উপমহাদেশ - আল মাহমুদ

অন্ধকারে হঠাৎ গুলীর শব্দে নৌকাটা দুলে উঠল। যাত্রীরা উবুড় হয়ে পড়ল এ-ওর গায়ের ওপর। নৌকার পেটের ভেতর থেকে ময়লা পানির ঝাপটা এসে আমার মুখটা সম্পূর্ণ ভিজিয়ে দিল। সার্ট ও গেঞ্জির ভেতর ছলছলানো পানি ঢুকে ঝুলতে লাগল। আর ফোঁটা ফোঁটা চুঁইয়ে পড়তে লাগল পাটাতনে। ততক্ষণে বুড়ো মাঝি ও তার ছোটো ছেলেটা বৈঠা গুটিয়ে নিয়ে পাটাতনে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়েছে। কে একজন ছিটকে এসে আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেছে। কান্না ও শরীরের ছোঁয়াতেই আমার বুঝতে বাকি রইল না, একটা মেয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে ফোঁপাচ্ছে। 

আমার অস্তিত্বের সমর্থন পেয়েই কিনা জানি না, মেয়েটার কান্না আরও শব্দ করে একটু রোদন বা বিলাপের মতো হয়ে উঠল। আর সাথে সাথেই আখাউড়ার দিক থেকে সারিবাঁধা পটকা ফাটানোর মতো গর্জন করে বইতে লাগল গুলীর শব্দ। সীসার বাতাস কেটে চলে যাওয়ার শিস উঠছে। 

শফীউদ্দিন সরদার উপন্যাস সমগ্র

ছুটে আসছে। তীর বেগে ছুটে আসছে। চলনবিলের বুক চিরে একটানা ছুটে আসছে লাল মিয়ার ছিপ নৌকা। একতালে বৈঠা মারছে লাল মিয়ার শক্ত জোয়ান সঙ্গীরা। কণ্ঠে তাদের নৌকাবাইচের গান।।

নবাবী আমল শেষ হয়েছে। বাংলার বুকে জোরেশোরেই চেপে বসেছে ইংরেজ। বাংলার বিদ্রোহ আপাতত শান্ত। শেষ হয়েছে ফকি্রদের হামলা। সতেরশ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর মানুষ ভুলতে বসেছে। আবার ধান উঠতেছে গৃহস্তের গোলায়।

ঝড় ঝাপ্টা থেমে যাওয়ার ইংরেজদের হাতে এসেছে অখন্ড অবসর। তারা এবার শাষনব্যাবস্থা শক্ত করার কাজে উঠে পড়ে লেগেছে।

মরণজয়ী মুজাহিদ -(পাহাড়ী এক লড়াকু)

১৯৭৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর। হঠাৎ করে খবর হলো, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান দখল করে নিয়েছে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষের মত আমিও ঘটনাটি অতিরঞ্জন বলেই মনে করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই খবরের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হলাম। তখন মনে হলো, সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করে জন্মভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা আফগানদের পক্ষে হয়তো আর সম্ভব হবেনা।

১৯৮২ সালে আফগান রণাঙ্গনে দু সপ্তাহ মুজাহিদদের সাথে থাকার সুযোগ পেয়ে গেলাম। এসময়ে কাছে থেকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ  করলাম তাঁদের যুদ্ধকৌশল ও দৈনন্দিন জীবনাচার! তখন আমার ধারনা সম্পূর্ণ বদলে গেলো। মনে হলো, এরা সাধারণ যোদ্ধাদের থেকে সম্পূর্ণ অন্য এক ধরনের পরজাগতিক চেতনায় উজ্জীবিত। অত্যাধুনিক সামরিক শক্তিতে বলীয়ান রুশ বাহিনীর মোকাবিলায় আফগান মুজাহিদরা যেভাবে জীবন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সে এক বিষ্ময়কর ও অবিশ্বাস্য দৃশ্য! নিজ চোখে না দেখলে আমি তা কখনো বিশ্বাস করতাম না।

ইসমাইল হোসেন সিরাজী উপন্যাসসমগ্র


বাঙ্গালী লেখকগনের যত্ন এবং চেষ্টায় বাংলা ভাষা আজ ভারতের সর্বপ্রধান ভাষায় পরিণত। বাংলা ভাষায় ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞানের গ্রন্থ যত সামান্যই হঊক, কিন্তু উপন্যাস এবং নাটক নভেলে বাংলা ভাষা আজ ভারাক্রান্ত। আর সেই সমস্ত গ্রন্থের পত্রে-পত্রে ছত্রে -ছত্রে মুসলমানের অলীক কলঙ্ক, কুৎসা - বিজাতীয় বিদ্বেষ এবং ঘৃণা পরিপূর্ণ। উপন্যাসগুলি মোসলেম বিদ্বেষের অনলকুন্ড। সে অনলকুন্ডে বিরাট-কীর্তি, বিপুল-যশ, সিংহতেজা মুসলমান জাতির গোলাম হইতে সম্রাট নবাব এবং বেগম ও শাহজাদীগণ পর্যন্ত নিতান্ত নিষ্ঠুরভাবে নিক্ষিপ্ত হইয়াছে!

গৌড় থেকে সোনার গাঁ -(উপন্যাস)

ইখতিয়ারউদ্দিন-মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজী জানবাজী রেখে বাঙ্গালা মুলুকে মুসলিম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে গেলেন। তাকে সাহায্য করলেন তার নিকটতম তিন-ইয়ার শিরান খলজী, আলী মর্দান ও ইওজ খলজী। তারা লাক্ষ্ণৌ, বিহার ও বরেন্দ্র অঞ্চলকে এই নতুন রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত করেন। ইশায়ী ১২০৫ সালে ইখতিয়অরউদ্দিন ইন্তেকাল করলে দিল্লীর সুলতানকে নামমাত্র সদকা দিয়ে তার তিন বন্ধু পরপর ইসায়ী ১২২৭ সাল পর্যন্ত বাঙ্গালা শাসন করে গেলেন। কিন্তু ১২২৭ সালে দিল্লীর সুলতান ইলতুতমিশের পূত্র নাসিরউদ্দিন মাহমুদ সুবিশাল বাহিনী নিয়ে বাঙ্গালার গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজীকে পরাজিত ও হত্যা করে দখল করে নেন এ অঞ্চল। এরপর একটানা আটান্ন বছর দিল্লী থেকে নিযুক্ত পনেরোজন শাসক বাঙ্গালা শাসন করেন। এদের দশজনই ছিলেন মামলুক বা দাস।


ক্রুসেড সিরিজ

ইসলামকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার চক্রান্তে মেতে উঠলো খৃষ্টানরা। একে একে লোমহর্ষক অসংখ্য সংঘাত ও সংঘর্ষে পরাজিত হয়ে বেছে নিল ষড়যন্ত্রের পথ। মুসলিম দেশগুলোতে ছড়িয়ে দিলো গুপ্তচর বাহিনী। ছড়িয়ে দিলো মদ ও নেশার দ্রব্য। ঝাঁকেঝাঁকে পাঠালো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুন্দরী গোয়েন্দা। বড় বড় সেনা অফিসার এবং আমীর ওমরাদের হারেমগুলোতে ওদের ঢুকিয়ে দিলো নানা কৌশলে। মদ, জুয়া আর বেহায়াপনার স্রোত বইয়ে দিলো শহরগুলোতে।

একদিকে সশস্ত্র লড়াই - অন্যদিকে কুটিল সাংস্কৃতিক হামলা, এ দুয়ের মোকাবেলায় রুখে দাঁড়ালো মুসলিম বীর শ্রেষ্ঠরা। তারা মোকাবিলা করলেন এমন সব অবিশ্বাস্য ও শ্বাসরুদ্ধকর ঘটনার, মানুষের কলনাকেও যা হার মানায়।

ইউসুফ বিন তাশফিন (নসীম হিজাযী)

 
বাপকা বেটা : 

এক বাচ্চা ছেলে দশাসই এক লোকের হাত ধরে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছে । আগে আগে যাচ্ছে দুই কিশোর । লোকটি ডেকে বলল, 'সাদ, আহমদ, দাঁড়াও'।

সাদ ও আহমদ বাগানের ভাঙা দেয়ালটার কাছে পৌছে ডাক শুনে দাঁড়িয়ে পড়লো । লোকটার বয়স চল্লিশের কাছাকাছি । সে তার বিশাল দেহটা নিয়ে ওদের কাছে এসে বলল, 'হাসান খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছে' ।

আলমাস চাচা, আমরা আজ মদিনাতুজ জোহরা দেখে যাব ।কি হাসান! তুমি কি খুব কাহিল হয়ে পড়েছো ? 'বললো বড় ছেলেটি ।

হাসান কোন জবাব না দিয়ে মুখ কালো করে এক পাথরের ওপর বসে পড়লো । তীর ধনুক নামিয়ে রাখল মাটিতে... (প্রথম চাপ্টার)

বখতিয়ারের তলোয়ার

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjqgY0x-whEf2bCTN3-j4hQVroPg5a0qm4jnTdl2K0sizwb3zrXfpL1agGJXzPOzZ39M9-ZenBxREKyK3vFGf2CB82BEI9f68___uocCc_7OU1uVhkkF2XAIvUESOFLIcxifbr8rrRXaVc/s1600/Bokhtiarer_Talwar.jpgইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজীর নদীয়া বিজয় থেকে দাউদ কাররানীর রাজমহলের যুদ্ধ বাংলা মুলুকের পৌনে চারশো বছরের ইতিহাস। গৌড়পান্ডুয়া-তান্ডার-মুসলমান শাসনের এক অবিস্মরণীয় ও ঐতিহ্যময় অতীত। অথচ ইংরেজ ও তার সহযোগীদের চাতুর্যে এই অতীত আমাদেদের জানতে দেয়া হয়না আজ ও। এই ইতিহাসের গুরুত্ব খুবই কম আমাদের পাঠ্যসূচীতে।

সামাল-সামাল-
হুশিয়ার হুশিয়ার-

জাঁন কাঁপানো আওয়াজ গজবের আলামত। জায়গার নাম গরমশির। আফগান মুলকের এক প্রাচীন জনপদ। এক প্রান্তিক এলাকা। গরমশিরের একদিকে সিস্তান ও অন্যদিকে গজনী। জনপদের দুইপাশে লোক বসতি, মাঝখানে রাস্তা। বালি-কাঁকর-পাথর ঢাকা পথ। ঘটনা এই পথের উপর।

আলোর পরশ

বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার দিতে শুরু করে ১৯৬০ সাল থেকে। ওই বছরই উপন্যাস বিভাগে পুরস্কার পান আবুল হাশেম খান। তাঁর উপন্যাসের নাম ‘আলোর পরশ’। পঞ্চাশের দশকে প্রকাশিত এ উপন্যাসটি পাঠকদের কাছে সমাদরের দিক থেকে স্থান পেয়েছিল ‘বিষাদ সিন্ধু’র পরেই। ইসলামের অভ্যুদয়ের কালে মক্কার এক তরুণের জীবন, প্রেম ও কুরবানীর এক অনবদ্য উপাখ্যান। ইসলাম মাত্র প্রচারিত হতে শুরু করেছে,একজন-দু’জন করে গ্রহণ করছেন ইসলাম, এমন একটা সময়ের ঘটনাবলী। উপন্যাসের নায়ক ও নায়িকা পরম্পরকে ভালোবাসে গভীরভাবে। ইসলামে দীক্ষা নেয়ার পর তাদের ওপর নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন। ইসলামবিরোধীরা অনেক অত্যাচার করেও মন ফেরাতে পারে না তাদের। পরিবারের গঞ্জনা, সমাজের লাঞ্ছনা—সব কষ্ট-যন্ত্রণা তাঁরা সহ্য করে অসীম ধৈর্যের সঙ্গে। ইসলামের আলোর পরশ পেয়ে উজ্জীবিত হয়েছে তাঁরা, কাজেই অন্ধকারের শক্তিকে ভয় কি?


হেজাযের কাফেলা - নসীম হিজাযী

বসন্ত কাল। যতদূর দৃষ্টি যায় কেবল সবুজের সমারোহ। ডান দিকে দৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত সবুজ ক্ষেত-খামার। বাতাসে নাচছে গমের শীষ। বায়ে ফোরাতের পারে লতাগুল্ম ঘেরা গভীর অরণ্য।

হাসান প্রবেশ করলো এ এলাকায়। অনেক পথ হেঁটে ফসলের ক্ষেত আর বাগান পেরিয়ে গাঁয়ের বস্তি ছাড়িয়ে কেল্লার মত এক বাড়ির কাছে পৌঁছল ও। ডুবে যাচ্ছিলো সূর্য। বাইরের মাঠে খেলা করছিলো বালকেরা। এদিক ওদিক তাকিয়ে ও এগিয়ে গেল ফটকের কাছে। ভেতর থেকে ভেসে এল কুকুরের ঘেউঘেউ। কিছুক্ষণ এক ধরনের অস্থিরতা নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো সে। তারপর দরজায় কড়া নেড়ে ডাকলো:''কেউ আছেন?"

তিতুর লেঠেল -(উপন্যাস)

  বাঁশেরকেল্লার মহানায়ক শহীদ তিতুমীরের সময়কালীন প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি। তিতুমীরের কেল্লা ও কেল্লা গড়ার আগে ও পরের পরিস্থিতির গল্পময় বর্ণনা রয়েছে এখানে।

..ভাই-বোনকে ধরে এনেছে যে লোকটি, সে বলল: এই দুই বিচ্ছুকে আমাদের ঘাটির পাশে ঘাপটি মেরে বসে থাকতে দেখেছি।

বুড়ো বললেন : এরা কারা?

লোকটি বলল: নিশ্চয়-ই সাহেবদের চর। আমাদের পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে খোঁজ খবর জানার জন্য। নিজেদের মুরোদে কুলোচ্ছে না তো!

বুড়োর ভুরু কুঁচকে গেলো। বললেন : ইংরেজদের ধাড়ি ধাড়ি গোয়েন্দারা আমাদের পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে দুই নাবালককে! আমার মনে হয় তুমি ভুল করছ। বুড়ো তাদের লক্ষ করে বললেন: তোমাদের ভয়ের কারন নেই। মুখ দেখেই বুঝতে পারছি তোমাদের খুব ক্ষিদে পেয়েছে।

উমর বিন খাত্তাব রা: এর ঢাকা সফর


এক জ্যোতির্ময় পুরুষ। চোখে মুখে অপূর্ব নুরানী আভা। চেহারায় প্রখর ব্যক্তিত্ব। চোখে সংকল্প ও দৃঢ়তার সুষ্পষ্ট ছাপ। পরনে সাদামাটা কাপড়।..
সারাদিন ঢাকার রাস্তায় ঘুরলেন তারা। বিভিন্ন স্থানে গেলেন। যুবক খুব ক্লান্তি বোধ করলো। ক্ষুধা পেলো। কিন্তু ক্ষুধার কথা অতিথিকে জানতে দিলনা। খুব সংকোচ বোধ করলেন।..

রাস্তা ধারে প্রেক্ষাগৃহ। আধুনিক কায়দায় নির্মিত বিল্ডিং। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হল। প্রশস্ত লন। ...অতিথি বল্লেন, এদের কি কোন কাজকর্ম নেই? ছন্নছাড়ার দল। যুবক বললো , শো এখন ভাঙেনি। অতিথি জিজ্ঞেস করলো, কিসের শো? যুবক বল্লো ছায়াছবি। অতিথি উৎসুক্য সহকারে জিজ্ঞেস করলো , কিসের ছায়ছবি? যুবক বল্লো প্রেম কাহিনীর চিত্ররূপ। অতিথি বললেন, একজনের প্রেমের চিত্র অন্যজন দেখে কি করে? এটা তো বর্বরতা!

অতিথি বললেন, তোমাদের দেশ ধনী, কিন্তু তোমরা গরীব। ভুখা মানুষের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভরপুর। যে দেশের অধিকাংশ মানুষ না খেয়ে আছে সে দেশের মানুষ কি করে ভোগ বিলাসে অর্থ ব্যায় করে?

বিষ্ময় ও বিরক্তি নিয়ে অতিথি জিজ্ঞেস করলেন, এত লোক এভাবে রাস্তায় শুয়ে আছে কেন? এরা কারা? যুবক বললেন, এরা সর্বহারা। কোন ঠাঁই নেই এদের। ফুটপাথই এদের বাড়িঘর। অতিথি ধমক দিয়ে বললেন, যুবক ! কি বলছো তুমি?


(বইটির প্রথম দিকের কয়েকটা পাতা ক্ষতিগ্রস্থ)




ডাউনলোড 



ফেসবুকে আমাদের লাইক করুন




পেজ-ভিউ

ভেঙ্গে গেলো তলোয়ার - নসীম হিজাযী


একদিন ফরহাত বালাখানার এক কামরায় বসে তাঁর পরিচারিকার সাথে কথা বলছেন। আচানক সিঁড়ির উপর  কার ছুটে আসার আওয়াজ শোনা গেল। দেখতে দেখতে বারো বছরের কাছাকাছি বয়সের একটি শ্যামবর্ণ বালক এসে কামরায় প্রবেশ করলো।

পরিচারিকা বললো: মুনাওয়ার, তুমি বড় নালায়েক হয়েছো। বিবিজী কতোবার তোমায় মানা করেছেন সিঁড়ির ওপর ছুটাছুটি করতে!

মুনাওয়ার পরিচারিকার জওয়াব না দিয়ে ফরহাতকে লক্ষ্য করে বললো: আজ এক মেহমান এসেছেন। খুব বড় লোক মনে হচ্ছে। এসেই তিনি ভাইজান আনওয়ার আলী ও ভাইজান মুরাদ আলীর কথা জিজ্ঞেস করলেন। এরপর দীলাওয়ার আলী ও সাবেরের কথা জানতে চাইলেন। সাবের তো মরে গেছে।

শরৎচন্দ্র রচনা-সমগ্র

শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের মোটামুটি সবগুলি সাহিত্যকর্ম (উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ) এক ফাইলে একত্রিত করা হয়েছে (কে করেছে, জানা নাই। ব্লগ থেকে পাওয়া) । তিন হাজারের-ও বেশি পৃষ্ঠার পিডিএফ ফাইলটির সাইজ অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র ৬.৪৩ মেগাবাইট।



উপন্যাস

* বড়দিদি, ১৯১৩
* বিরাজবৌ, ১৯১৪
* পরিণীতা, ১৯১৪
* বৈকুন্ঠের উইল, ১৯১৫
* পল্লীসমাজ, ১৯১৬
* চন্দ্রনাথ, ১৯১৬
* অরক্ষণীয়া, ১৯১৬
* পন্ডিতমশাই, ১৯১৭
* দেবদাস, ১৯১৭
* চরিত্রহীন, ১৯১৭
* শ্রীকান্ত ১, ১৯১৭
* নিষ্কৃতি, ১৯১৭
* শ্রীকান্ত ২, ১৯১৮
* দত্তা, ১৯১৮
* গৃহদাহ, ১৯২০
* বামুনের মেয়ে, ১৯২০
* দেনা পাওনা, ১৯২৩
* নববিধান, ১৯২৪
* পথের দাবী, ১৯২৬
* শ্রীকান্ত ৩, ১৯২৭
* শেষ প্রশ্ন, ১৯৩১
* বিপ্রদাস, ১৯৩৫
* শ্রীকান্ত ৪, ১৯৩৩
* শুভদা, ১৯৩৮
* শেষের পরিচয়, ১৯৩৯

চূড়ান্ত লড়াই - নসীম হিজাযী

ইতিহাসের এক কিংবদন্তী..
তিনি...
এক দিগ্বিজয়ী বীর, যার তলোয়ার কখনো ঝংকৃত হয়েছে তুর্কিস্তানে, আবার কখনো ঝলসে উঠেছে হিন্দুস্তানের মাটিতে। যার ঘোড়া কখনো জাইহুন, আবার কখনো গঙ্গার পানি পান করেছে।

তিনি...
জীবন চলার গৌরবোজ্জ্বল পথে ঐ সব মুসাফিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাদের কাফেলা এক স্থানে স্থায়ী ন হয়ে দুশমনের সকল বধার বিন্ধ্যাচল ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে যেত দূরে-বহুদূরে।

সবিস্তার সূচীপত্র
টেম্পলেট কাষ্টমাইজেশন - তরঙ্গ ইসলাম | তরঙ্গ ইসলাম