অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা - মেজর জলিল

লেখক পরিচিতি :

পারিবারিক নাম মোহাম্মদ আবদুল জলিল। বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায় জন্ম। পিতা জনাব আলী চৌধুরীর মৃত্যুর ৩মাস পরে উজিরপুর সদরেই অবস্থিত মামার বাড়ীতে জন্ম। শিশুকাল এবং কৈশোর মামদের পরম স্নেহেই কাটে। উজিরপুরের W.B. UNION INSTITUTION থেকে কৃতিত্বের সংগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এ সময়ে ‘পথের কাঙাল’ এবং ‘রীতি’ নামক দু’খানা উপন্যাস রচনা করেন। পরে পান্ডুলিপি হারিয়ে ফেলেন। ১৯৬১ সনে ‘Y’ Cadet স্কীমের অধীনে পশ্চিম পাকিস্তানের ‘মারী হিলস’(রাওয়ালপিন্ডি জেলায়) ভর্তি হন। কৃতিত্বের সংগে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় উত্তীন্ন হন। ১৯৬৩ সনে পাকিস্তানী মিলিটারী একাডেমী কাকুলে সামরিক বাহিনীর অফিসার কাম ট্রেনিং- এ যোগদান করেন। ১৯৬৫ সনের সেপ্টেম্বর মাসে কমিশন প্রাপ্ত হয়ে ১২ নং ক্যাভালরী রেজিমেন্ট (ট্যাঙক বাহিনী) যোগদান করে

ভারত যখন ভাঙলো (নসীম হিজাযী)

 
ইসমাইল হুকার নলটি গোলাম হায়দারের দিকে ফিরিয়ে দিলো । তারপর সেখান থেকে উঠে শ্লথগামী বলদগুলোর পিঠে দু ঘা বসিয়ে দিল এবং আবার আগের জায়গায় এসে বসে পড়লো ।

গোলাম হায়দার হুকায় কয়েকটান দিয়ে বলল, "একটু পরে কেয়ারীটাও একবার দেখে এসো.. 

তুমি কি কোথাও যাচ্ছো ?

আমি একটু মজিদের খবরটা নিয়ে আসি। গতকাল পাটওয়ারীর হাত দিয়ে মাষ্টারজী পয়গাম পাঠিয়েছেন, বিগত দুদিন ধরে সে গরহাজির। আজ আমি তাকে খুব মেরেছি।

ইসমাঈল মুচকি হেসে বললো, মেরে কোন লাভ হবেনা। আমার মনে হয় তার সাথে তুমিও স্কুলে ভর্তি হয়ে যাও । আজ ভাইজান বাড়িতে আসবেন। আমি তাকেও বলবো যদি মজিদকে পড়াতে হয় তাহলে তার দেখাশুনা করার জন্য তার বাপকেও সঙ্গে রাখতে হবে।

মানুষ ও দেবতা (নসীম হিজাযী)

শ্রাবণ মাস। সুরমা নদীতে প্রবল স্রোত। নদীর কিনারায় কয়েকটি ছোট নৌকা তীরবর্তী বড়বড় পাথরের সঙ্গে বাঁধা আছে। বেগবতী নদীর স্রোতে নৌকাগুলো দুলছে। নিকটেই নদীতীরে  কয়েকজন মাঝি নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলাবলি করছে। একজন বুড়ো মাঝি কপালে হাত রেখে বিশাল নদীর অপর তীরের দিকে একবার দেখে পিছন ফিরে জনৈক সুদর্শন যুবককে জিজ্ঞেস করল, 'মহারাজ! সেনাপতিজী কি আজই আসবেন?'

ডেড রেকনিং : ৭১ এর বাংলাদেশ যুদ্ধের স্মৃতি (বাংলা অনুবাদ)

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEi9TTLIkMlYqnZop_7eogHR_So1kYC_1evFE116nwPIBKDIxhnS66vRJgZ4Vw1xUTJHl1msyFDJLmSV2Agp_YMeUbdUuB4cumFK5tErB7LE9Qq3KPW7naM4yQf2alWM1XeS3pVwEjqDi0Q/s1600/Dead+Reckoning+@www.priyoboi.blogspot.com.jpg 
শর্মিলা বোস জন্মসূত্রে একজন বাঙালি হিন্দু। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কলকাতায় অবস্খান করে বাংলাদেশ থেকে প্রাণভয়ে ভারতে যাওয়া শরণার্থীদের দুর্দশা দেখেছেন। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের ফলে এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে হিন্দুরাই অধিক যাতনার শিকার হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও শর্মিলা বোস সম্প্রতি প্রকাশিত তার ‘ডেড রেকোনিং : মেমোরিজ অব দি ১৯৭১ বাংলাদেশ ওয়ার’ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধকে ‘গৃহযুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানি সৈন্যদের ৩০ লাখ বাঙালি হত্যা ও দুই লক্ষাধিক মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনাকে ‘অবাস্তব ও অতিরঞ্জিত’ বলে বর্ণনা করে স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির তীব্র সমালোচনা ও ভর্ৎসনার মুখোমুখি হয়েছেন। ১৯৭১ সালে শর্মিলা বোসের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর, তাই তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের কী জানেন এবং তিনি কী করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার ধৃষ্টতা দেখাতে পারেন, এমন প্রশ্নও তোলা হয়েছে। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্খা আইএসআই’র কাছ থেকে অর্থ নিয়ে গ্রন্থটি রচনা করেছেন কি না, তাকে সরাসরি এমন প্রশ্নও করা হয়েছে গত ১৫ মার্চে যে দিন তিনি ওয়াশিংটন ডিসি’র উড্রো উইলসন সেন্টারে গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশনায় বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যদানকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলামও ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ৩৭.৫০ ডলার মূল্য দিয়ে যারা বইটি কিনে তার অটোগ্রাফ নেন, তার সমালোচনাকারীরা তাদের ’জামায়াতি’ বলে অভিহিত করেন।


চূড়ান্ত লড়াই - নসীম হিজাযী

ইতিহাসের এক কিংবদন্তী..
তিনি...
এক দিগ্বিজয়ী বীর, যার তলোয়ার কখনো ঝংকৃত হয়েছে তুর্কিস্তানে, আবার কখনো ঝলসে উঠেছে হিন্দুস্তানের মাটিতে। যার ঘোড়া কখনো জাইহুন, আবার কখনো গঙ্গার পানি পান করেছে।

তিনি...
জীবন চলার গৌরবোজ্জ্বল পথে ঐ সব মুসাফিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাদের কাফেলা এক স্থানে স্থায়ী ন হয়ে দুশমনের সকল বধার বিন্ধ্যাচল ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে যেত দূরে-বহুদূরে।

অপারেশন পলো! হায়দরাবাদে মুসলিম গণহত্যার এক বিস্মৃত অধ্যায়

১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি পদদলিত করে মাত্র পাঁচ দিনে ভারতীয় সেনাবাহিনী মুসলিম দেশীয় রাজ্য হায়দরাবাদ গ্রাস করে। হায়দরাবাদ দখলের সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল অপারেশন পলো। সর্বাত্মক সামরিক অপারেশন হলেও ভারতের কাছে এ অভিযান ‘পুলিশি অভিযান’ হিসেবে পরিচিত। ভারতীয় সৈন্যদের স্বাগত জানাতে ১৮ সেপ্টেম্বর ভোর থেকে ভয়ার্ত জনতা রাজধানী সিকান্দারাবাদ মাঠে সমবেত হয়। বুটের তলায় পিষ্ট হওয়ার ভয়ে জনতা ভারতীয় সাঁজোয়া যানে ফুল ছিটিয়ে দেয়। জনতা স্লোগান দেয়, জয় হিন্দ, মহাত্মা গান্ধী কি জয়, পণ্ডিত নেহরু জিন্দাবাদ, সরদার প্যাটেল জিন্দাবাদ, জেনারেল চৌধুরী জিন্দাবাদ, হিন্দুস্তানি ফৌজ জিন্দাবাদ, ভারত মাতা কি জয়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন ভোর ৬টা নাগাদ কারফিউ জারি করা হয়। জনতা অন্ধকারে মিলিয়ে যায়। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়িঘরে ছুটে যায়। চার দিকে নেমে আসে কবরের নিস্তব্ধতা। শুরু হয় একটি জাতির পরাধীনতার ইতিহাস। শক্তি প্রয়োগ করা না হলে হায়দরাবাদ আজো স্বাধীন দেশ হিসেবে টিকে থাকত। ভারত এ দেশীয় রাজ্যে শুধু অন্যায় আগ্রাসন চালিয়েছে তাই নয়, ভারতীয় সৈন্যরা সেখানে নির্মম গণহত্যা চালায় এবং ধর্ষণে লিপ্ত হয়। প্রচারণার জোরে একটি কালো দিনকে মুক্তি ও স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যায় পৃথিবীর ইতিহাসের নির্মম গণহত্যার একটি উপাখ্যান। বিশ্ববাসী কথায় কথায় বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, সাবেক যুগোস্লাভিয়া, সিয়েরালিয়ন ও রুয়ান্ডায় সংঘটিত গণহত্যা এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদি হলোকাস্টের ট্রাজেডি স্মরণ করে, স্মরণ করে না কেবল হায়দরাবাদে ভারতীয় সৈন্যদের গণহত্যা। আজ পর্যন্ত কোথাও কেউ হায়দরাবাদে গণহত্যার জন্য ভারতের বিচার দাবি করেনি। কাউকে ভারতের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতেও দেখা যায় না। কী বিচিত্র পৃথিবী!

আসাম ম্যাসাকারঃ ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী ৬ ঘন্টায় ৫০০০ বাংলাদেশী হত্যা !!

An Untold Shame শিরোনামে 3,300 people were massacred in Assam but no one is punished এ ভাবেই ভুমিকা শুরু হয়ছে টেহেলকা ডট কম আসামের নিলায় ম্যচাকারের এক রিপোর্ট।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আসামের ব্রমপুত্র নদের অববাহিকায় বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের এক জনপথ গড়ে উঠে। এ অভিবাসী নতুন না। দেশ বিভাগের আগে এ উপমহাদেশে এটা হয়ে এসেছে বারবার। কখনো বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়ায়, কখনো ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে বা পাকিস্তান থেকে ইন্ডিয়াতে অথবা ইন্ডিয়া থেকে পাকিস্তানে অভিবাসি হয়ে এসেছেন অনেকজন।ভারতের জ্যোতি বসু, সুচিত্রা সেন, সমরেশ মজুমদার, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশারফ, বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ মাইগ্রেট করে আসার অন্যতম উদাহরণ। সেই একই ধারাবাহিকতার ব্রমপুত্র নদের অববাহিকায় আবাস গড়ে উঠে কয়েক হাজার বাংলাদেশীর। যারা আসামে অনেকদিন ধরেই বসবাস করে আসছিলেন।

সত্যিই আমি বাংলাদেশের মুসলমানদের উদারতা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেছি

(ছবি : চারুকলায় দোল পূজায় হিজাব পরা মুসলিম ছাত্রী )
১) যেখানে ভারতের হিন্দুরা মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদে গরু জবাই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে গলায় গলা মিলিয়ে হোলি পূজা করছে।

২) যেখানে ভারতে সরকারি চাকুরীতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের দূর দূর করা হচ্ছে (http://goo.gl/I4u9ZP), সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি চাকুরীতে উচ্চহারে হিন্দু নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

৩) যেখানে ভারতের হিন্দু এমপিরা মুসলমান মেয়েদের লাশ কবর থেকে তুলে ধর্ষণ করতে বলছে, সেখানে বাংলাদেশের মুসলমানরা এখনও মান্ধাতার আমলের পূর্নিমা ধর্ষণ নাটকের (http://goo.gl/przKSl) বিচার চেয়ে যাচ্ছে।

এপিজে আব্দুল কালাম মুসলমানদের জন্য যা যা করে গেছেন!


১. বাংলাদেশকে মরুভূমি বানাবার স্বপ্নদ্রষ্টা মাস্টারমাইন্ড 

এ, পি. জে. আব্দুল কালাম এক মহা কাজ করেছিলেন উনার জীবদ্দশায়, সেটা হচ্ছে মেগা রিভার প্রোজেক্ট। তার মানে বাংলাদেশের নদীগুলো থেকে পানি প্রত্যাহারের পরিকল্পনা উনার মস্তিস্কপ্রসুত , যাকে বলা যেতে পারে ব্রেন চাইল্ড। ভারতের রাষ্ট্রপতি থাকার সময়ে এই প্রকল্পের আদর্শিক ভিত্তি দেয়ার জন্য তিনি বিরামহীন প্রচারণাও চালিয়ে গেছেন।

ব্যক্তি হিসেবে তিনি অসাধারণ ছিলেন কিন্তু তিনি তার সেই ব্যক্তিত্বকে ব্যয় করেছেন ভারতীয় পুঁজির দাসত্বে। এখানেই এ, পি. জে. আবুল কালাম মহাকালের কাছে হেরে যাবেন।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম