;
;
বিংশ শতাব্দীতে ইসলামী জাগরণের জন্য যারা ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হচ্ছেন শায়খ হাসানুল বান্না (রহ), বাদীউজ্জামান নুরসী (রহ) ও সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী (রহ)। নাস্তিকতাবাদ, অংশীবাদ ও ধর্ম্নিরপেকক্ষতাবাদ-সৃষ্ট তাত্বিক বিভ্রান্তি দূরকরণে তারা মূল্যবান অবদান রেখেছেন। সৃষ্টি করেছেন ইসলামী জাগরণ।



সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ, বিপ্লবী ইসলামী চিন্তাবিদ, প্রজ্ঞাবান লেখক ও বাস্তব
ময়দানে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী মহান নেতা। আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার যে অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করে গেছেন তা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অনুপ্রাণিত করবে যুগের পর যুগ ধরে। ১৯০৬ সালে মিশরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মিশরের অবিষ্মরণীয় বিজয়ী ইসলামী আন্দোলন ইখওয়ানুল মুসলেমিন বা মুসলিম ব্রাদারহুড এবং পৃথিবী বিখ্যাত তাফসিরগ্রন্থ ফী-যিলালীল কুরআনের রচয়িতা ও আন্দোলনে আপোষহীনতার কারনে জালিম রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃক ফাঁসিতে ঝুলে শহীদ হয়ে তিনি অমর হয়ে আছেন গত শতাব্দীর ইতিহাস থেকে। এই সাহসী নেতার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানতে বইটি ডাউনলোড করুন। বইটির লেখক : আব্দুদ্দাইয়ান মুহাম্মদ ইউনুছ।

গত ৫ মার্চ ২০১৫ ভোরে মাহমুদ রমাদান নামক মুরসী সমর্থক ফাঁসি কার্যকর করা হলো। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি মুরসীকে অপসারণ করা হলে, মুরসীর সমর্থনে ও সীসীর বিপক্ষে মিছিলে বেরিয়ে আসেন।
বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ সাইয়েদ কুতুব শহীদ (রহ.)। সাইয়েদ কুতুব ১৯০৬ সালে মিসরের উস্ইউত জেলার মুশা গ্রামে কুতুব বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী ইব্রাহীম কুতুব, মায়ের নাম ফাতিমা হোসাইন ওসমান। মা যেমন ছিলেন অত্যন্ত খোদাভীরু ও দ্বীনদার তেমনি তাঁর বাবাও ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ও সচ্চরিত্রবান। বাবা মায়ের পাঁচ সন্তান-সন্ততির মধ্যে সাইয়েদ কুতুব ছিলেন সবার বড়। সকল ভাইবোনই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ইসলামী জীবন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরীক হয়ে কঠোর ঈমানী পরীক্ষার মুখোমুখি হয়ে গোটা বিশ্বের ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রেরণার উৎস হয়ে রইলেন।
Loading recent posts...