শহীদ আব্দুল মালেক রচনাবলী

চেকোস্লাভিয়া, সিরিয়া, নাইজেরিয়া, চীন-রাশিয়া সীমান্ত সংঘাত, ভিয়েতনাম ও ফ্রান্সের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সুদান, মালয়েশিয়া সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ততকালীন অবস্থা সম্পর্কে আব্দুল মালেকের লেখাগুলি এবং বেশ কিছু মৌলিক প্রবন্ধ ও আব্দুল মালেকের শাহাদাতের পরে কবি ফররূখ আহমেদ ও পরবর্তিতে কবি আল মাহমুদের লেখা কবিতা নিয়ে এ সঙ্কলন তৈরী করা হয়েছে।

মে ১৯৪৭ এ বগুড়ার ধূনট থানার খোকসাবাড়ি গ্রামে জণ্মগ্রহণ করেন আব্দুল মালেক। প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত গ্রামের পাঠশালা (খোকসাবাড়ি স্কুল), ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত গোসাইবাড়ি হাইস্কুলে, পরবর্তীতে বগুড়া জেলা গভ: হাইস্কুল থেকে এস.এস.সি ও রাজশাহী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। ১৯৬০ সালে জুনিয়র স্কলারশীপ বৃত্তি, ১৯৬৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংক ও রসায়নে লেটারসহ রাজশাহী বোর্ডে একদশ স্থান অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে লেটারসহ মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থান লাভ করেন আব্দুল মালেক।

কর্মপদ্ধতি : ছাত্রশিবির

ডাউনলোড
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
কর্মপদ্ধতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

ভূমিকা

আল্লাহর এই জমীনে সকল প্রকার জুলুম ও নির্যাতনের মূলোচ্ছেদ করে আল-কুরআন ও আল-হাদীসের আলোকে ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়ের সৌধের উপর এক আদর্শ ইসলামী সমাজ গড়ে তোলার মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। চমক লাগানো সাময়িক কোন উদ্দেশ্য হাসিল এর লক্ষ্য নয়।

রক্তাক্ত জনপদ -(শাহাদাতের ইতিহাস সঙ্কলণ)


বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের পথ পরিক্রমার প্রথম দুই যুগের নথিভূক্ত শহীদগণের শাহাদাতের প্রেক্ষাপট ও রক্তপিচ্ছিল নির্যাতনময় আন্দোলনমুখর প্রথম দিনগুলোর ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এ সংকলনে। এটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হয়। তখন পর্যন্ত ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের শাহাদাতের ৫০ তম সংখ্যা পর্যন্ত ঘটনাবলী নিয়ে সংলনটি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তী দুই যুগ অর্থাত বর্তমান সময় পর্যন্ত শাহাদাতের সেই সংখ্যা তিনগুনের বেশি হয়ে গিয়েছে; যা প্রমান করে কন্টকময় মক্কীযুগের কঠোর সংকটের দিনগুলোর ঈমানী তামান্না সময়ের পরিবর্তনে এতোটুকু কমেনি, বরং বেড়েছে। আল্লাহর জমীনে আল্লাহ প্রদত্ত জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দূরন্ত দু:সাহসী কাফেলার মুজাহিদদেরকে কোন রক্তচক্ষু আজ অবধি সামান্যতম ভয় দেখাতে পারেনি, তারা ছুটে চলেছে পরিপূর্ণ নিশ্চিৎ আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে। পূর্বসূরী শহীদগনের দেখানো পথ থেকে সামান্যতম বিচ্যুত হয়নি এ কাফেলা! পূর্ববর্তীগনের পদচিহ্নে পা রেখে রেখেই চূরান্ত নজরানা দিয়ে এগিয়ে চলছে মুক্তির আলোকিত রাজতোরনের দিকে!

শহীদি প্রোফাইল সংকলণ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘যে মুসলমান আল্লাহর কালেমাকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে লড়াই করবে, কেবলমাত্র সেই-ই আল্লাহর পথে লড়াই করল’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৮১৪)।

অতএব যারা তাওহীদের কালেমাকে সমুন্নত করার খালেছ নিয়তে আল্লাহর পথে লড়াই করে মারা যাবে, তারাই হচ্ছে প্রকৃত শহীদ। আর শহীদের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য হবে এই যে, সে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে লড়াই করবে না, তাকে বাহাদুর বলা হবে এ উদ্দেশ্যে বা লোককে শুনানোর উদ্দেশ্যে লড়াই করবে না’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫৩১৬; মুসলিম, মিশকাত হা/২০৫)।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণ করে অথবা নিহত হয়, সে ব্যক্তি জান্নাতী এবং শহীদ (আহমাদ হা/২৮৫, ১০৭৭২; ইবনু মাজাহ হা/২৯১০; মুসলিম, মিশকাত হা/৩৮১১)।

শহীদ আমিনুর রহমান

১.
যে স্মৃতি ভোলার নয়, শুধুই বেদনার, বাহিরের রক্ত ক্ষরণ সবাই দেখতে পাই, কিন্তু হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কেউ দেখতে পায়না, যার হয় সেই-ই শুধু বোঝে তার যন্ত্রনা কত ভয়াবহ ,কত কঠিন, আজও সেই যন্ত্রনা আমায় খুড়ে খুড়ে খায় আর নিরবে চোঁখের অশ্রু ঝরায়।

শহীদ আমিনুর রহমান ।  ইসলাম বিদ্বেষী সরকারের লেলিয়ে দেওয়া ঘাতকের বুলেটেরআঘাতে শাহাদাতের সিড়ি বেয়ে ঝরে গেলো সাতক্ষিরা তথা বাংলাদেশের ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের আর এক উজ্বল জ্যোতির্ময় নক্ষত্র।

একজন শিবির কর্মীর কথা

হ্যা, আমি একজন শিবির কর্মী। ব্লগে আশার পর থেকে দেখছি শিবির- জামায়াত এগুলোর বেশ চর্চা চলছে। কে মগবাজারের পেইড ব্লগার, কে সম্ভাব্য শিবির ইত্যাদি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। ভাবছি একজন শিবির কর্মী হিসেবে আমার কথাগুলো অনেকেরই সহায়ক হবে।

আমি একজন শিবির কর্মী। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় শিবিরের কর্মী হয়েছি। এসএসসি পরীক্ষার পূর্বেই শিবিরের সাথী হিসেবে শপথ নিয়েছি। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছি। তবে এখনও সদস্য হতে পারিনি।

শিবিরের কর্মী হতে হলে আটটি কাজ করতে হয়। যেমন, প্রতিদিন কুরআন ও হাদিস বুঝে অধ্যয়ন করা, নিয়মিত ইসলামী সাহিত্য পাঠ করা, ইসলামের নৈতিক বিধানগুলো মেনে চলা, দাওয়াতি কাজ করা, রিপোর্ট রাখা, প্রোগ্রামসমূহে উপস্থিত হওয়া, অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করা এবং বায়তুলমালে এয়ানত দেয়া। সে অনুযায়ী সেই স্কুল জীবন থেকেই ব্যাক্তিগত রিপোর্ট রাখছি। ব্লগের অনেকেই বলেন শিবির করলে টাকা পাওয়া যায়, মাসে মাসে, নির্দিষ্ট হারে। কিন্তু আমি কোনদিন টাকা পাইনি। বরং কর্মী হবার পর থেকে টাকা দিয়ে আসছি। যেদিন কর্মী হয়েছি সেদিন আমাকে বলা হয়েছে তুমি কত দিতে পারবে? আমি ভেবে চিন্তে বললাম ২ টাকা। এরপর দিন গেল টাকার পরিমানও বাড়লো। কালের বিবর্তনে এখন আমার সে টাকা দেয়ার পরিমাণ দাড়িয়েছে মাসে ১৫০।

আজ কুরআন দিবস (১১-মে-১৯৮৫) : কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় শহীদ হবার দিন..

 


-ঘটনার সূত্রপাত ১৯৮৫ সালের ১০ ই এপ্রিল । পদ্মমল চোপরা ও শীতল সিং নামের দুই ব্যাক্তি কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি মিসেস খাস্তগীরের আদালতে কুরআনের সকল আরবী কপি ও অনুবাদ বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়ে একটি রীট আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ১২ই এপ্রিল’৮৫ বিচারপতি তিন সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ভারতসহ সারা বিশ্ব প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের মুসলিম জনতাও এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে থাকে মিছিল সমাবেশের মাধ্যমে ।

কারাগারের দিনগুলো

পর্ব-১
সেভিং ব্লেড যখন অস্ত্র

১৪ই অক্টবর২০১২ সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে স্থানীয় যুবলীগের সন্ত্রাসীরা বাসায় হামলা করলো, আমার অপরাধ আমি শিবির করি। হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকে পড়লো একদল সন্ত্রাসী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হলো বেদম মারপিট সেই সঙ্গে গালাগালি **বাচ্চা শিবির করস! রুম তল্লাশীর নামে শুরু হলো লুটপাট, যে যা পাচ্ছে তাই নিয়ে নিচ্ছে। মোবাইল/ল্যাপটপ/ইন্টারনেট মডেম কিছুই বাদ দিলোনা।

২৮-ফেব্রুয়ারী-২০১৩ : আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা রায় ও সারাদেশে ৬৫+ গনহত্যা

অগ্নিগর্ভ দেশ গুলিতে নিহত ৫৬ (61 till morning) : পুলিশের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, একদিনে গুলি করে মানুষ খুনের রেকর্ড, বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবিরের প্রতিরোধ, নিহতদের মধ্যে পুলিশ চারজন, চাঁপাইয়ে প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি-গাড়িতে আগুন, সাতকানিয়া লোহাগাড়ায় থানা অবরোধ



আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে সারাদেশ। বিক্ষুব্ধ সাঈদী ভক্তদের ওপর ইতিহাসের বর্বর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে পুলিশ ও সরকারের পেটোয়া বাহিনী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫ পুলিশ ও কমপক্ষে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রাত ৯টায় ঢাকার মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ চলছিল। সারাদেশে আহত হয়েছে ১০ হাজারের বেশি মানুষ। গুলিবিদ্ধ হয়েছে শত শত মানুষ। থানা অবরোধ, পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও, রেললাইন উপড়ে ফেলা, যানবাহন ভাংচুরসহ পুরো দেশ হয়ে পড়েছে রণক্ষেত্র। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সারাদেশে পুলিশ, র্যাব,
বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি, এপিবিএন ও রিজার্ভ পুলিশের
সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

এই আমার প্রিয় ভাই, শহীদ নোমানী ভাই !



 

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ছুটি চলছে
 । সব সাথী-কর্মীরা নিজ নিজ বাড়িতে । এমন সময় শিশির ভাই সদস্য বৈঠকে বললেন , দেশের কয়েকটি এলাকায় দায়িত্বশীলেরা সফরে যাবেন । এতে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারনে যে দূরত্বটুকু তৈরী হয়েছে তা ঘুচে যাবে । সেই হিসেবে তখনকার সভাপতি যুবায়ের ভাইয়ের সাথে আমিও গেলাম রাজশাহীতে ।

জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার মামলা ও রায় বিশ্লেষণ

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj-80btW_VatxwOlUH9bvoNfmVw4ho7yc_GdtkizhKbslK65IVtz6tV5XTh_HeNzNo59WxN5GxmS1SbYbZn4ZyTYcVyXaiP0JnBWygOuofDDJfZ1MZnCd3Fsa31_VIpAhx5KXhUzU_7gb_M/s1600/illegalTribunal.JPG 
(এটা একটা লিফলেট। আমরা জাষ্ট শেয়ার করছি। এবিষয়ে প্রিয়বই.কম ওয়েবের নিজস্ব কোন মন্তব্য নেই) 
DownLoad : বাংলা | English | Arabic

প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, জনাব আব্দুল কাদের মোল্লা একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সমাজ সেবক আব্দুল কাদের মোল্লা ১৯৪৮ সালের ১৪ই আগষ্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পরপর দুই(২) বার ১৯৮২ এবং ১৯৮৩ সালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।


ডাউনলোড: আওয়ামী ট্রাইব্যুনালের স্কাইপি কথোপকথনের রেকর্ড

ট্রাইবুনাল চলাকালীন আল্লামা সাঈদীর বক্তব্যসমূহ

“আমি যুদ্ধাপরাধী কিংবা রাজাকার নই। আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ বানোয়াট। আল্লাহর কসম করে বলছি, ’৭১ সালের এক ফোঁটা পানি বা কাদা আমার গায়ে লাগেনি। আমার কাজ ছিল কোরআনের প্রচার করা। নাস্তিকরা আমাকে সহ্য করতে না পেরে বন্দী করে রেখেছে।”

“আমি যুদ্ধাপরাধী কিংবা রাজাকার নই। আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ বানোয়াট। আমার বিরুদ্ধে যে ২০টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার একটিও যদি সত্য হয় তাহলে আমি যেন ঈমান নিয়ে মরতে না পারি । রোজ কিয়াকমতের দিন যেন রসুল (সা) এর শাফায়াত আমি না পাই”।

শিবিরের অব্যর্থ অশ্রু যা যেকোন আধুনিক অস্ত্রকে হার মানায়!

যে শিবির এতদিন শুধু মারই খেল সে শিবির কিসের বলে আজ অপ্রতিরোধ্য? তাহলে ছাত্র জীবনে তাদের কাছে যে অব্যর্থ অশ্রু দেখেছি তার ব্যবহার কি তারা আজও অব্যহত রেখেছে? অনেকেই বলে থাকেন ৮০ দশকের সেই শিবির আর নেই। তাহলে গত ৫,৬,৭ই নভেম্বর তারা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল তা কোন ভরসায়? কিসের বলে? কার ইশারায়?

প্রতিটি দলেরই কিছু গোপন কৌশল আর গোপন হাতিয়ার থাকে। সর্বদাই সেগুলোকে তারা হাইড করে রাখার চেষ্টা করে। স্কুল জীবনে গ্রাম্য পরিবেশে সর্বহারা পার্টির আসল শক্তি বন্দুকের নল দেখে দেখে বড় হয়েছি। তাদের অপকর্মে ভিত সন্ত্রস্ত নাহলেও ভবিষ্যৎ গড়ার আসায় বাবার অপারগতা সত্যেও ঢাকায় চলে আসি। রাজনীতি আর প্রেমপ্রিতি নাকরার অঙ্গিকার করেছিলাম এক শুভাকাঙ্খি এবং পিতৃতুল্য শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের কাছে।

জামায়াতে ইসলামীর সংবিধান ও পরিচিতি

যেহেতু আল্লাহ ব্যতীত নিখিল সৃষ্টির কোন ইলাহ নাই এবং নিখিল বিশ্বের সর্বত্র আল্লাহর প্রবর্তিত প্রাকৃতিক আইনসমূহ একমাত্র তাহার-ই বিচক্ষণতা, শ্রেষ্ঠত্ব ও সার্বভৌমত্বের সাক্ষ্য প্রদান করিতেছে; 

যেহেতু আল্লাহ মানুষকে খিলাফতের দায়িত্ব সহকারে পৃথিবীতে প্রেরণ করিয়াছেন এবং মানব রচিত মতবাদের অনুসরণ ও প্রবর্তন না করিয়া একমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত জীবন বিধানের অনুসরণ ও প্রবর্তন করাকেই মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিয়াছেন;

যেহেতু আল্লাহ তাহার প্রদত্ত জীবন বিধানকে বাস্তব রূপদানের নির্ভুল পদ্ধতি শিক্ষাদান ও উহাকে বিজয়ী আদর্শ রূপে প্রতিষ্ঠিত করিবার উদ্দেশ্যে যুগে যুগে নবী রাসূল প্রেরণ করিয়াছেন;

যেহেতু বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং আল্লাহর প্রেরিত আল-কুরআন ও বিশ্বনবীর সুন্নাহই হইতেছে বিশ্ব মানবতার জীবনযাত্রার একমাত্র সঠিক পথ - সীরাতুল মুস্তাকীম.....(ইস্কিপড)...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির


প্রারম্ভিকা
"তোমাদের মাঝে এমন একটি দল থাকবে যারা মানুষকে কল্যাণের পথে ডাকবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে।"- আল-কুরআন।

মানব সভ্যতার ইতিহাস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যেখানে অন্ধকার সেখানে আলোর মশাল নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন স্রষ্টার দূত। অন্যায়, অনাচার, পাপাচার, অসত্য, সুন্দর ধরাকে করেছে কর্দমাক্ত, কলুষিত ও বিষাক্ত তখনই মহামহিম আল্লাহর অপার করুণাময় রহমতের বারি বর্ষিত হয়েছে ধ্বংসোন্মুখ জাতির ওপর।

প্রিয় সাথী শহীদ আবদুল মালেক

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj-5zTyqhm3gts9DrGnGE4KRoL_aF-7yswDTH6b_CL9s-ilNzX4r_ZY_szaYse08TBwfNwaWzEF7e4mwe4EA9fLafpNhezeDm9uD03tN3Dtxwo_H-fG42KMTWOcWGPXRArSEosyTLgwCq4/s1600/5.jpg
আপনি আবদুল মালেক?

হ্যাঁ তাই, আপনি নিজামী ভাই?

সেদিনের সে কথাগুলো ডায়েরির পাতায় লেখা না হলেও আমার মনের কোণে স্থায়ী আসন করে নিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে যখন আমরা মাত্র ক’জন কর্মী কাজ করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যেতাম তখন মফস্বল থেকে আমাদের বেশ কিছু কর্মী ঢাকায় আসছে দেখে আমরা সবাই আনন্দিত হয়েছি। আবদুল মালেক, নূরুল ইসলাম, আজিজ, ইসকান্দার ও মামুনসহ আরো অনেকে পরীক্ষায় ভালো করায় আমরা বেশ উৎসাহিত হয়েছি। আজিজ ছাড়া আর সবাই ঢাকায় আসবে এ সংবাদ পেয়ে আমরা প্রতীক্ষা করছি। ভর্তির সময় প্রায় শেষ হয়ে আসছে। আবদুল মালেক ছাড়া আমাদের সম্ভাব্য কর্মীদের সবাই এসে গেছে। আবদুল মালেকের অপেক্ষায় আমার মনটা বেশ ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে কোনো ছাত্রের সাথে দেখা হলেই তার কথা জিজ্ঞেস করছি। আসবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত খবর পেয়েছি। দেরির কারণ জানা যাচ্ছে না। অস্থিরতা বেড়েই চলেছে। সেদিনের সংগঠনের দুরবস্থা,

মাওলানা মওদুদী : আলোকিত এক নেতা

http://a1.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash3/22063_244738777132_5634267_n.jpg 

মওদূদী (রহ) : ইসলামের আলোয় আলোকিত এক নেতা

"আল্লাহর দ্বীন সিংহ শার্দুলের ন্যয় বাহাদুর মানবের জন্য অবর্তীর্ণ, বাতাসের গতিকে পাল্টে দেয়ার হিম্মত রয়েছে যাদের বুকে, যারা অল্লাহর রঙকে প্রাধান্য দেয় ধরার সকল রঙের উপরে, ভালোবেসে অল্লাহর রঙে রাঙাতে চায় বসুন্ধরা। নদীর গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর জন্য মুসলমানকে সৃষ্টি করা হয় নি বরং জীবনের বহমান স্রোতধারার দিক সিরাতুম মুস্তাকিমের পানে ঘুরিয়ে দেয়ার হিম্মত রয়েছে যার, সেইতো মুসলমান"।----সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী (রহঃ) অন্ধকার যুগের পরিসমাপ্তি টেনে যে মুসলিম জাতি পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তর সত্যের আলোয় আলোকিত করেছিল, গাঢ় অমানিষার বুক চিরে যারা ছিনিয়ে এনেছিল সুবেহ সাদেকের স্বর্গীয় আভা, এনেছিল সোনালী সূর্যোদয়, যারা অজ্ঞতা আর মূর্খতার কফিনে পেরেক ঠুকে জ্বালিয়েছিল জ্ঞানের আলো, তারাই একসময় আবার হারিয়ে যায় অন্ধকারে। যাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতির মর্যাদা দেয়া হয়েছিল তারাই পদে পদে লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, অত্যাচার, নীপিড়নের শিকার হয়ে ধুকে ধুকে কীটপতঙ্গের মতো প্রাণ হারাতে শুরু করে। মুসলমানদের অবস্থা এতো সঙ্গীন হয়ে পড়ে যে অনেকেই নিজেদেরকে মুসলিম পরিচয় দিতে লজ্জা পেতে শুরু করে, অনেকেই ধর্মান্তরিত হয়ে ফিরে যায় পৌত্তলিকতার দিকে। নিজেদের অজ্ঞতা আর অক্ষমতার ঝাল মেটাতে ইসলামকেই তারা তাদের টার্গেটে পরিনত করে দোষারোপ করা শুরু করে, তাদের কাছে মনে হয় দূনিয়ার তাবৎ সমস্যার মূল ইসলাম। ইসলামের নাম নিশানা পৃথিবীর ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে পারলেই পৃথিবী হয়ে উঠবে পূতঃপবিত্র, থাকবে না কোন লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, হতাশা। অথচ অতীতের দিকে একবারও ফিরে তাকানোর সাহস হয় না তাদের, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পৃথিবীতে আলোর মশাল জ্বালানোর হিম্মত, সে তো দূরের কথা।

এমন এক পরিস্থিতিতে পৃথিবীর দুটো প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি মিশর ও ভারত থেকে ইসলামের পূনর্জাগরণের জন্য আলোর মশাল নিয়ে এগিয়ে আসেন জমিয়ত আল-ইখওয়ান আল-মুসলিমুন (মুসলিম ব্রাদারহুড) নামে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়্যে কুতুব শহীদ (রহঃ) এবং জামায়াতে-ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী (রহঃ)।

Tree Plantation Program of SHIBIR (শিবিরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী )

সারাদেশে যখন সরকার ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর র্যাভব,পুলিশ ও বিজিবি দিয়ে একের পর হামলা, মামলা, নির্যাতন চলছে তখনও ছাত্রশিবির গাছে গাছে সবুজ দেশ, আমার সোনার বাংলাদেশ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন । শুধুমাত্র ছাত্রশিবিরের মাধ্যমেই স্বনির্ভর ও সবুজ-শ্যামল সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। শুধুমাত্র সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং আমাদের নিজেদের স্বার্থেই দেশে প্রচুর গাছ লাগানো প্রয়োজন। তাই দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রয়োজন ব্যাপক ভিত্তিক বৃক্ষ রোপন করে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সহযোগীতা করার। কেননা সবুজ বাংলা গড়া ছাড়া সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। উল্লেখ্য প্রতি বছরের মত এবারো গত ২০জুন থেকে ২৬ জুন ২০১৩ পর্যন্ত সপ্তাহ ব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষনা করেছে ছাত্রশিবির। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য র্যাযলি, প্রত্যেক জনশক্তি একটি করে ফলজ, বনজ, ও ঔষধী গাছের চারা রোপণ এবং দুটি করে চারা বিতরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ, বৃক্ষ নিধন রোধে সচেতনতা তৈরী, বৃক্ষরোপনে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যানার, ফেষ্টুন ও ষ্টিকার লাগনো ইত্যাদি। এসব কর্মসূচি সফল করতে সারাদেশে ছাত্রশিবিররের বিভিন্ন শাখা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।

৮২ সালে পদত্যাগী শিবির সভাপতি ড. আহমদ আবদুল কাদের- কিছুটা ইতিহাস

 
ড. আহমদ আবদুল কাদের। বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির একজন  প্রাজ্ঞ ও বিদগ্ধ ব্যক্তি। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সেই স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকেই। ১৯৮২ সালে তিনি ছাত্রশিবিরের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং একই বছর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক বিরোধে জড়িয়ে সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর হাফেজ্জি হুজুরের সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদসহ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এবং

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম