আওয়ামী শাসনামলে নামাযী ও পর্দানশীন নারীর যত অপমান!!!

ঢাবিতে “জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিভিন্ন হল থেকে রাতে নামাযরত ছাত্রীদের আটক করেছে ছাত্রলীগ।” খবরটি দেখে একটু আঁতকে উঠলাম এই জন্য আরো জঙ্গি সম্পৃক্ততার সেই পুরনো নাটক মঞ্চস্থ করছে ঢাবি প্রশাসন? অবশ্য এ জাতীয় মিথ্যাচার এখন একেবারেই সেকেলে। এঅভিনয়ে অংশ নিয়েছে-ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রক্টর এবং ভিসি মহোদয় নিজেই। ঢাকা বিশ¡বিদ্যালয়ের হলে তল্লাশি করে বিভিন্ন বিভাগের অসংখ্য ছাত্রীকে আটক করেছে ছাত্রলীগ ও প্রশাসন।

ফেরাউনের সরাইখানা (শামসুন্নাহার হল,ঢাবি) থেকে ফিরে



গত ৩ নভেম্বর (2014) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে ছাত্রলীগ এবং কর্তৃপক্ষের যৌথঅভিযানের পর পালিয়ে আসা এবং কিছু কথা।

“ ২ তারিখ রাত থেকেই হলে ছাত্রলীগের activities ছিল চোখে পড়বার মত।পরদিন আশুরা উপলক্ষে রোজা রাখবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল অনেকেই। সেহরীর পর আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমুচ্ছিলাম। হঠাৎ ৮:৩০ এ কেউ একজন কল করে জানালেন ছাত্রলীগের মেয়েরা হলের নামাজরুম থেকে তিনজন মেয়েকে আটক করেছে এবং প্রতিটি রুমে তল্লাসী চালিয়ে কারও কাছে কুরআন শরীফ বা হাদীস বই আবার কাউকে শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে আটক করছে।মনে হল হাতুরি দিয়ে কলিজায় কেউ ঘা দিয়েছে।রুম থেকে বেরোতেই দেখি এলাহী কারবার।একাধিক group এ বিভক্ত হয়ে ছাত্রলীগ হাতে লাঠি-সোটা নিয়ে হলের বিভন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে।

তোমরাই সুমাইয়ার বোন

ফারজানা কল্পনাও করেনি এমন পরিবেশে থাকতে হবে তাকে কোনদিন ।
ছোট্ট একটা রুম । নোংরা মেঝে । রুমের একপাশে কোমড় পর্যন্ত তোলা ওয়াল এটাই টয়লেট । সেখান থেকে দুর্গন্ধ আসছে । কোনমতে গাদাগাদি করে এখানে বসে আছে ফারজানা সহ মোট ২৭ জন মেয়ে । ফারহানারা ২৪ জন । আর ৩ জন আগে থেকেই ছিল ।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম