বিরোধী জোটের ২০১৫ এর আন্দোলন চলাকালীন পেট্রোল বোমা হামলাকারীদের পরিচয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অফিসিয়াল পেজের এডমিন ফেসবুক ইনবক্সে কারো সাথে আলাপ করছিলেন নিজেদের অপকর্ম নিয়ে। বেখেয়ালে তখনই তিনি  ইনবক্সের পরিবর্তে ভুলে পেজের ওপেন স্টাটাসে পাবলিশ করে ফেলন।  -‘চিন্তা করো মামা কি ব্রেইন। পেট্রোল বোম ককটেল মারছি আমরা আর দোষ হচ্ছে বিএনপি ছাত্রদল জামায়াত শিবীর এর। একেই বলে পলিটিকস।’ । সাংবাদিকমহল ও বিরোধী জোটের নেতারা অনেক আগে থেকেই বলে আসছিলেন, নাশকতামূলক কর্মকান্ডের সাথে তাদের নূন্যতম স্মপৃক্ততা নেই। তারই প্রমাণ এসময়ে ঊঠে আসে জাতীয় পত্রিকাগুলোতে।



সজীব ওয়াজেদ জয় : বাংলাদেশের এক ডালিম কুমার


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দীর্ঘদিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে আইন লঙ্ঘন ও অনৈতিক কাজে বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হন এবং বিচারের বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হন।

দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে হাসিনাপুত্র জয়

তারেক অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এখনও প্রমানিত নয়। অন্যদিকে ভারতীয় স্ত্রীর সাথে বিচ্ছেদ হওয়ার পর হাসিনাপুত্র জয় দেশি অর্থ-সম্পদ নিয়ে বিদেশে দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে বেপরোয়া জীবন যাপন করে দেশের জন্য বদনাম কামাচ্ছে।

আওয়ামী শাসনামলে নামাযী ও পর্দানশীন নারীর যত অপমান!!!

ঢাবিতে “জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিভিন্ন হল থেকে রাতে নামাযরত ছাত্রীদের আটক করেছে ছাত্রলীগ।” খবরটি দেখে একটু আঁতকে উঠলাম এই জন্য আরো জঙ্গি সম্পৃক্ততার সেই পুরনো নাটক মঞ্চস্থ করছে ঢাবি প্রশাসন? অবশ্য এ জাতীয় মিথ্যাচার এখন একেবারেই সেকেলে। এঅভিনয়ে অংশ নিয়েছে-ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রক্টর এবং ভিসি মহোদয় নিজেই। ঢাকা বিশ¡বিদ্যালয়ের হলে তল্লাশি করে বিভিন্ন বিভাগের অসংখ্য ছাত্রীকে আটক করেছে ছাত্রলীগ ও প্রশাসন।

ফেরাউনের সরাইখানা (শামসুন্নাহার হল,ঢাবি) থেকে ফিরে



গত ৩ নভেম্বর (2014) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে ছাত্রলীগ এবং কর্তৃপক্ষের যৌথঅভিযানের পর পালিয়ে আসা এবং কিছু কথা।

“ ২ তারিখ রাত থেকেই হলে ছাত্রলীগের activities ছিল চোখে পড়বার মত।পরদিন আশুরা উপলক্ষে রোজা রাখবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল অনেকেই। সেহরীর পর আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমুচ্ছিলাম। হঠাৎ ৮:৩০ এ কেউ একজন কল করে জানালেন ছাত্রলীগের মেয়েরা হলের নামাজরুম থেকে তিনজন মেয়েকে আটক করেছে এবং প্রতিটি রুমে তল্লাসী চালিয়ে কারও কাছে কুরআন শরীফ বা হাদীস বই আবার কাউকে শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে আটক করছে।মনে হল হাতুরি দিয়ে কলিজায় কেউ ঘা দিয়েছে।রুম থেকে বেরোতেই দেখি এলাহী কারবার।একাধিক group এ বিভক্ত হয়ে ছাত্রলীগ হাতে লাঠি-সোটা নিয়ে হলের বিভন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম