ইফফাতুদ্দোহা সাদিয়া - শহীদি ঈদগাহে বাংলাদেশী মুসলিমাদের প্রতিনিধি

তামিরুল মিল্লাত থেকে গতবছর আলীম পাশ করেছেন বোন সাদিয়া। ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজে পড়াশুনারত থেকে অনার্স ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইউনিভার্সিটির জন্য। ঢাকার পশ্চিম যাত্রাবাড়িতে বাসা। সাদিয়ার বাবা  আবু ইউসুফ ও মা ফৌজিয়া বেগম জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের সদস্য ছিলেন। সাদিয়ার ছোট দুই ভাই রয়েছে। ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কর্মী সাদিয়াকে স্থানীয় ছাত্রলীগের খুনীরা গত ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ তে বাসায় এসে ছুরি মেরে হত্যা করে!



আওয়ামী শাসনামলে নামাযী ও পর্দানশীন নারীর যত অপমান!!!

ঢাবিতে “জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিভিন্ন হল থেকে রাতে নামাযরত ছাত্রীদের আটক করেছে ছাত্রলীগ।” খবরটি দেখে একটু আঁতকে উঠলাম এই জন্য আরো জঙ্গি সম্পৃক্ততার সেই পুরনো নাটক মঞ্চস্থ করছে ঢাবি প্রশাসন? অবশ্য এ জাতীয় মিথ্যাচার এখন একেবারেই সেকেলে। এঅভিনয়ে অংশ নিয়েছে-ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রক্টর এবং ভিসি মহোদয় নিজেই। ঢাকা বিশ¡বিদ্যালয়ের হলে তল্লাশি করে বিভিন্ন বিভাগের অসংখ্য ছাত্রীকে আটক করেছে ছাত্রলীগ ও প্রশাসন।

শহীদ মুনিরা - বাংলার জমীনে শাহাদাতের পথ প্রদর্শনকারী প্রথম ছাত্রী বোন

নাম না জানা এক শহীদ বোন
যাত্রাবাড়িতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার এক বোন শহীদ হয়েছেন গত পরশু (০৬.০২.২০১৫)। তামিরুল মিল্লাতের ছাত্রী এই শহীদ বোনের নাম ‪‎সাদিয়া‬। বাংলাদেশে ইসলামের জন্য নারী শাহাদাতের সূচনা বলে এই ঘটনাকে বর্ণনা করেছেন অনেকে! কথাটা ভুল। আপনারা আপনাদের আরেক শহীদ বোন ‪মুনিরার‬ কথা ভুলে গেছেন? শহীদ মুনিরার দেখানো পথেই হেটেছে শহীদ সাদিয়া। শহীদ মুনিরা সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য নেই কোথাও। যেটুকু পেলাম...

মিশরের বিপ্লবে আসমা মাহফুজ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্হার ভূমিকা

পটভুমি :
দৈনিক নয়াদিগন্ত , ২৩ সেপ্টেম্ববর ২০১২, ২ য় পৃষ্ঠা ৭ম কলাম -এ এই খবরটি দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো । না ! পরে ভাবলাম মন খারাপের কিছু নেই । কারণ খবরটির ভেতর দেওয়া মেয়েদের মধ্যেই বাংলাদেশের কোন আসমা মাহফুজ থাকতে পারে ।






সূচনা :
পশ্চিমা গণমাধ্যমে মুসলিম দেশের নারীদের অধিকার সম্পর্কে অনেক লেখালেখি হয়েছে । নারী মুক্তির জন্য পশ্চিমা শক্তি আফগানিস্তানের মতো মুসলিম দেশে সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে ।

পশ্চিমা বিশ্বের নারীবাদী আন্দোলনের আলোচনা :


পশ্চিমা বিশ্বের নারীবাদী আন্দোলন পরিচালনাকারী সংগঠণগুলোর মধ্যে মিশরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সাথে নারীদের জোড়ালো অংশগ্রহণের ব্যাপারটি আলোচনা হচ্ছে না । উপরন্তু মিডিয়াগুলো এ বিষয়ে গুরুত্ব না দেওয়ায় অনেকেই হয়ত জানেন না মিশরের গনতান্ত্রিক অন্দোলনে ২৬ বছর বয়সী, মিশরীয় আপু আসমা মাহফুজ সহ মেয়েদের অবদান কি ছিল ?

ফেরাউনের সরাইখানা (শামসুন্নাহার হল,ঢাবি) থেকে ফিরে



গত ৩ নভেম্বর (2014) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে ছাত্রলীগ এবং কর্তৃপক্ষের যৌথঅভিযানের পর পালিয়ে আসা এবং কিছু কথা।

“ ২ তারিখ রাত থেকেই হলে ছাত্রলীগের activities ছিল চোখে পড়বার মত।পরদিন আশুরা উপলক্ষে রোজা রাখবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল অনেকেই। সেহরীর পর আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমুচ্ছিলাম। হঠাৎ ৮:৩০ এ কেউ একজন কল করে জানালেন ছাত্রলীগের মেয়েরা হলের নামাজরুম থেকে তিনজন মেয়েকে আটক করেছে এবং প্রতিটি রুমে তল্লাসী চালিয়ে কারও কাছে কুরআন শরীফ বা হাদীস বই আবার কাউকে শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে আটক করছে।মনে হল হাতুরি দিয়ে কলিজায় কেউ ঘা দিয়েছে।রুম থেকে বেরোতেই দেখি এলাহী কারবার।একাধিক group এ বিভক্ত হয়ে ছাত্রলীগ হাতে লাঠি-সোটা নিয়ে হলের বিভন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে।

তোমরাই সুমাইয়ার বোন

ফারজানা কল্পনাও করেনি এমন পরিবেশে থাকতে হবে তাকে কোনদিন ।
ছোট্ট একটা রুম । নোংরা মেঝে । রুমের একপাশে কোমড় পর্যন্ত তোলা ওয়াল এটাই টয়লেট । সেখান থেকে দুর্গন্ধ আসছে । কোনমতে গাদাগাদি করে এখানে বসে আছে ফারজানা সহ মোট ২৭ জন মেয়ে । ফারহানারা ২৪ জন । আর ৩ জন আগে থেকেই ছিল ।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম