন তুলে নিতেন। শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (এমএমইউ) ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হলেও তা শেষ করতে পারেননি তিনি। অভিযোগ রয়েছে, স্বাচিপ নেতা ইকবাল আর্সালানের লোক পরিচয় দিয়ে ইমরান বিপুল পরিমাণ টাকা ঘুষ ও চাঁদাবাজি করে দুইটি মাইক্রোবাসের মালিক হন। সাবেক ছাত্রনেতা শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি যেদিন পিজির ভেতরে আক্রান্ত হন, সেদিন অগ্রভাগে ছিলেন এই ইমরান। ছাত্রজীবনে ছাত্রশিবিরের সঙ্গেও ইমরান জড়িত ছিল বলে জানা গেছে।

সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার নির্দেশনা কে কে দিতে পারবেন, কে ‘প্রিয় দেশবাসী’ সম্বোধন করতে পারবেন, তা বলা থাকলেও এখন ওই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান পরিচয় দেয়া শাহবাগি নেতা ইমরান বিকল্প সরকারই দিয়ে যাচ্ছেন অহরহ নানা নির্দেশনা; যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও ডরে-ভয়ে পালন করেন অনেকে। অনেক স্কুল না চাইলেও ওই শাহবাগি নেতার নির্দেশনা মেনে যাচ্ছে।

গোয়েন্দা, ব্লগার সূত্র জানায়, আন্দোলন শুরুর পর জামায়াতি প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত করার নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদাবাজি, চাঁদার টাকায় ধানমন্ডি এলাকায় ফ্ল্যাট কেনা, রাতে সহযোদ্ধাসহ উত্সুক সাধারণ মানুষ শাহবাগে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করলেও ইমরানের শাহবাগের পার্শ্ববর্তী একটি পাঁচ তারকা হোটেলে রাত যাপন, ডিস্কোতে নাচানাচি, এয়ারপোর্ট এলাকার আরেকটি বিলাসবহুল হোটেলে ছাত্রলীগেরই আরেক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে ফুর্তি করা, তথাকথিত ‘অগ্নিকন্যা’ লাকীর আন্দোলনবিমুখ হওয়া, শত শত ছাত্রী ও নারীর রাতে শাহবাগে অবস্থান থেকে বিমুখ হওয়াসহ নানা তথ্য জানা যায়। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান দাবি, তার রাজাকার দাদা ও শাহাবাগে তার নির্দেশনাসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে ইমরানের বক্তব্য জানতে আমার দেশ একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম