মুসলমানের মানবাধিকার থাকতে নেই


 http://imagesrv1.amardeshonline.com/201212/news/1_Montobbo.jpg

বাড়ির পাশে মিয়ানমারে গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান (Ethnic Cleansing) চলছে। দেশটিতে সামরিক জান্তা এবং শান্তিতে নোবেল জয়ী, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামরত অং সাং সুচি’র মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও মুসলমান নিধনে তারা একাট্টা। মহামতি গৌতম বুদ্ধের মহান বাণী ‘প্রাণী হত্যা মহাপাপ’ এবং ‘জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বাইরেও বিশ্বের তাবত্ শান্তিবাদীদের আবেগাপ্লুত করে থাকে। অথচ মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ কট্টর সাম্প্রদায়িক বৌদ্ধ সম্প্রদায় সে দেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানুষ তো দূরের কথা গৌতম বুদ্ধ বর্ণিত জগতের যে কোনো প্রাণীর মর্যাদা দিতেও নারাজ। সংখ্যালঘু মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত শুদ্ধি অভিযানকে ন্যায্যতা দিতে অং সাং সুচিসহ মিয়ানমারের শাসক-গোষ্ঠী তাদের নাগরিকত্ব থাকা না থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

মন্তব্য প্রতিবেদন : সর্বত্র প্রতিরোধ চাই


http://imagesrv1.amardeshonline.com/201301/news/P1_montobbo_2.jpg

সীমান্ত হত্যা : ভারতীয় খুনি বাহিনী বিএসএফ নতুন বছরের প্রথম দিনেই সীমান্তের মাটি বাংলাদেশী দরিদ্র নাগরিকদের রক্তে রঞ্জিত করেছে। শুধু সংখ্যা দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাযজ্ঞের ব্যাপকতা বোঝা যাবে না। আধিপত্যবাদী নীতি, বিকৃত মানসিকতা ও রক্তপিপাসায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে দখলদার পাকিস্তানি সেনাদের ঘৃণিত উত্তরসূরিতে পরিণত হয়েছে। ওদের মতোই বাংলাদেশের ভেতরে বিএসএফ আগ্রাসী বাহিনীরূপে প্রবেশ করতে পারলে নিশ্চিতভাবেই ৪২ বছর আগের অবিরাম রক্তঝরা সেই নয় মাসের আরও বীভত্স রূপ আমরা প্রত্যক্ষ করতাম।

সামাজিক অবক্ষয়ের মূল্য না চুকিয়ে উপায় নেই

ভারতের রাজধানীতে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে এক তরুণীকে সম্ভ্রমহানি করে হত্যা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অনেকদিন থেকেই নারীদের জন্য দিল্লিসহ ভারতের অনেকগুলো নগরী বিশেষভাবে অনিরাপদ হিসেবে কুখ্যাতি লাভ করেছে। এসব অপরাধের প্রকৃত পরিসংখ্যান পাওয়া অসম্ভব, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আক্রান্তরা সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের কিংবা গণমাধ্যমকে অবহিত করেন না। তবে খোদ ভারতেরই বৃহত্ জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করেন যে, নারীর সম্ভ্রমের উপর আক্রমণের ক্ষেত্রে দিল্লি পৃথিবীর নিকৃষ্টতম স্থান। 

পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের সংখ্যা থেকে দেখা গেছে, শহরটিতে প্রতি বছর ধর্ষণের ঘটনা বিপজ্জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০, ২০১১ এবং ২০১২ সালে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৫০৭, ৫৭২ এবং ৬৩৫ হলেও সাজা হয়েছে মাত্র একজন অপরাধীর। মনে রাখা দরকার, এই সংখ্যা অপরাধের বিস্তৃতির তুলনায় হিমশৈলের চূড়া মাত্র (Tip of the iceberg)। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দিল্লিকে ‘ধর্ষণ রাজধানী’ (Rape Capital) নামে অভিহিত করছে।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম